📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডেঙ্গু বাহক মশা নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থা প্রয়োজন: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার

ডেঙ্গু বাহক মশা নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থা প্রয়োজন: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা (আজকের পত্রিকা) ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেছেন, সঠিক মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় বাংলাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তিনি জাতীয় মশা গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার দাবি তুলেছেন এবং সিটি করপোরেশনগুলোর মশা নিয়ন্ত্রণ অভিযানকে প্রজননস্থল-কেন্দ্রিক করার আহ্বান জানিয়েছেন

বাংলাদেশে ডেঙ্গু রোগের বিস্তার রোধে মশা নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানভিত্তিক সমন্বিত ব্যবস্থা প্রয়োজন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেছেন, ঢাকা থেকে শুরু করে সারা দেশে এডিস মশার বিস্তার ঘটেছে। তিনি দাবি করেছেন, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রয়োগ না করার কারণে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **ডেঙ্গু বাহক মশা** (৯৫% এডিস এজিপ্টি) বাংলাদেশে সারা দেশে বিস্তৃত হয়েছে, বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবন, বেজমেন্ট, ওয়াসার মিটারের চৌবাচ্চা এবং বাড়ির মাঝখানের জায়গায় প্রজনন করছে
  • 📌 **সিটি করপোরেশন** ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো মশা নিয়ন্ত্রণ অভিযান পরিচালনা করলেও সঠিক প্রজননস্থলকে টার্গেট না করে রাস্তাঘাট ও নর্দমাকেন্দ্রিক অভিযান করায় ফলাফল আসছে না
  • 📌 **কার্যকরী কীটনাশক** যেমন ম্যালাথিয়ন, টেমেফস ও নোভালুরন সঠিক মাত্রায় ও সময়ে প্রয়োগ করলে মশা নিয়ন্ত্রণে সফলতা পাওয়া যাবে, কিন্তু ডেল্টামেথ্রিন কার্যকর নয়
  • 📌 **জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা** প্রমাণ করেছে যে এডিস মশা রাতে কামড়ায় এবং শুধু পরিষ্কার পানি নয়, নোংরা পানিতেও জন্মায়
  • 📌 **জাতীয় মশা গবেষণা প্রতিষ্ঠান** প্রতিষ্ঠা এবং বিজ্ঞানভিত্তিক সমন্বিত ব্যবস্থা প্রয়োগের দাবি তুলেছেন ড. কবিরুল বাশার

📰 বিস্তারিত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও জিকা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে পরামর্শক হিসেবে কাজরত ড. কবিরুল বাশার বলেছেন, বাংলাদেশে মশা নিয়ন্ত্রণে সফল হওয়ার জন্য সমন্বিত বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থা প্রয়োগ করা দরকার। তিনি উল্লেখ করেছেন, জাপানের কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন এই গবেষক ২৭ বছর ধরে মশা নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন।

ড. কবিরুল বাশার বলেছেন, “ঢাকা থেকে শুরু করে সারা দেশে এডিস মশার বিস্তার ঘটেছে। যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির কারণে এ মশা বিভিন্ন জেলা ও গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। উপযোগী পরিবেশ, বৃষ্টির পানি জমা হওয়া এবং মানুষের পাত্রে পানি জমিয়ে রাখার কারণে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি ঘটেছে।” তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ মশা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে, কারণ সেসব দেশ সমন্বিত মশক ব্যবস্থাপনা নিয়মিতভাবে করেছে।

তিনি আরও বলেছেন, “সিটি করপোরেশন ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো মশা নিয়ন্ত্রণ অভিযান পরিচালনা করলেও সঠিক প্রজননস্থলকে টার্গেট না করে রাস্তাঘাট ও নর্দমাকেন্দ্রিক অভিযান করায় ফলাফল আসছে না। আমি অনুরোধ করব, এডিস মশার প্রজননস্থলকে টার্গেট করে নজরদারি ও কাজগুলো করলে অবশ্যই ফলাফল পাওয়া যাবে।”

ড. কবিরুল বাশার বলেছেন, “কার্যকরী কীটনাশক যেমন ম্যালাথিয়ন, টেমেফস ও নোভালুরন সঠিক মাত্রায় ও সময়ে প্রয়োগ করলে মশা নিয়ন্ত্রণে সফলতা পাওয়া যাবে। কিন্তু ডেল্টামেথ্রিন কার্যকর নয়। কীটনাশক প্রয়োগকারীদের সঠিক প্রশিক্ষণ দেওয়া খুবই প্রয়োজন।”

"এডিস এজিপ্টি মশাটি ৯৫% ডেঙ্গু ছড়ানোর জন্য দায়ী। এটি বাড়ির আশপাশেই অবস্থান করে এবং রাতেও কামড়ায়। আমাদের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, এডিস মশা শুধু পরিষ্কার পানি নয়, নোংরা পানিতেও জন্মায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (সিটি করপোরেশন), বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. কবিরুল বাশার (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৫% (এডিস এজিপ্টি মশা ডেঙ্গু ছড়ানোর দায়), ২৭ বছর (গবেষণা অভিজ্ঞতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖