📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হিজড়া শিশুদের শৈশব কাটে উপহাস ও বৈষম্যের মধ্যে: 'আমাকে বোঝা মনে করে ছুড়ে ফেলে দেন'

হিজড়া শিশুদের শৈশব কাটে উপহাস ও বৈষম্যের মধ্যে: 'আমাকে বোঝা মনে করে ছুড়ে ফেলে দেন'

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হিজড়া পরিচয়ের কারণে শৈশব থেকেই বৈষম্য ও উপহাসের শিকার হচ্ছেন রাজশাহী সদরের ১৬ বছর বয়সী নুজাইফা ও অন্যান্য হিজড়া শিশুরা। তাদের মানসিক চাপ ও সমাজের গ্রহণযোগ্যতার অভাব নিয়ে সংগঠন ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন

রাজশাহী সদরের ১৬ বছর বয়সী নুজাইফা শৈশব থেকেই হিজড়া পরিচয়ের কারণে বৈষম্য ও উপহাসের শিকার। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমবয়সীদের কাছ থেকে লাঞ্ছনার মুখে পড়ার অভিজ্ঞতা তার জীবনের গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নুজাইফা বলেছেন, মাদ্রাসায় সহপাঠীরা তাকে বলত, "'হুজুর মানুষ মেয়েদের মত কেন?'" এবং 'হিজড়া' বলে ক্ষ্যাপায় করত সমবয়সী ছাত্ররা।
  • 📌 আবু হাসনা পলি স্বীকার করেছেন, "বৈষম্য ও মানসিক চাপের কারণে মনে হয় আমি সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে বোঝা। আমাকে দিয়ে কিছুই হবে না।"
  • 📌 'দিনের আলো হিজড়া সংঘ' সভাপতি মিস মোহনা দাবি করেছেন, "হিজড়া শিশুদের শিক্ষা ও সমাজে মিশে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।"
  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান বলেছেন, "বিরূপ সমাজবোধ হিজড়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।"
  • 📌 প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে ২০ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে।

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী সদরের ১৬ বছর বয়সী নুজাইফা হিজড়া পরিচয়ের কারণে শৈশব থেকেই বৈষম্য ও উপহাসের শিকার। মাদ্রাসায় পড়ার সময় সহপাঠীরা তাকে মেয়েদের মত কেন হিজড়া হওয়ার প্রশ্ন করত এবং 'হিজড়া' বলে ক্ষ্যাপায় করত। নুজাইফা বলেছেন, "আমার সমবয়সী ছাত্র ভাইয়েরাও আমাকে হিজড়া বলে ক্ষ্যাপায় করত।"

আবু হাসনা পলি বলেছেন, "বৈষম্য ও মানসিক চাপের কারণে আমি মনে করি, আমি সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে বোঝা। আমার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। আমাকে দিয়ে কিছুই হবে না।" তিনি স্বীকার করেছেন, এই অভাবগ্রস্ত মনোভাব তাকে জীবনের প্রতিটি পথে বাধা দেয়।

'দিনের আলো হিজড়া সংঘ' সভাপতি মিস মোহনা বলেছেন, "হিজড়া শিশুদের স্বাভাবিকভাবে শিক্ষা ও সমাজে মিশে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেছেন, "বাস্তবতা যদি না মেনে নেওয়া হয়, তাহলে আমরা সমাজের মূল স্রোতে আসতে পারব না।"

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান বলেছেন, "সমাজের বিরূপ মনোভাবের কারণে হিজড়া জনগোষ্ঠীর মানুষ নিজেদের বৃহত্তর সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করতে পারে। এই বিচ্ছিন্নতাবোধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।"

"মাদ্রাসাতে অনেকে বলে, 'এই তুমি মেয়েদের মত কেন, হুজুর মানুষ মেয়েদের মত কেন?’ আমার সমবয়সী ছাত্র ভাইয়েরাও হিজড়া বলে ক্ষ্যাপায়।"
"বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপ, বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য নিজের মধ্যে নিতে না পেরে সবসময় মনে করেছি, সমাজে, পরিবারে, রাষ্ট্রের কাছে তো আমি একদমই বোঝা। আমার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নাই। আমাকে দিয়ে কিছুই হবে না।"
"বাস্তবতা যদি না মেনে নিই, তাহলে তো হবে না। আপনার সন্তানও আজকে আমাদের মত হতে পারে। তাই বলে আপনি এভাবে ছুড়ে ফেলে দেবেন? এই যে দৃষ্টিভঙ্গি, সমাজে যদি পরিবর্তন না হয়, আমরা সমাজের মূল স্রোতে আসতে পারব না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী সদর, রাজশাহী; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুজাইফা, আবু হাসনা পলি, মিস মোহনা, মো. মশিউর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর (নুজাইফার বয়স), ২০ অক্টোবর ২০২৬ (প্রকাশিত তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖