📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৭৪ বছর বয়সে যমজ সন্তান জন্ম দেন ভারতীয় মা: বিজ্ঞান কি স্বাস্থ্য ঝুঁকিকে ছাড়িয়ে গেছে?

৭৪ বছর বয়সে যমজ সন্তান জন্ম দেন ভারতীয় মা: বিজ্ঞান কি স্বাস্থ্য ঝুঁকিকে ছাড়িয়ে গেছে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতে ৭৪ বছর বয়সে যমজ কন্যা জন্ম দেন মাঙ্গাম্মা। আইভিএফ পদ্ধতিতে গর্ভধারণের মাধ্যমে এই রেকর্ড সৃষ্টি হয়। বিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে মেনোপজের পরেও গর্ভধারণ সম্ভব হলেও মায়ের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। বিশ্বের সর্বোচ্চ বয়সে সন্তান জন্ম দেওয়ার ঘটনাগুলি চিকিৎসা ও নৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে

৭৪ বছর বয়সে যমজ কন্যা জন্ম দেন ভারতের মাঙ্গাম্মা। এই রেকর্ডসেটার ঘটনা বিজ্ঞানের অগ্রগতির প্রমাণ হিসেবে দেখা হলেও চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই অগ্রগতি মায়েদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বহন করছে। ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) পদ্ধতির মাধ্যমে এই অসম্ভব ঘটনা সম্ভব হয়েছে। মাঙ্গাম্মা ২০১৯ সালে যমজ সন্তান জন্ম দেন, যখন তাঁর বয়স ছিল ৭৪ বছর। এই ঘটনা বিশ্বের সর্বোচ্চ বয়সে সন্তান জন্ম দেওয়ার রেকর্ড হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৭৪ বছর বয়সে যমজ কন্যা জন্ম দেন ভারতের মাঙ্গাম্মা** — বিশ্বের সর্বোচ্চ বয়সে সন্তান জন্ম দেওয়ার রেকর্ডসেটার ঘটনা।
  • 📌 **আইভিএফ পদ্ধতিতে গর্ভধারণ** — অন্য নারীর দান করা ডিম্বাণু ব্যবহার করে মাঙ্গাম্মা গর্ভধারণ করেন।
  • 📌 **মেনোপজের পরেও গর্ভধারণ সম্ভব** — বিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে মেনোপজের পরও গর্ভধারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
  • 📌 **স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে** — বেশি বয়সে সন্তান জন্ম দেওয়ার কারণে মায়েদের জন্য নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে।
  • 📌 **বিশ্বের অন্যান্য রেকর্ডসেটার মায়েরা** — স্পেনের মারিয়া দেল কারমেন বুসাদা দে লারা (৬৬ বছর), ভারতের দলজিন্দর কৌর (৭২ বছর), ব্রিটিশ ডন ব্রুক (৫৯ বছর)।

📰 বিস্তারিত

ভারতের মাঙ্গাম্মা ২০১৯ সালে যমজ কন্যা জন্ম দেন, যখন তাঁর বয়স ছিল ৭৪ বছর। এই ঘটনা বিশ্বের সর্বোচ্চ বয়সে সন্তান জন্ম দেওয়ার রেকর্ড হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। মাঙ্গাম্মা আইভিএফ পদ্ধতির মাধ্যমে গর্ভধারণ করেন। চিকিৎসকরা অন্য নারীর দান করা ডিম্বাণু ব্যবহার করে ভ্রূণ তৈরি করে মাঙ্গাম্মার জরায়ুতে স্থাপন করেন। এরপর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি যমজ সন্তান জন্ম দেন।

বিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে মেনোপজের পরেও গর্ভধারণ সম্ভব হয়েছে। মেনোপজের পর স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণ অত্যন্ত বিরল। তবে আইভিএফ পদ্ধতির মাধ্যমে মেনোপজের পরও গর্ভধারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই পদ্ধতিতে শরীরের বাইরে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রূণ তৈরি করা হয়, যা জরায়ুতে স্থাপন করা হয়। মেনোপজের পর কোনো নারীর নিজের ডিম্বাণু কার্যকর না থাকলে অপেক্ষাকৃত কম বয়সী অন্য কোনো নারীর দান করা ডিম্বাণু ব্যবহার করা যায়।

বিশ্বের অন্যান্য রেকর্ডসেটার মায়েদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন স্পেনের মারিয়া দেল কারমেন বুসাদা দে লারা, যিনি ৬৬ বছর বয়সে যমজ ছেলেসন্তান জন্ম দেন। ভারতের দলজিন্দর কৌর ৭২ বছর বয়সে সন্তান জন্ম দেন। ব্রিটিশ ডন ব্রুক ৫৯ বছর বয়সে একটি ছেলেসন্তান জন্ম দেন, যা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কারণ তিনি আইভিএফের পরিবর্তে স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণ করেছিলেন। তবে তাঁর ঘটনাও হরমোন চিকিৎসার মাধ্যমে সম্ভব হয়েছিল।

বিশ্বের সর্বোচ্চ বয়সে সন্তান জন্ম দেওয়ার ঘটনায় মায়ের প্রকৃত বয়স নিয়ে অনেক সময় সন্দেহ থেকে যায়। বয়সের রেকর্ড নির্ধারণের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন বা অন্য নির্ভরযোগ্য নথির প্রয়োজন হয়। তবে এসব ঘটনা মাতৃত্বের একটি বড় পরিবর্তনের অংশ। অনেক নারী আগের তুলনায় বেশি বয়সে সন্তান জন্ম দিতে চান, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে সম্ভব হয়েছে।

"মেনোপজের পরেও গর্ভধারণ সম্ভব হলেও মায়েদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে ৩৫ বছর বা তার বেশি বয়সে গর্ভধারণকে অ্যাডভান্সড ম্যাটারনাল এজ গর্ভধারণ বলা হয়। তাই ৫০, ৬০ বা ৭০ বছর বয়সে গর্ভধারণ এমনিতেই চিকিৎসকদের বিশেষ নজরে পড়ে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারতে (মাঙ্গাম্মা), স্পেনের (মারিয়া দেল কারমেন বুসাদা দে লারা), ভারতের (দলজিন্দর কৌর), ব্রিটেন (ডন ব্রুক)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাঙ্গাম্মা, মারিয়া দেল কারমেন বুসাদা দে লারা, দলজিন্দর কৌর, ডন ব্রুক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ বছর (মাঙ্গাম্মা), ৬৬ বছর (মারিয়া দেল কারমেন), ৭২ বছর (দলজিন্দর কৌর), ৫৯ বছর (ডন ব্রুক), ৩৫ বছর (অ্যাডভান্সড ম্যাটারনাল এজ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖