📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ৮ বছর বয়সী মেয়ের বাবা-মা: ‘লক্ষণ দেখতে পারিনি, বুঝতে পারিনি’

ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ৮ বছর বয়সী মেয়ের বাবা-মা: ‘লক্ষণ দেখতে পারিনি, বুঝতে পারিনি’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চিকিৎসক ওমর ফারুক রায়হানের ৮ বছর বয়সী মেয়ে ফামইয়া মাশনুর ডেঙ্গুতে মারা যান। জ্বর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা না গেলেও হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। বাবা-মা বলছেন, সরকারি হাসপাতালের পিআইসিইউ সুবিধা না থাকায় মেয়ের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়নি

চিকিৎসক ওমর ফারুক রায়হানের ৮ বছর ১০ মাস ১৪ দিন বয়সী মেয়ে ফামইয়া মাশনুর ডেঙ্গুতে মারা যাওয়ার ঘটনা পরিবারকে আঘাত করেছে। জ্বর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা না গেলেও মেয়ের অবস্থা খারাপ হয়ে পড়ার আগেই হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান। বাবা-মা বলছেন, সরকারি হাসপাতালের পিআইসিইউ সুবিধা না থাকায় মেয়ের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৮ বছর বয়সী মেয়ে ফামইয়া মাশনুর ডেঙ্গুতে মারা যান, জ্বর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা যায়নি।
  • 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর জ্বর বাড়ার পর ১ অক্টোবর বিকেলে মেয়ের মৃত্যু হয়, মাত্র তিন দিনের মধ্যে অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।
  • 📌 হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান — স্কয়ার হাসপাতালে পিআইসিইউতে ভর্তি হওয়ার আগেই মেয়ের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।
  • 📌 বাবা-মা বলছেন, ‘মেয়ের ডেঙ্গু পজিটিভ হওয়ার পর কোনো লক্ষণ ছিল না, বুঝতে পারিনি।’
  • 📌 ৫ বছর বয়সী ছোট বোন ফারজিন বোনের মৃত্যুকে বুঝতে পারছে না, ‘ইয়া’ বলে ডাকতেন বোনকে, এখন মনে হয় বোন আল্লাহর কাছে চলে গেছে।
  • 📌 মেয়ের জন্মদিন ১৭ নভেম্বর, কক্সবাজারে যাবার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু মেয়ের মৃত্যু ঘটে গেছে।
  • 📌 চিকিৎসক ওমর ফারুক বলছেন, সরকারি হাসপাতালে পিআইসিইউ সুবিধা না থাকায় মেয়ের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

📰 বিস্তারিত

ওমর ফারুক রায়হান এবং তার স্ত্রী ফারজানা সুলতানা দু’জনেই চিকিৎসক। ওমর ফারুক জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিশেষজ্ঞ, ফারজানা ভিশন আই হাসপাতালে চক্ষুবিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত। তাদের বড় মেয়ে ফামইয়া মাশনুরের মৃত্যু তাদের জীবনে একটি অপরিহার্য আঘাত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর রাতে মেয়ের জ্বর লাগে। পরদিন সকালে জ্বর বাড়ে এবং স্কুলে যেতে পারেনি। ২৯ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গু পজিটিভ হওয়ার পর বাসায় ক্যানুলা করে স্যালাইন দেওয়া হয়। ওমর ফারুক জরুরি কাজে ঢাকার বাইরে থাকায় পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। বৃহস্পতিবার মেয়ে খারাপ লাগে এবং খিঁচুনি শুরু হওয়ার পরপর তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শিশুদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র না থাকায় স্কয়ার হাসপাতালে পিআইসিইউতে ভর্তি করা হয়। যানজটের কারণে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মেয়ের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। নাক দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত মেয়ের মৃত্যু হয়।

ওমর ফারুক বলেন, ‘মেয়েটা খুব সংবেদনশীল ছিল। অসুস্থতার মধ্যে বমি করার পর বাসায় কাজের সহায়তাকারীর সামনে জামা পাল্টে দিলে সে মাকে বলেছিল, ওই আপুর সামনে জামা পাল্টানোতে তার লজ্জা লাগছে।’ তিনি আরও বলেন, মেয়ের ডেঙ্গু হওয়ার আগে তার মায়ের ডেঙ্গু হয়েছিল। কিন্তু মেয়ের ক্ষেত্রে কোনো ব্যবস্থাই কাজে লাগেনি।

ফারজানা সুলতানা মেয়ের স্মৃতি ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। মেয়েটা গুছিয়ে স্মৃতি ধরে রাখতে পছন্দ করত। কোনো জিনিস সহজে ফেলতে চাইত না। এখন ঘরময় শুধু স্মৃতি না, মেয়েটাও স্মৃতি হয়ে গেছে। ওমর ফারুক বলেন, ‘গত বছরের এই সময় পরিবারের সবাই মিলে হজ করতে গিয়েছিলেন। জুলাই মাসে সাজেকে বেড়াতে গিয়ে সর্বশেষ সেলফিটা তুলেছিলেন। এখন স্মৃতিগুলো ভুলতে পারছেন না।’

"মেয়ের ডেঙ্গু পজিটিভ হওয়ার পর ওর অবস্থা খারাপ হচ্ছে—এমন কোনো সাইনই (লক্ষণ) তো ছিল না। বুঝতেই তো পারলাম না। স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পর পিআইসিইউতে আধা ঘণ্টাও ছিল না, তার আগেই মারা গেল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (বনশ্রী, স্কয়ার হাসপাতাল), কক্সবাজার (মেয়ের জন্মদিনের পরিকল্পনা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওমর ফারুক রায়হান, ফারজানা সুলতানা, ফামইয়া মাশনুর, ফারজিন মাহনুর ওয়ারিসা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ বছর ১০ মাস ১৪ দিন (মেয়ের বয়স), ২৯ সেপ্টেম্বর (জ্বর বাড়া), ১ অক্টোবর (মৃত্যু), ১৭ নভেম্বর (জন্মদিন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖