📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিজ্ঞানের কৌশল দিয়ে পাথর কেন ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে পারে?

বিজ্ঞানের কৌশল দিয়ে পাথর কেন ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে পারে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রাচীন ভারতের সাধু-সন্ন্যাসীরা দেখাতেন অলৌকিক জাদু, কিন্তু বিজ্ঞানেই এর পেছনের রহস্য। কীভাবে ভারী পাথর বা লোহার গোলক ঝাঁকুনির মাধ্যমে ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে পারে, তা বিজ্ঞান ভিত্তিক কৌশল নিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে

প্রাচীন ভারতের সাধু-সন্ন্যাসীরা দর্শকদের মোহিত করে রাখতেন তাদের অলৌকিক জাদু দেখিয়ে। তাদের দেখানো এক ধরনের জাদু ছিলো এমন, যাতে মাটিতে পড়ে থাকা একটি দড়ি সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যেত। কিন্তু এই জাদুর পেছনে কোনো অতীন্দ্রিয় শক্তি নেই, বরং তা কৌশল ও বিজ্ঞানের ভিত্তিতে তৈরি। বিজ্ঞানেই রয়েছে সেই রহস্য, যা কীভাবে ভারী পাথর বা লোহার গোলক ঝাঁকুনির মাধ্যমে ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে পারে, তা ব্যাখ্যা করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভারী পাথর বা লোহার গোলককে ঝাঁকুনির মাধ্যমে ধীরে ধীরে ওপরে উঠানো সম্ভব বিজ্ঞানের মাধ্যমে
  • 📌 কাচের গ্লাসে পাথর রাখা ও শুকনো চাল দিয়ে ভরে ঝাঁকুনি দিলে পাথর ওপরে উঠে আসে
  • 📌 লোহার গোলক ও বালু দিয়ে ভরা নলের মাধ্যমে ঝাঁকুনি দিলে গোলক ওপরে উঠে আসে
  • 📌 এই কৌশলটি বিজ্ঞান ভিত্তিক, অলৌকিক নয়

📰 বিস্তারিত

প্রাচীন ভারতের সাধু-সন্ন্যাসীরা তাদের দর্শকদের মোহাবিষ্ট করে রাখতেন অলৌকিক জাদু দেখিয়ে। তাদের দেখানো এক ধরনের জাদু ছিলো এমন, যাতে মাটিতে পড়ে থাকা একটি দড়ি সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যেত। কিন্তু এই জাদুর পেছনে কোনো অতীন্দ্রিয় শক্তি নেই। বিজ্ঞানেই রয়েছে সেই রহস্য। বিজ্ঞানী ও জাদুকররা কীভাবে ভারী পাথর বা লোহার গোলককে ঝাঁকুনির মাধ্যমে ধীরে ধীরে ওপরে উঠানো সম্ভব করে তাকেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

একটি কাচের গ্লাসে ছোট পাথরের টুকরো রাখা হয় এবং গ্লাসটিকে শুকনো চাল দিয়ে ভরে ফেলা হয়। এবার এক হাতের তালুতে গ্লাসটি রাখা হয় এবং অন্য হাতের তালু দিয়ে গ্লাসের মুখে বারবার ঝাঁকুনি দেওয়া হয়। সাধারণভাবে মনে হয়, বালুর চেয়ে ভারী পাথর ঝাঁকুনিতে নিচেই পড়ে থাকবে। কিন্তু বিজ্ঞানের কৌশল ব্যবহার করে দেখা যায়, পাথর ধীরে ধীরে চালের বাধা ভেদ করে ওপরে উঠে আসে।

এই কৌশলটি বিজ্ঞান ভিত্তিক। লোহার গোলক ও বালু দিয়ে ভরা একটি কাচের নলের মাধ্যমে ঝাঁকুনি দেওয়া হয়। লোহার গোলকের ওজন বালুর চেয়ে বেশি হওয়ায় ঝাঁকুনিতে গোলককে বেশি ভরবেগ সৃষ্টি হয়। ফলে গোলক ধীরে ধীরে ওপরে উঠে আসে। এই কৌশলটি বিজ্ঞান ভিত্তিক, অলৌকিক নয়।

"এই কৌশল ব্যবহার করে তৈরি একটি খেলা একসময় বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। লোহার গোলক ও বালু দিয়ে ভরা নলটি লম্বভাবে দাঁড় করিয়ে রেখে ঝাঁকুনি দেওয়া হয়। লোহার গোলক বালুর বাধা ভেদ করে ওপরে উঠে আসে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাধু-সন্ন্যাসীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (কাচের গ্লাস, নল, লোহার গোলক ও বালু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖