📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যশোরের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই বছর ধরে অচল এক্স-রে যন্ত্র ও অনুপস্থিত অ্যাম্বুলেন্স চালক

যশোরের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই বছর ধরে অচল এক্স-রে যন্ত্র ও অনুপস্থিত অ্যাম্বুলেন্স চালক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যশোরের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই বছর ধরে অচল এক্স-রে যন্ত্র, চার বছর ধরে অনুপস্থিত অ্যাম্বুলেন্স চালক এবং চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকটে ভোগান্তিতে রোগীরা

যশোরের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই বছর ধরে অচল হয়ে রয়েছে এক্স-রে যন্ত্র। একইসঙ্গে চার বছর ধরে অনুপস্থিত অ্যাম্বুলেন্স চালকের কারণে জরুরি রোগী পরিবহনেও দেখা দিয়েছে বিপত্তি। এছাড়া চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকটের কারণে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যশোরের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই বছর ধরে অচল এক্স-রে যন্ত্র
  • 📌 চার বছর ধরে অনুপস্থিত অ্যাম্বুলেন্স চালক
  • 📌 চিকিৎসকের পদ খালি রয়েছে ১৯টি, কর্মচারী সংকট তীব্র
  • 📌 পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদে একজন কর্মী নিয়োজিত, পদ রয়েছে পাঁচটি
  • 📌 রোগীরা ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত

📰 বিস্তারিত

কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে চিকিৎসকের পদ রয়েছে ৪৩টি। এর মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন ২৪ জন চিকিৎসক। অর্থোপেডিক, কার্ডিওলজি, চক্ষু, চর্ম ও সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ মোট ১৯টি পদ খালি রয়েছে। কর্মচারী সংকটও প্রকট। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী পদে থাকার কথা ১১৮টি, কিন্তু কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৭৭ জন। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদে থাকার কথা ২৩টি, কিন্তু কর্মরত রয়েছেন ১৪ জন। সবচেয়ে বেশি সমস্যা পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিয়ে। পদ রয়েছে পাঁচটি, কিন্তু কর্মরত রয়েছেন মাত্র একজন।

রোগী ও তাঁদের স্বজনদের ভোগান্তির মধ্যেই চলছে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। সাতক্ষীরার তালা ও কলারোয়া, খুলনার ডুমুরিয়া এবং যশোরের মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার রোগীরা এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। ৫০ শয্যার এ হাসপাতাল খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত।

রোজিনা খাতুন নামে এক রোগীর অভিযোগ, তাঁর চার সপ্তাহ বয়সী শিশুর চিকিৎসা করতে গিয়ে ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হলেও কোনো ওষুধ দেওয়া হয়নি। তিনি জানান, শিশুটির ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে তিনি ২৪ আগস্ট হাসপাতালে এসেছিলেন।

"শিশুসন্তানকে চিকিৎসা দিয়ে একটি ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়, কিন্তু ওষুধ দেওয়া হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রোজিনা খাতুন ও তাঁর শিশুসন্তান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩টি চিকিৎসকের পদ, ১৯টি খালি; ১১৮টি কর্মচারী পদ, ৭৭ জন কর্মরত; ৫টি পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদ, ১ জন কর্মরত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖