📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩ লাখ ১৫ হাজার বছর পুরোনো হোমো স্যাপিয়েন্সের মুখের বাস্তবসম্মত ডিজিটাল প্রতিলিপি তৈরি: গবেষণায় নতুন আবিষ্কার

৩ লাখ ১৫ হাজার বছর পুরোনো হোমো স্যাপিয়েন্সের মুখের বাস্তবসম্মত ডিজিটাল প্রতিলিপি তৈরি: গবেষণায় নতুন আবিষ্কার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গবেষকরা মরক্কোর জীবাশ্মের ভিত্তিতে প্রায় তিন লাখ ১৫ হাজার বছর আগের হোমো স্যাপিয়েন্সের মুখের ডিজিটাল প্রতিলিপি তৈরি করেছেন। এই প্রতিলিপিতে শ্যামবর্ণ ত্বক, দীর্ঘ কালো চুল ও ঘন দাড়ি সহ বাস্তবসম্মত একটি রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে

বিজ্ঞানীরা প্রাচীন মানব ইতিহাসের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি উপহার দিয়েছেন। মরক্কোর একটি প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট থেকে উদ্ধারকৃত জীবাশ্মের মাধ্যমে প্রায় তিন লাখ ১৫ হাজার বছর আগের হোমো স্যাপিয়েন্সের মুখের বাস্তবসম্মত ডিজিটাল প্রতিলিপি তৈরি করেছেন গবেষকরা। এই আবিষ্কারটি বিজ্ঞানী ও ইতিহাসপ্রেমীদের মধ্যে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মরক্কোর জেবেল ইরহুদ সাইট থেকে উদ্ধারকৃত জীবাশ্মের ভিত্তিতে প্রাচীন হোমো স্যাপিয়েন্সের মুখের ডিজিটাল প্রতিলিপি তৈরি করা হয়েছে
  • 📌 এই প্রতিলিপিতে শ্যামবর্ণ ত্বক, দীর্ঘ কালো চুল, ঘন দাড়ি এবং চওড়া নাকের বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে
  • 📌 গবেষণায় ব্যবহৃত জীবাশ্মগুলো একাধিক মানুষের দেহাবশেষ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তাই প্রতিলিপিটি কোনো একক ব্যক্তির হুবহু নয়
  • 📌 ব্রাজিলের থ্রিডি পুনর্নির্মাণ বিশেষজ্ঞ সিসেরো মোরেসের নেতৃত্বে এই গবেষণা পরিচালিত হয়েছে

📰 বিস্তারিত

১৯৬০-এর দশকে প্রথমবারের মতো মরক্কোর জেবেল ইরহুদ প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট থেকে প্রাচীন মানুষের মাথার খুলির জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে বিজ্ঞানীরা এটিকে নিয়ান্ডারথাল প্রজাতি বলে মনে করলেও পরবর্তী গবেষণায় জানা যায়, জীবাশ্মটি প্রায় তিন লাখ ১৫ হাজার বছর পুরোনো হোমো স্যাপিয়েন্সের। গবেষকদল আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই জীবাশ্মের স্ক্যান করে ত্রিমাত্রিক মডেল তৈরি করেছেন।

গবেষণায় ব্যবহৃত জীবাশ্মের মধ্যে ছিল ইরহুদ ১ নামে পরিচিত মাথার খুলির টুকরা এবং আশপাশ থেকে পাওয়া চোয়াল ও দাঁতের ফসিল। এই জীবাশ্মগুলোকে একত্রিত করে আধুনিক মানব শারীরবৃত্তীয় টেমপ্লেটের সঙ্গে মিলিয়ে পেশি, চর্বি এবং ত্বকের স্তর যুক্ত করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় প্রাচীন মানুষের মুখের দুটি ভিন্ন রূপ তৈরি করা হয়েছে — একটি বৈজ্ঞানিক ধূসর রঙের এবং অন্যটি রঙিন ও বাস্তবসম্মত।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ত্বকের রং, চুলের স্টাইল এবং মুখের দাড়ি জীবাশ্ম থেকে সরাসরি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তাই উত্তর আফ্রিকার ঐ সময়ের মানুষের একটি সম্ভাব্য রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। রঙিন সংস্করণে প্রাচীন এই মানুষকে শ্যামবর্ণ ত্বকের অধিকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে, যার দীর্ঘ কালো চুল, ঘন দাড়ি এবং গভীর চোখের বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

"ত্বকের রং, চুলের স্টাইল এবং মুখের দাড়ি জীবাশ্ম থেকে সরাসরি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তাই উত্তর আফ্রিকার ঐ সময়ের মানুষের একটি সম্ভাব্য রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মরক্কো (জেবেল ইরহুদ প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিসেরো মোরেস (ব্রাজিলের থ্রিডি পুনর্নির্মাণ বিশেষজ্ঞ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ ১৫ হাজার বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖