📌 জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য ও জীবিকা ঝুঁকিতে পড়ছে। বন অধিদপ্তরের সম্মেলনে নারী, যুব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা দাবি করেছেন, তাদের অভিজ্ঞতা ও সুপারিশ নীতিনির্ধারণে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। জাতিসংঘের ১৭তম জীববৈচিত্র্য সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল তাদের দাবি উপস্থাপন করবে
জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা ঝুঁকিতে পড়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য নীতিনির্ধারণে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা, অগ্রাধিকার ও সুপারিশ অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। আজ বুধবার বন অধিদপ্তরের করবী সম্মেলনকক্ষে ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের ‘ব্লু ইকোনমি অ্যান্ড ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস’ প্রকল্পের উদ্যোগে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সিদ্ধান্ত গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে, নন শুধু সুবিধাভোগী হিসেবে
- 📌 জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্য হ্রাসের ঝুঁকিতে পড়া উপকূলীয় জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে
- 📌 জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্যবিষয়ক ১৭তম সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা ও সুপারিশ উপস্থাপন করবে
- 📌 উপকূলীয় অঞ্চলে নারী, যুব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ও ভূমিকা স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অপরিহার্য
📰 বিস্তারিত
বন অধিদপ্তরের করবী সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সংলাপে উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত সংকটের বিষয়টি প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল। উপস্থিত বক্তারা বলেছেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে শুধু সুবিধাভোগী হিসেবে নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। তাদের অভিজ্ঞতা, অগ্রাধিকার ও ন্যায্য দাবি নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করলে উপকূলীয় প্রতিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু-সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য ও বন অধিদপ্তরের উপপ্রধান বন সংরক্ষক জাহিদুল কবির। উপস্থিত ছিলেন বন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শরিফুল হক। সভাপতিত্ব করেন ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের নির্বাহী পরিচালক রোকসানা সুলতানা। তিনি বলেন, “উপকূলীয় জনগোষ্ঠী শুধু জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্য হ্রাসের ঝুঁকির সম্মুখীন নয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রতিবেশ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগে তাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।”
আলোচনায় উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈরী আবহাওয়াজনিত জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত সংকট, প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয় উঠে আসে। স্থানীয় পর্যায়ে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রতিবেশ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগে নারী, যুব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ও ভূমিকার বিষয়ও গুরুত্ব পায়।
সংলাপ থেকে উঠে আসা অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ ও সুপারিশ জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্যবিষয়ক ১৭তম সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের মাধ্যমে উপস্থাপন এবং আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়। অংশগ্রহণকারীরা আশা করেন, এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্যবিষয়ক নীতিগত আলোচনায় উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর কার্যকরভাবে প্রতিফলিত হবে।
"উপকূলীয় জনগোষ্ঠী শুধু জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্য হ্রাসের ঝুঁকির সম্মুখীন নয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রতিবেশ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বন অধিদপ্তর করবী সম্মেলনকক্ষ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোকসানা সুলতানা (ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের নির্বাহী পরিচালক), জাহিদুল কবির (বন অধিদপ্তরের উপপ্রধান বন সংরক্ষক), মো. শরিফুল হক (বন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ (জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্যবিষয়ক সম্মেলনের তম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!