📌 জন্মগত ছানি শিশুদের দৃষ্টিশক্তির বিকাশে নীরব বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ডা. আরমান হোসেন রনি বলেছেন, জন্মের সময় বা প্রথম বছরে চোখের লেন্স ঘোলা হয়ে গেলে দৃষ্টি বিকাশে ব্যাহত হয়। অপারেশন ছাড়া স্থায়ী দৃষ্টিহীনতা হতে পারে
শিশুদের দৃষ্টিশক্তির বিকাশে জন্মগত ছানি একটি নিরাপদে বাঁচানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। জন্মের সময় বা প্রথম বছরের মধ্যে চোখের লেন্সের স্বচ্ছতা হারিয়ে গেলে আলো চোখের ভেতরে সঠিকভাবে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়। ফলে শিশুর দৃষ্টি বিকাশে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। দীন মোহাম্মদ আই হসপিটালের কনসালট্যান্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. আরমান হোসেন রনি জানান, জন্মগত ছানি শিশুদের অন্ধত্বের একটি প্রধান কারণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **জন্মগত ছানি** হলো শিশুর জন্মের সময় বা প্রথম বছরে চোখের লেন্সের স্বচ্ছতা হারিয়ে যাওয়া, যা দৃষ্টি বিকাশে ব্যাহত করে
- 📌 **প্রধান কারণ**: বংশগত কারণ, গর্ভকালীন সংক্রমণ, মায়ের ডায়াবেটিস বা ওষুধ, এবং জন্মগত বিপাকীয় রোগ
- 📌 **লক্ষণ**: শিশুর দৃষ্টি বিকাশে বাধা, অলস চোখ, বাঁকা চোখ বা চোখ কাঁপা দেখা দিতে পারে
- 📌 **চিকিৎসা**: অপারেশন হলো প্রধান চিকিৎসা পদ্ধতি, তবে ছানির আকার ও অবস্থান অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
- 📌 **ঝুঁকি**: সময়মতো চিকিৎসা না হলে স্থায়ী দৃষ্টিহীনতা হতে পারে
📰 বিস্তারিত
চোখের লেন্স স্বাভাবিক অবস্থায় স্বচ্ছ থাকে এবং আলোকে রেটিনায় সঠিকভাবে ফোকাস করতে সাহায্য করে। কিন্তু জন্মগত ছানিতে লেন্সের স্বচ্ছতা হারিয়ে যায়, ফলে আলো চোখের ভেতরে বাধাপ্রাপ্ত হয়। এই অবস্থায় শিশুর দৃষ্টিশক্তির স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। ডা. রনি বলেন, জন্মগত ছানি শুধু জন্মের সময়ই নয়, প্রথম বছরের মধ্যে তৈরি হতে পারে। এটি এক চোখে বা দুই চোখে হতে পারে।
জন্মগত ছানির প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে বংশগত কারণ, গর্ভকালীন সংক্রমণ, মায়ের ডায়াবেটিস বা ক্ষতিকর ওষুধ গ্রহণ, এবং জন্মগত বিপাকীয় রোগ। ডা. রনি জানান, পরিবারের কারও জন্মগত ছানির ইতিহাস থাকলে শিশুর ঝুঁকি বাড়তে পারে। গর্ভাবস্থায় মায়ের কিছু রোগ বা ওষুধ শিশুর চোখের বিকাশে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
জন্মগত ছানির লক্ষণগুলো হলো শিশুর দৃষ্টি বিকাশে বাধা, অলস চোখ, বাঁকা চোখ বা চোখ কাঁপা। ডা. রনি বলেন, এই অবস্থা যদি চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে স্থায়ী দৃষ্টিহীনতা, অলস চোখ, বাঁকা চোখ বা চোখ কাঁপা হতে পারে। জীবনের প্রথম কয়েক বছর শিশুর দৃষ্টি বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দেরি হলে দৃষ্টি পুরোপুরি ফিরে পাওয়া কঠিন হতে পারে।
"জন্মগত ছানির সব কারণ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে ঝুঁকি কমানো যায়। সে জন্য গর্ভাবস্থায় সতর্কতা অবলম্বন এবং শিশুকে নিয়মিত চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে পরীক্ষা করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, দীন মোহাম্মদ আই হসপিটাল, সোবহানবাগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. আরমান হোসেন রনি (কনসালট্যান্ট চক্ষু)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ বছর (প্রথম বছরের মধ্যে ছানি তৈরি হতে পারে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!