📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা: শব্দ ও এআই দিয়ে এডিস মশা শনাক্তের নতুন প্রযুক্তি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা: শব্দ ও এআই দিয়ে এডিস মশা শনাক্তের নতুন প্রযুক্তি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা শব্দ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এডিস মশা শনাক্তের একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র তৈরি করেছেন। মাঠ পরীক্ষায় যন্ত্রটি ৮৩ শতাংশ সঠিকতা দেখিয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে একটি বিপ্লবী যন্ত্র তৈরি করেছেন। এই যন্ত্রটি শব্দের সাহায্যে পুরুষ এডিস মশাকে আকর্ষণ করে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে সেগুলো শনাক্ত ও গণনা করে। গবেষণাটি আন্তর্জাতিক সাময়িকী আইইইই ট্রানজ্যাকশনস অন ইনস্ট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড মেজারমেন্ট এ প্রকাশিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ‘মাস্ট-ক্লাউডনেট’ নামের যন্ত্র তৈরি করেছেন, যা শব্দ ও এআই দিয়ে এডিস মশা শনাক্ত করে
  • 📌 মাঠ পরীক্ষায় যন্ত্রটি ৪৯টি এডিস মশা ধরে, যার মধ্যে ৩৫টি সঠিকভাবে শনাক্ত হয় (৭১.৪% সঠিকতা)
  • 📌 যন্ত্রটি ৩৫০-৫০০ হার্টজের পরিবর্তনশীল শব্দতরঙ্গ ব্যবহার করে পুরুষ এডিস মশাকে আকর্ষণ করে
  • 📌 যন্ত্রের খরচ ৯৯ মার্কিন ডলার এবং এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য দূরবর্তী সার্ভারে পাঠায়
  • 📌 গবেষকরা বলেছেন, যন্ত্রটি মশা আকর্ষণ ও পর্যবেক্ষণে সম্ভাবনাময় হলেও আরও পরীক্ষা প্রয়োজন

📰 বিস্তারিত

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এডিস মশা শনাক্তের প্রচলিত পদ্ধতি সময়সাপেক্ষ ও শ্রমসাধ্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই সমস্যা সমাধানের জন্য একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র তৈরি করেছেন। যন্ত্রটির নাম ‘মাস্ট-ক্লাউডনেট’। এটি শব্দের সাহায্যে পুরুষ এডিস মশাকে আকর্ষণ করে এবং ক্যামেরার মাধ্যমে তাদের ছবি তোলা হয়। এরপর ‘ইওলোভি১১’ নামের এআই মডেল ছবিগুলো শনাক্ত করে এবং তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে ওয়েব ড্যাশবোর্ডে প্রদর্শিত হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, যন্ত্রটি শব্দ ব্যবহার করে পুরুষ এডিস মশাকে আকর্ষণ করে। স্ত্রী এডিস মশার ডানার কম্পনের মতো শব্দ শুনে পুরুষ মশা আকৃষ্ট হয়। গবেষকরা ৩৫০ থেকে ৫০০ হার্টজের পরিবর্তনশীল শব্দতরঙ্গ ব্যবহার করেছেন। যন্ত্রের ভেতরে পাখা মশাকে টেনে নিয়ে আসে এবং আঠাযুক্ত পৃষ্ঠে আটকে গেলে ক্যামেরায় তাদের ছবি তোলা হয়। হলুদ পটভূমি ও নির্দিষ্ট আলো ছবিতে মশা শনাক্ত করতে সহায়তা করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তিন দিনের প্রাথমিক মাঠ পরীক্ষায় শব্দ ব্যবহার করা যন্ত্রে ৪৯টি এডিস ও ১০টি অন্য প্রজাতির মশা ধরা পড়ে। অর্থাৎ ধরা পড়া মশার ৮৩.৩ শতাংশ ছিল এডিস। শব্দহীন নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে ধরা পড়ে একটি এডিস ও তিনটি অন্য প্রজাতির মশা। এআই ৪৯টি এডিসের মধ্যে ৩৫টিকে সঠিকভাবে শনাক্ত করেছে, যা ৭১.৪ শতাংশ সঠিকতা প্রদর্শন করে। গবেষকরা বলেছেন, যন্ত্রটি মশা আকর্ষণ ও পর্যবেক্ষণে সম্ভাবনাময় হলেও আরও বড় এবং দীর্ঘ পরীক্ষা ছাড়া এর কার্যকারিতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না।

"স্ত্রী মশা যেভাবে শব্দ করে, পুরুষ মশা সেভাবে করে না। আমরা স্ত্রী মশার শব্দ সংগ্রহ করেছি। এই যন্ত্রে সেই শব্দ বাজতে থাকবে। দূর থেকে, এমনকি মুঠোফোনের মাধ্যমে এর গতিবিধি আমরা দেখতে পাব। এই যন্ত্রে এমনভাবে প্রোগ্রাম ঠিক করা হয়েছে, যাতে অন্য কোনো পোকা বা মশা নির্দিষ্ট করা যায়। তাতে অন্য উপকারী পোকা মারা যাবে না।"

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার আশফাকুল মুইদ বলেছেন, প্রচলিত পদ্ধতিতে ফাঁদ পরীক্ষা করে মশা শনাক্ত করার যে কাজটি মানুষকে করতে হয়, এই ব্যবস্থায় তার বড় একটি অংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, যন্ত্রটি পুরুষ মশার উপস্থিতি স্থানীয়ভাবে এডিসের বিস্তার শুরু হওয়ার একটি প্রাথমিক সংকেত হতে পারে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও প্রাণিবিদ্যা উদ্যান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আশফাকুল মুইদ (সহযোগী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৯টি এডিস মশা ধরা পড়ে (৩৫টি সঠিকভাবে শনাক্ত), ৮৩.৩ শতাংশ সঠিকতা, ৩৫০-৫০০ হার্টজের শব্দতরঙ্গ, ৯৯ মার্কিন ডলার খরচ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖