📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গিরিশচন্দ্র সেনের অসাধারণ সাধনা: বাংলায় প্রথম কোরআন অনুবাদের গল্প

গিরিশচন্দ্র সেনের অসাধারণ সাধনা: বাংলায় প্রথম কোরআন অনুবাদের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলায় প্রথম কোরআন শরিফের অনুবাদক গিরিশচন্দ্র সেনের জীবন ও কোরআন অনুবাদে নিবেদিত ৬ বছর দীর্ঘ শ্রমের গল্প। ১৮৮৬ সালে প্রকাশিত এই অনুবাদটি বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা

বাংলা ভাষায় প্রথম কোরআন শরিফের অনুবাদক হিসেবে গিরিশচন্দ্র সেনের অবদান এখনও বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে স্বীকৃত। ১৮৮৬ সালে তিনি তার অসাধারণ সাধনা ও অনুপম শ্রমের ফলস্বরূপ কোরআন শরিফের বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করেন, যা বাংলা মুসলমান সম্প্রদায়ের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে দাঁড়ায়। এই অনুবাদটি ২০১২ সালের ১৬ মার্চ প্রথম আলোতে প্রকাশিত আখতার হুসেনের নিবন্ধের মাধ্যমে আজও পাঠকদের কাছে উপলব্ধ রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮৮৬ সালে গিরিশচন্দ্র সেন বাংলায় প্রথম কোরআন শরিফের অনুবাদ প্রকাশ করেন, যা বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা
  • 📌 গিরিশচন্দ্র সেনের অনুবাদকৃত কোরআন শরিফের অনুবাদ কাজে ৬ বছর (১৮৮১-১৮৮৬) সময় লেগেছিল
  • 📌 ১৮৭৬ সালে লক্ষ্ণৌতে আরবি ভাষা ও ইসলাম ধর্মের গূঢ়তত্ত্ব অধ্যয়নের জন্য গিরিশচন্দ্র সেন যান, যেখানে তিনি মৌলবি এহসান আলীর কাছে আরবি ব্যাকরণ ও পারস্যের পাঠ নেন
  • 📌 গিরিশচন্দ্র সেনের জন্ম নারায়ণগঞ্জ জেলার মহেশ্বরদি পরগনার পাঁচদোনা গ্রামে, নবাব আলিবর্দী খাঁর দেওয়ান দর্পনারায়ণ রায়ের বংশে
  • 📌 গিরিশচন্দ্র সেনের অনুবাদকৃত কোরআন শরিফের অনুবাদ কাজের জন্য তিনি ৪২ বছর বয়সে আরবি ভাষা অধ্যয়ন শুরু করেন

📰 বিস্তারিত

বাংলায় প্রথম কোরআন শরিফের অনুবাদক হিসেবে গিরিশচন্দ্র সেনের নাম অনস্বীকার্য। তার অনুবাদকৃত কোরআন শরিফের অনুবাদ কাজে তিনি ৬ বছর (১৮৮১-১৮৮৬) সময় নিবেদন করেন। এই অনুবাদটি বাংলা ভাষাভাষী সমাজে একটা চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে এবং ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে স্বীকৃত হয়। গিরিশচন্দ্র সেনের অনুবাদকৃত কোরআন শরিফের অনুবাদ কাজের জন্য তিনি ১৮৭৬ সালে লক্ষ্ণৌতে আরবি ভাষা ও ইসলাম ধর্মের গূঢ়তত্ত্ব অধ্যয়নের জন্য যান। সেখানে তিনি মৌলবি এহসান আলীর কাছে আরবি ব্যাকরণ ও পারস্যের পাঠ নেন।

গিরিশচন্দ্র সেনের জন্ম নারায়ণগঞ্জ জেলার মহেশ্বরদি পরগনার পাঁচদোনা গ্রামে। তিনি নবাব আলিবর্দী খাঁর দেওয়ান দর্পনারায়ণ রায়ের বংশে জন্মগ্রহণ করেন। ফারসি ভাষা চর্চায় তাঁর বংশের সুনাম ছিল। পাঁচ বছর বয়সেই তিনি ফারসি ভাষা শিক্ষা শুরু করেন। ১৩-১৪ বছর বয়সে তিনি ফারসি ভাষা শিক্ষার জন্য মুন্সি কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের কাছে পাঠদান গ্রহণ করেন। ১৮৭১ সালে তিনি কেশবচন্দ্র সেন ও বিজয়কৃষ্ণের প্রভাবে ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষা নেন এবং ইসলাম ধর্মের গূঢ়তত্ত্ব অধ্যয়নের জন্য লক্ষ্ণৌতে যান।

গিরিশচন্দ্র সেনের অনুবাদকৃত কোরআন শরিফের অনুবাদ কাজের জন্য তিনি ৪২ বছর বয়সে আরবি ভাষা অধ্যয়ন শুরু করেন। তিনি লক্ষ্ণৌতে মৌলবি এহসান আলীর কাছে আরবি ব্যাকরণ ও পারস্যের পাঠ নেন। পরে তিনি ঢাকায় এসে মৌলবি আলিমুদ্দিন সাহেবের কাছে আরবের ইতিহাস ও সাহিত্যের পাঠ নেন। তিনি তার আত্মজীবনীতে লিখেছেন, ‘আমি তফসির ও অনুবাদের সাহায্যে আয়াতের প্রকৃত অর্থ বুঝতে শুরু করলাম, তখন অনুবাদ করার প্রবৃত্তি জাগে।’

"মোসলমান জাতির মূল ধর্মশাস্ত্র কোরআন শরীফ পাঠ করে এসলাম ধর্মের গূঢ়তত্ত্ব অবগত হইবার জন্য আমি ১৮৭৬ খৃঃ লক্ষ্ণৌ নগরে আরব্যভাষা চর্চা করিতে গিয়াছিলাম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ জেলার মহেশ্বরদি পরগনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ, লক্ষ্ণৌ, কলকাতা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গিরিশচন্দ্র সেন, মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ, মওলানা এহসান আলী, মওলবি আলিমুদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮৮৬ (বাংলায় প্রথম কোরআন অনুবাদ প্রকাশ), ১৮৮১-১৮৮৬ (অনুবাদ কাজের সময়কাল), ১৮৭৬ (লক্ষ্ণৌতে আরবি অধ্যয়ন), ৪২ (বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖