📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের মশারি ছাড়াই চিকিৎসা: শয্যাসংকটের কারণে ঝুঁকি বাড়ছে

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের মশারি ছাড়াই চিকিৎসা: শয্যাসংকটের কারণে ঝুঁকি বাড়ছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের মশারি দেওয়া হচ্ছে না। শয্যাসংকটের কারণে ৪৫০ জন রোগী ভর্তি থাকলেও শুধু ৫০ শয্যা রয়েছে। ডেঙ্গু রোগীরা সাধারণ রোগীদের সঙ্গে একসাথে চিকিৎসা নিচ্ছে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের মশারি দেওয়া হচ্ছে না। শয্যাসংকটের কারণে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ৪৫০ জন রোগী ভর্তি থাকলেও শুধুমাত্র পুরাতন ৫০ শয্যার ভবনে চিকিৎসা চলছে। এতে ডেঙ্গু রোগীরা সাধারণ রোগীদের সঙ্গে একসাথে চিকিৎসা নিচ্ছে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ৪৫০ জন রোগী ভর্তি থাকলেও শুধু ৫০ শয্যা রয়েছে, যার মধ্যে ২৫ জন ডেঙ্গু রোগী
  • 📌 ডেঙ্গু রোগীদের মশারি দেওয়া হচ্ছে না, কারণ শয্যা ছাড়া রোগীদের মশারি টানানোর সুযোগ নেই
  • 📌 হাসপাতালে সিনিয়র ও জুনিয়র কনসালট্যান্ট, সার্জারি, ইএনটি, অ্যানেসথেটিস্ট, চক্ষু, মেডিসিন, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগে কোনো চিকিৎসক নেই
  • 📌 সহকারী সার্জনের ২৮ জনের জায়গায় মাত্র পাঁচজন এবং জরুরি বিভাগে মেডিকেল অফিসারের আট জনের জায়গায় মাত্র একজন কর্মী রয়েছেন
  • 📌 রোগীরা বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন, যা সংক্রমণ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে

📰 বিস্তারিত

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চাপ বাড়লেও আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা নেই। ফলে হাসপাতালে ডেঙ্গু ও সাধারণ রোগীরা একসাথে চিকিৎসা নিচ্ছে। হাসপাতালের পুরাতন ভবনটি ৫০ শয্যার, নতুন ভবন চালু না হওয়ায় ওই ভবনেই চলছে হাসপাতালের কার্যক্রম। গতকাল পর্যন্ত হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীসহ ৪৫০ জন রোগী ভর্তি রয়েছে, যার মধ্যে ডেঙ্গু রোগী ২৫ জন। শয্যাসংকটের কারণে রোগীরা বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাসপাতালে সিনিয়র ও জুনিয়র কনসালট্যান্ট, সার্জারি, ইএনটি (নাক, কান, গলা), অর্থো-সার্জারি, অ্যানেসথেটিস্ট, চক্ষু, মেডিসিন, চর্ম ও যৌন রোগের কোনো চিকিৎসক নেই। সহকারী সার্জনের ২৮ জনের জায়গায় মাত্র পাঁচজন এবং জরুরি বিভাগে মেডিকেল অফিসারের আট জনের জায়গায় মাত্র একজন কর্মী রয়েছেন। এছাড়াও অন্যান্য পদেও জনবলসংকট রয়েছে।

হাসপাতালের নার্সিং ইনচার্জ বীণাপাণি গোলজার বলেছেন, ‘৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে ভর্তি পাঁচ শতাধিক রোগী থাকলে শৃঙ্খলা রাখা সম্ভব নয়।’ তিনি স্বীকার করেছেন যে, শয্যা ছাড়া রোগীদের মশারি দেওয়া যাচ্ছে না, যা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে।

সদর উপজেলার ধানগড়া এলাকার বাসিন্দা আগমল হোসেন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও শয্যা না পেয়ে বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, ‘খুব কষ্টে আছি। শয্যা না থাকায় বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।’

"আমি কোনো সাক্ষাৎকার দিতে পারব না। ওপর থেকে নিষেধ আছে। আপনি এখন আসতে পারেন।"

জেলা সিভিল সার্জন মো. রফিকুজ্জামান জানান, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালসহ উপজেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছে। তিনি ডেঙ্গু রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল, ধানগড়া, সদর উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বীণাপাণি গোলজার (নার্সিং ইনচার্জ), আগমল হোসেন (ডেঙ্গু রোগী), মো. রফিকুজ্জামান (জেলা সিভিল সার্জন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ৪৫০ জন রোগী, ৫০ শয্যা, ২৫ জন ডেঙ্গু রোগী, ২৮ জনের জায়গায় ৫ জন সহকারী সার্জন, ৮ জনের জায়গায় ১ জন মেডিকেল অফিসার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖