📌 'নো মোর সাইলেন্স' নামের একটি ফেসবুক গ্রুপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের অশালীন মন্তব্য করার ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করছে। গ্রুপটি নারীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার উদ্দেশ্যে কাজ করছে এবং ইতিমধ্যে শতাধিক ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেছে
ফেসবুকে নারীদের বিরুদ্ধে অশালীন ও বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য করার ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশের উদ্যোগ নিচ্ছে ‘নো মোর সাইলেন্স’ নামের একটি সামাজিক সচেতনতা গ্রুপ। এই গ্রুপের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করা ব্যক্তিদের ছবি, পরিচয় এবং ফেসবুক আইডি প্রকাশ করে তাদের দায়িত্বশীলতার প্রতি সতর্ক করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘নো মোর সাইলেন্স’ গ্রুপের সদস্য সংখ্যা বর্তমানে ৩০ হাজারের বেশি
- 📌 গ্রুপটি ইতিমধ্যে শতাধিক ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেছে যারা নারীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেছে
- 📌 কুমিল্লার ১৫ বছর বয়সী কিশোরীর হত্যার ঘটনায়ও নারীদের দোষারোপের বিরুদ্ধে গ্রুপটি সতর্কতা জানাচ্ছে
- 📌 গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবির আহম্মেদ পিয়াস বলেছেন, ‘অনলাইনে করা মন্তব্যও সামাজিক আচরণের অংশ’
- 📌 গ্রুপের উদ্যোগের পেছনে রয়েছে হবিগঞ্জের একটি কনসার্টে নারীদের যৌন হয়রানির ঘটনা
📰 বিস্তারিত
‘নো মোর সাইলেন্স’ গ্রুপের উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করার ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে। গ্রুপটি নারীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার উদ্দেশ্যে কাজ করছে। গ্রুপের সদস্যরা বিভিন্ন সংবাদ ও আলোচিত ঘটনার নিচে নারীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করা ব্যক্তিদের ছবি, পরিচয় এবং ফেসবুক আইডির লিংক প্রকাশ করছে।
গ্রুপের সদস্যরা উল্লেখ করেছেন, কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানখেতে প্রাণ হারানো ১৫ বছর বয়সী কিশোরীর হত্যার ঘটনায়ও নারীদের দোষারোপের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানাচ্ছে। এই ঘটনায় নারীদের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করা ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশের মাধ্যমে গ্রুপটি তাদের দায়িত্বশীলতার প্রতি সতর্ক করছে।
‘নো মোর সাইলেন্স’ গ্রুপের সদস্য সংখ্যা বর্তমানে ৩০ হাজারের বেশি। গ্রুপটি গত বছরের ২ নভেম্বর যাত্রা শুরু করে এবং ইতিমধ্যে শতাধিক ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেছে। গ্রুপের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব পোস্টের অনেকগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দূতাবাসেও মন্তব্যের স্ক্রিনশট পাঠানো হয়েছে।
গ্রুপটির প্রতিষ্ঠাতা আবির আহম্মেদ পিয়াস বলেছেন, ‘নো মোর সাইলেন্স’ একটি সামাজিক সচেতনতামূলক ফেসবুক গ্রুপ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবমাননাকর, অপমানজনক ও বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্যের মাধ্যমে মানুষের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার বিষয়গুলো জনসমক্ষে তুলে ধরাই এর উদ্দেশ্য। তিনি আরও বলেন, ‘কমেন্টে যা ইচ্ছা বলব, কী আর হবে—এই চিন্তা থেকে যেন লোকজন বের হন। কারণ, অনলাইনে করা মন্তব্যও সামাজিক আচরণের অংশ। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি অন্যের মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতিও দায়িত্বশীল থাকা জরুরি। গ্রুপের উদ্দেশ্য একটাই, নীরব না থাকা।’
"কমেন্টে যা ইচ্ছা বলব, কী আর হবে—এই চিন্তা থেকে যেন লোকজন বের হন। কারণ, অনলাইনে করা মন্তব্যও সামাজিক আচরণের অংশ। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি অন্যের মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতিও দায়িত্বশীল থাকা জরুরি।"
গ্রুপের দুই মডারেটর উম্মে সুরাইয়া সুমি এবং জাকিয়া হোসেনের সাথে কাজ করছেন। উম্মে সুরাইয়া সুমি একজন নতুন উদ্যোক্তা এবং পোশাকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। অন্যদিকে, জাকিয়া হোসেন উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফেসবুক, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবির আহম্মেদ পিয়াস, উম্মে সুরাইয়া সুমি, জাকিয়া হোসেন
- 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সদস্য সংখ্যা ৩০ হাজার+; শতাধিক পরিচয় প্রকাশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!