📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জিম্বাবুয়ে থেকে পাচারকৃত দুটি চিতাবাঘ ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করছে সরকার, বাংলাদেশে বন্দী ৯ বছর

জিম্বাবুয়ে থেকে পাচারকৃত দুটি চিতাবাঘ ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করছে সরকার, বাংলাদেশে বন্দী ৯ বছর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জিম্বাবুয়ে থেকে পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসা দুটি চিতাবাঘ ফিরিয়ে নিতে সরকার অস্বীকার করছে। ২০১৮ সাল থেকে গাজীপুর সাফারি পার্কের বদ্ধ খাঁচায় বন্দী এই দুটি চিতাবাঘের পুনর্বাসনের জন্য বাংলাদেশের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে

জিম্বাবুয়ে থেকে পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসা দুটি চিতাবাঘের ফিরতি বিষয়ে জিম্বাবুয়ের সরকারের ন্যাশনাল পার্ক অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ ম্যানেজমেন্টের অস্বীকৃতি বাংলাদেশের বন বিভাগকে আঘাত করেছে। ২০১৮ সালের ১৫ জুন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে উদ্ধার হওয়া এই দুটি চিতাবাঘ বর্তমানে গাজীপুর সাফারি পার্কের বদ্ধ প্রকোষ্ঠে ৯ বছর ধরে বন্দী অবস্থায় রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জিম্বাবুয়ে সরকারের ন্যাশনাল পার্ক অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ ম্যানেজমেন্ট ২০২৫ সালের ১৭ আগস্ট চিতাবাঘ দুটি ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানায়
  • 📌 ২০১৮ সালের জুনে উদ্ধার হওয়া চিতাবাঘ দুটি বর্তমানে গাজীপুর সাফারি পার্কের বদ্ধ খাঁচায় ৯ বছর ধরে বন্দী
  • 📌 জিম্বাবুয়ের সংগঠন ‘অ্যান আই ফর দ্য ওয়াইল্ড’ পুনর্বাসনের আগ্রহ প্রকাশ করলেও সরকারের অনুমোদন না পেলে ব্যর্থতা অব্যাহত
  • 📌 বন অধিদপ্তর ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল জিম্বাবুয়ে সরকারকে চিঠি দিয়েছিল, কিন্তু কোনো সাড়া পায়নি
  • 📌 গাজীপুর সাফারি পার্কের বন কর্মকর্তা জানান, অর্থসংকটে চিতাবাঘের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা তৈরি করা সম্ভব হয়নি

📰 বিস্তারিত

২০১৮ সালের ১৫ জুন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে পাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার হওয়া দুটি চিতাবাঘ বর্তমানে গাজীপুর সাফারি পার্কের বদ্ধ প্রকোষ্ঠে ৯ বছর ধরে বন্দী অবস্থায় রয়েছে। বন অধিদপ্তর জানায়, এই দুটি চিতাবাঘ জিম্বাবুয়ে থেকে পাচার হয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। উদ্ধারের পর থেকে বাংলাদেশের বন বিভাগ চিতাবাঘ দুটি ফিরিয়ে নিতে জিম্বাবুয়ের সরকারের ন্যাশনাল পার্ক অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ ম্যানেজমেন্টের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।

২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল বন অধিদপ্তরের প্রধান সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী জিম্বাবুয়ের ন্যাশনাল পার্ক অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালকের উদ্দেশ্যে চিঠি পাঠান। চিঠিতে বলা হয়, উদ্ধারের পর থেকে এই দুটি চিতাবাঘ বন বিভাগের অধীন গাজীপুর সাফারি পার্কের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। বাংলাদেশ চিতাবাঘ দুটি ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত এবং জিম্বাবুয়ের সংগঠন ‘অ্যান আই ফর দ্য ওয়াইল্ড’ পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

আমীর হোসাইন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘২০১৮ সালের জুনে এ দুটি চিতাশাবক উদ্ধারের পর আমরা আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য ও অন্যান্য উপায়ে এগুলো জিম্বাবুয়ে থেকে এসেছে বলে নিশ্চিত হই। এরপর জিম্বাবুয়ের একটি সংস্থা এ দুটি চিতা ফিরিয়ে নিতে চাইলে আমরা এ বিষয়ে জিম্বাবুয়ের সরকারকে চিঠি দিই।’

২০২৫ সালের ১৭ আগস্ট জিম্বাবুয়ের সরকারের ন্যাশনাল পার্ক অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ ম্যানেজমেন্ট চিতাবাঘ দুটি ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। বন অধিদপ্তর জানায়, জিম্বাবুয়ের সংগঠন ‘অ্যান আই ফর দ্য ওয়াইল্ড’ জিম্বাবুয়ে সরকারের বন্য প্রাণী ও পার্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেছে। তারা দেড় বছর ধরে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

গাজীপুর সাফারি পার্কের বন কর্মকর্তা এম কে এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী জানান, প্রতিটি সাফারি পার্কের নকশা অনুসারে খাঁচা তৈরি করা হয়। অর্থসংকটে চিতাবাঘের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নিয়ে খাঁচা তৈরি করা সম্ভব হয়নি। বর্তমান অর্থবছরে এই দুটি বন্য প্রাণীর জন্য খাঁচা বানাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং কয়েক মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।

"২০১৮ সালের জুনে এ দুটি চিতাশাবক উদ্ধারের পর আমরা আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য ও অন্যান্য উপায়ে এগুলো জিম্বাবুয়ে থেকে এসেছে বলে নিশ্চিত হই। এরপর জিম্বাবুয়ের একটি সংস্থা এ দুটি চিতা ফিরিয়ে নিতে চাইলে আমরা এ বিষয়ে জিম্বাবুয়ের সরকারকে চিঠি দিই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ (ফতুল্লা), গাজীপুর (সাফারি পার্ক), জিম্বাবুয়ে
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী (বন অধিদপ্তর), এম কে এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী (গাজীপুর সাফারি পার্ক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৮ (উদ্ধার), ৯ (বছর বন্দী), ১৫ (জুন), ১৭ (এপ্রিল), ১৭ (আগস্ট), ১৩ (সেপ্টেম্বর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖