📌 ফ্রান্সিস হেলজেন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন দক্ষিণ মেরুর বরফে নির্মিত আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরির মাধ্যমে মহাজাগতিক নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য। সুইডেনের স্টকহোমে ঘোষিত এই পুরস্কার পদার্থবিজ্ঞানে ১১৯তম এবং ২০২৬ সালের একমাত্র নোবেল পুরস্কার
ফ্রান্সিস হেলজেন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন দক্ষিণ মেরুর বরফে নির্মিত আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরির মাধ্যমে মহাজাগতিক নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য। সুইডেনের স্টকহোমে অবস্থিত রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে (০৬ অক্টোবর, ২০২৬) এই বিজয়ীকে ঘোষণা করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রান্সিস হেলজেন পদার্থবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ মেরুর বরফে নির্মিত আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি নির্মাণে এবং মহাজাগতিক নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য।
- 📌 ১ কিউবিক কিলোমিটার আয়তনের বরফের এই অবজারভেটরিতে আলোক সংবেদী সেন্সর ব্যবহার করে মহাবিশ্বের দূরদূরান্তের নিউট্রিনো কণা শনাক্ত করা হয়।
- 📌 এই পুরস্কার পদার্থবিজ্ঞানে ১১৯তম এবং ২০২৬ সালের একমাত্র নোবেল পুরস্কার।
- 📌 লরেন্স ব্র্যাগ সর্বকনিষ্ঠ (২৫ বছর) এবং আর্থুর আসকিন সর্ববয়স্ক (৯৬ বছর) নোবেল বিজয়ী হিসেবে ইতিহাসে নাম লিখেছেন।
📰 বিস্তারিত
ফ্রান্সিস হেলজেনের নাম ঘোষণা করা হয় বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে। তিনি দক্ষিণ মেরুর বরফের মধ্যে নির্মিত আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরির মাধ্যমে মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন। এই অবজারভেটরিটি ১ কিউবিক কিলোমিটার আয়তনের বরফে নির্মিত এবং আলোক সংবেদী সেন্সর দিয়ে সজ্জিত। এই অবজারভেটরির মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের দূরদূরান্তের শক্তিশালী প্রক্রিয়া থেকে ছুটে আসা নিউট্রিনো কণা শনাক্ত করতে সক্ষম হন।
২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার এই বছর একমাত্র পুরস্কার। ১৯০১ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে এবং এ পর্যন্ত মোট ১১৯ বার এই পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ বিজয়ী হিসেবে ২৫ বছর বয়সে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন লরেন্স ব্র্যাগ। অন্যদিকে সর্ববয়স্ক বিজয়ী হিসেবে ৯৬ বছর বয়সে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন আর্থুর আসকিন, যিনি ২০১৮ সালে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।
গত বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ ডেভোরেট এবং জন এম মার্টিনিস। তারা বৈদ্যুতিক বর্তনীর মধ্যে স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।
"আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরির মাধ্যমে দক্ষিণ মেরুর বরফের মধ্যে নিউট্রিনো কণার সন্ধান পাওয়া সম্ভব — এই ধারণাই ফ্রান্সিস হেলজেনের অবদানের মূল ভিত্তি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুইডেনের স্টকহোম, দক্ষিণ মেরু
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফ্রান্সিস হেলজেন, জন এম মার্টিনিস, জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ ডেভোরেট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৯ (পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান), ১ (কিউবিক কিলোমিটার), ২৫ (বছর, সর্বকনিষ্ঠ বিজয়ী), ৯৬ (বছর, সর্ববয়স্ক বিজয়ী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!