📌 ডেঙ্গু সংক্রমণ বাড়ার কারণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সকল হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। ঢাকার হাসপাতালগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ফিল্ড হাসপাতাল চালু ও রোগী স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গত রোববার অনুষ্ঠিত সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়
ডেঙ্গু সংক্রমণ দেশব্যাপী বাড়ার কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সকল হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর তৎপরতা শুরু করেছে। বিশেষভাবে রাজধানী ঢাকার হাসপাতালগুলিকে লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চত্বরে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের পরিকল্পনা চলছে। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে কিছু রোগী স্থানান্তর করারও চিন্তা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
- 📌 ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফিল্ড হাসপাতাল চালু করার জন্য বিশেষ বিবেচনা করা হচ্ছে।
- 📌 ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে কিছু ডেঙ্গু রোগী স্থানান্তর করার ব্যবস্থা করা হবে।
- 📌 মুগদা মেডিকেল হাসপাতালকে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আরও শয্যা বাড়াতে বলা হয়েছে।
- 📌 কুর্মিটোলা মাল্টিডিসিপ্লিনারি হাসপাতালকে ঢাকার বাইরে থেকে আসা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দিতে বলা হয়েছে।
- 📌 গত ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৯০ হাজার ৩৫৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ২৮১ জন মারা গেছেন।
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক অধ্যাপক নুরুল ইসলাম বাসস বলেছেন, সভায় ডেঙ্গু রোগীদের জন্য হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ঢাকার হাসপাতালগুলিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য করে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কারণ রোগীর সংখ্যা বেশি। তিনি আরও বলেন, ‘আসলে রোগী তো ঢাকাতেই বেশি, তাই আমরা রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকদের বেড বাড়াতে বলেছি।’
অধ্যাপক নুরুল ইসলাম আরও জানান, সংকটের সময়েও সরকারি হাসপাতাল রোগী ফিরিয়ে দেয় না। তবে রোগীর সংখ্যা শয্যা সক্ষমতা ছাড়িয়ে গেলে রোগীদের বিভিন্ন সমস্যা পোহাতে হয়। সেই কারণে ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোকেও প্রস্তুত রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯০ হাজার ৩৫৬ জন। এদের মধ্যে ২৮১ জন মারা গেছেন, যার মধ্যে পুরুষ ১৩২ জন এবং নারী ১৪৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ৬২.৩ শতাংশ এবং নারী ৩৭.৭ শতাংশ। বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর সংখ্যা: ঢাকা বিভাগে ১২৭ জন, বরিশালে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ২৫ জন, খুলনায় ৫৫ জন, ময়মনসিংহে ২৩ জন, রাজশাহীতে ১৯ জন, রংপুরে ৬ জন এবং সিলেটে ২ জন।
"আসলে রোগী তো ঢাকাতেই বেশি, তাই আমরা রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকদের বেড বাড়াতে বলেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম বাসস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ হাজার ৩৫৬ জন (হাসপাতালে ভর্তি), ২৮১ জন (মৃত্যু), ৬২.৩% (পুরুষ আক্রান্ত), ৩৭.৭% (নারী আক্রান্ত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!