📌 ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি কাগান (৯৫) ও জাপানি বিজ্ঞানী কেনসো সোয়াই (৭৬) রাসায়নিক নোবেল পেয়েছেন ‘দুইটি হাতের মতো’ অণু-গবেষণায়। তাদের আবিষ্কার ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের জন্য বিপ্লবী হয়ে উঠেছে
রাসায়নিক নোবেল পুরস্কার ২০২৬ জিতেছেন ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি কাগান (৯৫) ও জাপানি বিজ্ঞানী কেনসো সোয়াই (৭৬)। তাদের আবিষ্কার ‘দুইটি হাতের মতো’ অণু-গবেষণায় (মিরর ইমেজ মলিকিউল) বিপ্লব সৃষ্টি করেছে, যা ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের জন্য অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার রাসায়নিক নোবেলের বিজয়ী ঘোষণা দিয়েছে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অফ সায়েন্সেস। বিজয়ীদের সম্মানিত করা হয়েছে “অ্যাসিমেট্রিক অর্গানিক সিন্থেসিসে ননলিনিয়ার প্রভাব ও অটোক্যাটালিসিসের আবিষ্কারের” জন্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাসায়নিক নোবেল ২০২৬ জিতেছেন ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি কাগান (৯৫) ও জাপানি বিজ্ঞানী কেনসো সোয়াই (৭৬)।
- 📌 তাদের আবিষ্কার ‘মিরর ইমেজ মলিকিউল’ (দুইটি হাতের মতো অণু) সম্পর্কে ১০০ বছরের পুরনো রাসায়নিক রহস্য সমাধান করেছে।
- 📌 এই আবিষ্কার ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যবহৃত ঔষধের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- 📌 বিজয়ী কেনসো সোয়াই বলেছেন, “এই দিন আমার জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দিন। আমি প্রফেসর হেনরি কাগানের সাথে এই পুরস্কার ভাগ করে নিতে খুশি।”
- 📌 ২০২৫ সালের রাসায়নিক নোবেল পেয়েছিলেন সাসুমু কিটাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমার ইয়াগহি।
📰 বিস্তারিত
রাসায়নিক নোবেল পুরস্কার ২০২৬-এর বিজয়ীদের কাজের মূল বিষয় ছিল অ্যাসিমেট্রিক অর্গানিক সিন্থেসিসে ননলিনিয়ার প্রভাব ও অটোক্যাটালিসিস। বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন কীভাবে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে একক মিরর ইমেজ অণুর দিকে পরিচালিত করা যায়। এই আবিষ্কার ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অনেক জীবনরক্ষাকারী ওষুধের অণু দুটি হাতের মতো মিরর ইমেজে বিদ্যমান থাকে। জীবিত জীবন প্রায়শই শুধুমাত্র একটি মিরর ইমেজ অণু ব্যবহার করে, যা ‘হোমোকিরালিটি’ নামে পরিচিত। এই বিষয়টি রাসায়নিক বিজ্ঞানীদের জন্য ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে একটি রহস্য ছিল।
রাসায়নিক নোবেল কমিটির সদস্য পিটার সোমফাই বলেছেন, “একটি ঔষধের বামহাতি ও ডামহাতি সংস্করণের প্রভাব আলাদা হতে পারে। আমাদের এই সংস্করণগুলিকে নির্বাচনমূলকভাবে প্রস্তুত করার জন্য পদ্ধতি আবিষ্কারের প্রয়োজন ছিল। এই বছর বিজয়ীদের আবিষ্কার সেই পদ্ধতিতে শক্তিশালী সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে।” কমিটির চেয়ারম্যান হাইনার লিনকে বলেছেন, বিজয়ীদের আবিষ্কার “একটি শতাব্দী পুরনো রাসায়নিক রহস্য সমাধান করেছে: কীভাবে হোমোকিরালিটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে উদ্ভূত হয়”। তিনি তাদের বিকাশিত রাসায়নিক বিক্রিয়াকে “স্পেকটাকুলার” বলেছেন।
কেনসো সোয়াই বলেন, তিনি খুশির খবর পেয়েছিলেন যখন তিনি দোকানে কেনাকাটা করছিলেন। তিনি বলেন, “এই দিন আমার জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দিন। আমি খুশি যে আমি প্রফেসর হেনরি কাগানের সাথে এই পুরস্কার ভাগ করতে পারি।”
"এই দিন আমার জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দিন। আমি খুশি যে আমি প্রফেসর হেনরি কাগানের সাথে এই পুরস্কার ভাগ করতে পারি।"
২০২৫ সালের রাসায়নিক নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন সাসুমু কিটাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমার ইয়াগহি। তাদের আবিষ্কার ছিল মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক (MOF) যা পরিবেশগত সমস্যা যেমন জলবায়ু পরিবর্তন ও পানির সংকট সমাধানে সাহায্য করতে পারে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুইডেন (রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অফ সায়েন্সেস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হেনরি কাগান (ফরাসি বিজ্ঞানী), কেনসো সোয়াই (জাপানি বিজ্ঞানী), পিটার সোমফাই (নোবেল কমিটির সদস্য), হাইনার লিনকে (কমিটির চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬ (রাসায়নিক নোবেলের বছর), ৯৫ (হেনরি কাগানের বয়স), ৭৬ (কেনসো সোয়াইয়ের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!