📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৮০ বছর বয়সে সবচেয়ে সুখী ছিলেন যারা ২০ বছর বয়সেই অন্যের জন্য কাজ করতেন: হার্ভার্ডের গবেষণা

৮০ বছর বয়সে সবচেয়ে সুখী ছিলেন যারা ২০ বছর বয়সেই অন্যের জন্য কাজ করতেন: হার্ভার্ডের গবেষণা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হার্ভার্ডের দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা দেখায়, যারা তরুণ বয়সেই অন্যের জন্য কাজ করতেন, তারা ৮০ বছর বয়সে সবচেয়ে সুখী ছিলেন। একাকিত্বের সমস্যা বাড়ছে, কিন্তু অর্থপূর্ণ সম্পর্ক ও জীবনের উদ্দেশ্য একাকিত্বের ওষুধ হতে পারে।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রমাণ করেছে যে, যারা ২০ বছর বয়স থেকেই অন্যের জন্য কাজ করতেন, তারা ৮০ বছর বয়সে সবচেয়ে সুখী ছিলেন। গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের উদ্দেশ্য বা ‘পারপাস’ খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে মানুষ একাকিত্বের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারে এবং সুস্থ জীবনযাপন করতে সক্ষম হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হার্ভার্ডের ‘স্টাডি অব অ্যাডাল্ট ডেভেলপমেন্ট’ গবেষণায় দেখা গেছে, ৫০ বছর বয়সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট মানুষ ৮০ বছর বয়সে শারীরিকভাবে সুস্থ ছিলেন
  • 📌 মনোরোগবিশেষজ্ঞ ড. রবার্ট ওয়ালডিঙ্গার বলেছেন, ‘পারপাস’ বা জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর হয়
  • 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে সত্যিকারের বন্ধু খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে, ফলে একাকিত্বের সমস্যা বাড়ছে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সার্জন জেনারেল বিবেক মূর্তি একাকিত্ব ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতাকে জনস্বাস্থ্যের বড় উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন
  • 📌 জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজতে হলে প্রতিদিন অন্তত একজন মানুষের খোঁজ নিতে হবে, তাদের প্রশংসা করতে বা তাদের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে হবে

📰 বিস্তারিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপ, ডেটিং অ্যাপ এবং ভিডিও কলের যুগে মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম অনেক পরিবর্তিত হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্য বিষয়, এই প্রজন্মের মধ্যে একাকিত্বের অনুভূতি বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, ছুটির দিনে কারও সঙ্গে বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও একাকিত্বের অনুভূতি থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। হার্ভার্ডের দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ‘স্টাডি অব অ্যাডাল্ট ডেভেলপমেন্ট’ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, যারা তরুণ বয়স থেকেই অন্যের জন্য কাজ করতেন, তাদের পরবর্তী জীবনে সুখের সম্ভাবনা বেশি ছিল।

মনোরোগবিশেষজ্ঞ ড. রবার্ট ওয়ালডিঙ্গার বলেছেন, জীবনের উদ্দেশ্য বা ‘পারপাস’ খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর হয়। তিনি বলেন, শুধু নিজের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকা নয়, বরং অন্য মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রয়োজন ও কল্যাণের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখা একাকিত্বের ওষুধ হতে পারে। সন্তানকে বড় করা, কাউকে শেখানো, স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করা বা নিজের সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো — সবই জীবনের উদ্দেশ্য বা ‘পারপাস’ এর অংশ হতে পারে।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ৫০ বছর বয়সে যারা নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন, তারা ৮০ বছর বয়সে শারীরিকভাবে তুলনামূলকভাবে সুস্থ ছিলেন। মনোবিশ্লেষক এরিক এরিকসনের ভাষায়, এটি ‘জেনারেটিভিটি’ বা নিজের জীবনকে এমন কিছুর সঙ্গে যুক্ত করা, যার অর্থ নিজের অস্তিত্বের বাইরে ছড়িয়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে সত্যিকারের বন্ধু খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। অসংখ্য বিকল্পের ভিড়ে সত্যিকারের বন্ধু খুঁজে পাওয়া কিংবা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। রোমান্টিক সম্পর্কও অনেকটাই ‘সোয়াইপ’নির্ভর হয়ে পড়েছে, ফলে মানুষকে সময় নিয়ে জানার আগ্রহ কমে যাচ্ছে। একাকিত্বের সমস্যা এতটাই গুরুতর যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সার্জন জেনারেল বিবেক মূর্তি একাকিত্ব ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতাকে জনস্বাস্থ্যের বড় উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

"নিজের চেয়ে বড় কোনো কিছুর সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখা একাকিত্বের ওষুধ হতে পারে। অর্থাৎ শুধু নিজের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ব্যস্ত না থেকে অন্য মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রয়োজন ও কল্যাণের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. রবার্ট ওয়ালডিঙ্গার, মনোরোগবিশেষজ্ঞ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর, ৫০ বছর, ৮০ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖