📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজীপুরের বানার নদীর তীরে বর্জ্য স্তূপের দুরবস্থা: ৫০০ মিটার দূরে অকার্যকর প্লান্টের পাশাপাশি দূষণ

গাজীপুরের বানার নদীর তীরে বর্জ্য স্তূপের দুরবস্থা: ৫০০ মিটার দূরে অকার্যকর প্লান্টের পাশাপাশি দূষণ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় বানার নদের তীরে বর্জ্যের স্তূপের সমস্যা জটিলতর হচ্ছে। পাঁচ বছর ধরে বর্জ্য ফেলার কারণে নদী ও পাড়ের পরিবেশ দূষিত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫০০ মিটার দূরে নির্মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র অকার্যকর হয়ে পড়েছে

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বানার নদীর তীরে বর্জ্যের স্তূপের সমস্যা ক্রমাগত বাড়ছে। পাঁচ বছর ধরে বাজার ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার বর্জ্য নিয়মিত নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে, যা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। বিশ্ব নদী দিবসের সময়ও এই দুরবস্থা অব্যাহত রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় বানার নদীর তীরে বর্জ্যের স্তূপের কারণে দুর্গন্ধ ও দূষণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • 📌 নদীর পানি ও পাড়ে পচা সবজি, পলিথিন ও অন্যান্য বর্জ্য ছড়িয়ে পড়েছে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।
  • 📌 স্থানীয় মাঝি আসাদুল্লাহ ও সুধাস চন্দ্র মনিদাস বলেছেন, ‘আমাদের কথা কেউ শুনে না, মানুষের কষ্টের জন্য কারও কিছু যায়-আসে না’।
  • 📌 ২০২৩ সালে নির্মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ২০২৪ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে, যা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
  • 📌 ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম ও নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই।
  • 📌 নদী ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম দাবি করেছেন, দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
  • 📌 কাপাসিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার বলেছেন, নতুন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বানার নদীর খেয়াঘাটে বর্জ্যের স্তূপের সমস্যা ক্রমাগত জটিলতর হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন জানান, পাঁচ বছর ধরে কাপাসিয়া বাজার ও আশপাশের এলাকার বর্জ্য নিয়মিত নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এতে নদীর পানি ও পাড়ে পচা সবজি, পলিথিন ও অন্যান্য অপচনশীল বর্জ্য ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্গন্ধের কারণে ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

খেয়াঘাট দিয়ে নদের উত্তর পাড়ের তরগাঁও এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ দুই পাড়ের সাধারণ মানুষ নিয়মিত পারাপার করেন। বর্জ্যের কারণে তাদেরও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মাঝি আসাদুল্লাহ বলেছেন, ‘কিছু করার নাই। বহুদিন ধরে আমরা ভোগতাছি। এখন আর বলার কিছু নাই।’ অন্য মাঝি সুধাস চন্দ্র মনিদাসও একই কথা বলেছেন, ‘আমাদের কথা কেউ শুনে না, মানুষের কষ্টের জন্য কারও কিছু যায়-আসে না।’

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের অবস্থাও খারাপ। খেয়াঘাট থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে নির্মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জৈব সার উৎপাদন কেন্দ্র ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে উদ্বোধন হলেও ২০২৪ সাল থেকে এটি বন্ধ রয়েছে। কেন্দ্রটির নির্মাণ খরচ সম্পর্কেও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘ক্ষমতায় অনেকে এসেছে-গেছে, কিন্তু তারা বর্জ্য নিয়ে ভাবেনি। এখন নতুন সরকার যদি কাজ না করে, আমাদের আর বলার কিছু থাকবে না।’

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের অকার্যকরতার কারণে নদীর পাড়ে বর্জ্য পড়ার সমস্যা অব্যাহত রয়েছে। নদী ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম বলেছেন, ‘এতে নদী ভরাটের পাশাপাশি পরিবেশদূষণও হচ্ছে। দ্রুত নদ থেকে বর্জ্য অপসারণ করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

"আমরা কারে কইয়াম? আমরার কথা কেউ হুনবো? মানুষের যে কষ্ট আইতাছে, এই জন্য কারও কিছু যায়-আসে না।"

কাপাসিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, ‘ওই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র অকার্যকর। এলাকার লোকজন সমস্যা করে। আমরা নতুন জায়গা দেখে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট করব।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা, বানার নদীর খেয়াঘাট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসাদুল্লাহ, সুধাস চন্দ্র মনিদাস, শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, খোরশেদ আলম, কাপাসিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ মিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖