📌 ঝালকাঠির রাজাপুরের ড. মুহাম্মদ মেহেদী মাসুদ টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ গবেষণায় বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও এলসেভিয়ারের তালিকায় এবং সাইর্যাঙ্কের শীর্ষ ৫ শতাংশ গবেষকদের মধ্যে রয়েছেন।
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় গ্রামের সন্তান ড. মুহাম্মদ মেহেদী মাসুদ বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও সার্কুলার ইকোনমি নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও এলসেভিয়ারের তালিকায় তাঁর নাম স্থান পেয়েছে। এছাড়াও পরিবেশ শিক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে তিনি ১৫৭তম স্থান অধিকার করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ড. মেহেদী মাসুদ বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন এবং সাইর্যাঙ্কের শীর্ষ ৫ শতাংশ গবেষকদের তালিকায়ও রয়েছেন
- 📌 ১২০টি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে তাঁর নামে, যার গুগল স্কলারে উদ্ধৃতি ৭ হাজার ৩৯৫টি এবং এইচ-ইনডেক্স ৪৪
- 📌 ৩ হাজার ৬০০টি উদ্ধৃতি পেয়েছে তাঁর গবেষণাপত্র স্কোপাসে
- 📌 বর্তমানে ব্রুনাইয়ের সুলতান শরীফ আলী ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত
- 📌 মালয়েশিয়ার ‘আইরিসাইকেল-মালয়েশিয়া’ প্রকল্পে ই-বর্জ্য থেকে ধাতু পুনরুদ্ধারের গবেষণা করছেন
- 📌 রাজাপুরে ‘ড. মেহেদী মাসুদ ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং স্থানীয় উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন
📰 বিস্তারিত
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় গ্রামের সন্তান ড. মুহাম্মদ মেহেদী মাসুদ (৪৪) টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও এলসেভিয়ারের ‘বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানী’ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এছাড়াও পরিবেশ শিক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে স্কলারলি ইনডেক্সের বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে তিনি ১৫৭তম স্থান অধিকার করেছেন। ব্রুনাইয়ের গবেষকদের মধ্যে তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেছেন এই র্যাঙ্কিংয়ে।
ড. মেহেদী মাসুদ বর্তমানে ব্রুনাইয়ের সুলতান শরীফ আলী ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ইসলামিক অর্থনীতি ও ফিন্যান্স অনুষদে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি মালয়েশিয়ার ‘আইরিসাইকেল-মালয়েশিয়া’ প্রকল্পে ই-বর্জ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ ধাতু পুনরুদ্ধার ও সার্কুলার ইকোনমি নিয়ে গবেষণা করছেন। এছাড়াও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং ইআরআইএর পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।
গবেষণায় তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গুগল স্কলারে তাঁর গবেষণাপত্রের উদ্ধৃতি ৭ হাজার ৩৯৫টি এবং এইচ-ইনডেক্স ৪৪। অন্যদিকে, স্কোপাসে তাঁর গবেষণার উদ্ধৃতি ৩ হাজার ৬০০টি। তিনি ১২০টিরও বেশি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন এবং দুটি একক গ্রন্থের লেখক।
ড. মেহেদী মাসুদ নিজ এলাকার কল্যাণেও সক্রিয়। তিনি রাজাপুরে ‘ড. মেহেদী মাসুদ ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং স্থানীয় শিক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করছেন। তাঁর সাফল্যে শুক্তাগড়সহ রাজাপুরের মানুষের মধ্যে গর্বের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, তাঁর সাফল্য দেশের তরুণ প্রজন্মকে গবেষণায় আগ্রহী হতে অনুপ্রাণিত করবে।
"বিশ্বের শীর্ষ গবেষকদের তালিকায় স্বীকৃতি পাওয়া একটি বড় সম্মান। তবে আমি এটিকে একক কোনো সাফল্য মনে করি না; এটি আমার সহকর্মী, গবেষণা সহযোগী ও শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। টেকসই উন্নয়ন মানে শুধু পরিবেশ রক্ষা নয়—এটি সামাজিক কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকারের বিষয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শুক্তাগড় গ্রাম, রাজাপুর উপজেলা, ঝালকাঠি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মুহাম্মদ মেহেদী মাসুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ শতাংশ (শীর্ষ বিজ্ঞানীদের তালিকা), ১৫৭তম (বৈশ্বিক র্যাঙ্কিং), ১২০টি (গবেষণা নিবন্ধ), ৭ হাজার ৩৯৫টি (গুগল স্কলার উদ্ধৃতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!