📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহাবিশ্বের অদ্ভুত বিস্ফোরণ 'হাইপারনোভা' কি মিথ্যাবাদ? বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করে বড় সত্য

মহাবিশ্বের অদ্ভুত বিস্ফোরণ 'হাইপারনোভা' কি মিথ্যাবাদ? বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করে বড় সত্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মহাবিশ্বের অদ্ভুত বিস্ফোরণ 'হাইপারনোভা' কি আসলে ঘটে? বিজ্ঞানীরা নতুন গবেষণা করে প্রমাণ করেন, এই ধারণাটি পুরোপুরি ভুল হতে পারে। সাধারণ সুপারনোভাই এই অদ্ভুত নক্ষত্রগুলোর জন্মের ব্যাখ্যা দিতে পারে

মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে পরিচিত 'হাইপারনোভা' কি আসলে ঘটে? বিজ্ঞানীরা নতুন গবেষণা করে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেয়েছেন। তাদের মতে, এই ধারণাটি পুরোপুরি মিথ্যাবাদ হতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিজ্ঞানীরা নতুন গবেষণা করে প্রমাণ করেন, 'হাইপারনোভা' আসলে ঘটে না — সাধারণ সুপারনোভাই এর ব্যাখ্যা দিতে পারে
  • 📌 আমাদের সূর্যের চেয়ে অন্তত ৩০ গুণ ভরের তারার বিস্ফোরণকে 'হাইপারনোভা' বলা হতো, যা সাধারণ সুপারনোভার চেয়ে ১০ গুণ উজ্জ্বল
  • 📌 মহাবিশ্বের শুরুর দিকের কম ধাতুওয়ালা নক্ষত্রগুলোর জন্মের পেছনে 'হাইপারনোভা' থাকার কোনো প্রমাণ নেই
  • 📌 ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর উপাদানগুলো সমানভাবে মেশে না — সুপারনোভার ছিটিয়ে দেওয়া উপাদানের নির্দিষ্ট অংশ থেকে নতুন নক্ষত্র জন্ম নেয়

📰 বিস্তারিত

মহাজাগতিক বিস্ফোরণের সবচেয়ে পরিচিত রূপ হলো সুপারনোভা। যখন বিশাল আকৃতির তারাগুলো মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, তখন ঘটে এই প্রলয়ংকরী ঘটনা। মহাকাশে মাসের পর মাস এই আলো টিকে থাকে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছে এটি গবেষণার অন্যতম প্রিয় বিষয়। সুপারনোভার বেশ কয়েকটি ধরন আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো ‘কোর-কোল্যাপস সুপারনোভা’। মহাকাশে ঘটে যাওয়া সুপারনোভার প্রায় ৭০ শতাংশই এই ধরনের। তবে বিজ্ঞানীরা আগে ধারণা করতেন, এই কোর-কোল্যাপস সুপারনোভার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও উজ্জ্বল একধরনের বিস্ফোরণ আছে — ‘হাইপারনোভা’।

বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, এই হাইপারনোভা ঘটে আমাদের সূর্যের চেয়ে অন্তত ৩০ গুণ বা তার বেশি ভরের তারার ক্ষেত্রে। সাধারণ সুপারনোভার চেয়ে এটি প্রায় ১০ গুণ বেশি উজ্জ্বল হয়। কিন্তু নতুন গবেষণা এই ধারণার প্রশ্ন তুলেছে। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের মুলার্ড স্পেস সায়েন্স ল্যাবরেটরির পিএইচডি গবেষক আনমোল আগরওয়াল এবং রালফ শোনরিখের নেতৃত্বে দুটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। তাদের মতে, বিস্ফোরণের পর উপাদানগুলো সমানভাবে মেশে না। সুপারনোভার পর তারার সব উপাদান ব্লেন্ডারে মেশানো জুসের মতো একাকার হয়ে যায় না।

আগরওয়ালের ভাষায়, ‘হাইপারনোভা থাকার যত প্রমাণ আমাদের কাছে ছিল, তা হঠাৎ করেই উধাও হয়ে গেল।’ বিজ্ঞানীরা আগে মনে করতেন, মহাবিশ্বের শুরুর দিকের কম ধাতুওয়ালা নক্ষত্রগুলোর জন্ম হয়েছে একটি বিশাল নক্ষত্রের বিস্ফোরণ থেকে। কিন্তু নতুন গবেষণা প্রমাণ করে, সাধারণ সুপারনোভাই এদের ব্যাখ্যা দিতে পারে। যদি বিস্ফোরণের পর উপাদানগুলো সমানভাবে মেশার শর্তটি বাদ দেওয়া হয়, তবে সাধারণ সুপারনোভাই এই অদ্ভুত নক্ষত্রগুলোর জন্মের ব্যাখ্যা দিতে পারে।

"সুপারনোভার পর তারার সব উপাদান ব্লেন্ডারে মেশানো জুসের মতো একাকার হয়ে যায় না। হয়তো অক্সিজেন একদিকে উড়ে গেল, তো সালফার ছুটে গেল অন্যদিকে। ফলে নতুন যে তারাটি জন্ম নিচ্ছে, সেটি সুপারনোভার পুরো মিশ্রণ থেকে তৈরি হচ্ছে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লন্ডন (ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনমোল আগরওয়াল (পিএইচডি গবেষক), রালফ শোনরিখ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ শতাংশ (কোর-কোল্যাপস সুপারনোভা), ৩০ গুণ (সূর্যের চেয়ে বেশি ভর), ১০ গুণ (উজ্জ্বলতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖