📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রযুক্তির যুগে শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্বে ঘটে যাচ্ছে কী ধরনের বিপর্যয়?

প্রযুক্তির যুগে শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্বে ঘটে যাচ্ছে কী ধরনের বিপর্যয়?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রযুক্তিনির্ভর পরিবেশে শিক্ষার্থীদের মনোযোগক্ষমতা ও সার্বিক বিকাশে মারাত্মক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান বলেছেন, বর্তমানে শিশুরা মাত্র ৯ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে মনোযোগ হারাচ্ছেন, যা আগের তুলনায় ৩০ মিনিটের চেয়ে অনেক কম। স্ক্রিন টাইমের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে

প্রযুক্তিনির্ভর পরিবেশে শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব ও বিকাশে মারাত্মক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজিত ১৮১তম অনলাইন পরামর্শ সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন। গত ৩০ আগস্ট কারওয়ান বাজারের প্রথম আলোর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **প্রযুক্তির প্রভাব**: দক্ষিণ এশিয়ার প্রান্তিক অঞ্চলের শিশুরাও মুহূর্তে বিশ্বের উন্নত দেশের জীবনযাত্রার সাথে তুলনা করতে পারছে, যা তাদের মনস্তত্ত্বে পরিবর্তন আনে।
  • 📌 **মনোযোগক্ষমতা হ্রাস**: বর্তমানে শিশুরা মাত্র ৯ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে মনোযোগ হারাচ্ছেন, যা আগের তুলনায় ৩০ মিনিটের চেয়ে অনেক কম।
  • 📌 **স্ক্রিন টাইমের অতিরিক্ত ব্যবহার**: অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের কারণে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা, শারীরিক চর্চা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।
  • 📌 **বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে শূন্যতা**: শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে একটি বড় ধরনের শূন্যতার সৃষ্টি হচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

ডা. ফারজানা রহমান বলেছেন, শিশু-কিশোরদের দৈহিক বিকাশের পাশাপাশি মানসিক ও আবেগীয় বিকাশও সমান্তরালভাবে ঘটে। তবে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় তাদের আশেপাশের পরিবেশে পরিবর্তন এসেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, আগের দিনের মতো শিশুদের আবেগপ্রবণতা, অনুভূতিপ্রবণতা, স্পর্শকাতরতা এবং অনুকরণপ্রিয়তা এখনও বিদ্যমান, কিন্তু প্রযুক্তির প্রভাব তাদের মনোযোগ ধারণের ক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

অধ্যাপক ফারজানা বলেন, ‘এখন প্রযুক্তি হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। দক্ষিণ এশিয়া বা বাংলাদেশের একটি প্রান্তিক অঞ্চলের শিশুও মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বের উন্নত দেশের শিশুর জীবনযাত্রার সাথে নিজেকে তুলনা করতে পারছে। এই প্রযুক্তির জোয়ারের কারণে শিশুদের মনোযোগ ধারণ করার ক্ষমতা বা অ্যাটেনশন স্প্যান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পূর্বে যে বয়সের শিশুরা টানা ৩০ মিনিট কোনো বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারত, বর্তমানে তা নেমে এসেছে মাত্র ৯ থেকে ১৫ মিনিটে।’

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের কারণে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা, শারীরিক চর্চা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড যেমন গান, আবৃত্তি, বই পড়া ইত্যাদি থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। ফলে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে একটি বড় ধরনের শূন্যতার সৃষ্টি হচ্ছে।

"এটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও সময়োপযোগী একটি বিষয়। শিশুর মনস্তত্ত্ব বুঝতে হলে প্রথমেই জানতে হবে যে শিশু-কিশোরদের দৈহিক বিকাশের পাশাপাশি তাদের মানসিক ও আবেগীয় বিকাশও সমান্তরালভাবে ঘটে। তবে মূল পরিবর্তনটি এসেছে তাদের আশেপাশের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ ও প্রযুক্তির ছোঁয়ায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: প্রথম আলোর কার্যালয়, কারওয়ান বাজার, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. ফারজানা রহমান (জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আগস্ট ২০২৬ (সভার তারিখ), ১৮১তম (অনলাইন পরামর্শ সভা), ৩০ মিনিট (আগের মনোযোগক্ষমতা), ৯-১৫ মিনিট (বর্তমান মনোযোগক্ষমতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖