📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ক্রোনোটাইপের গোপন: রাতজাগা ও ভোরের পাখির শরীরের ছন্দ কীভাবে আলাদা?

ক্রোনোটাইপের গোপন: রাতজাগা ও ভোরের পাখির শরীরের ছন্দ কীভাবে আলাদা?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিজ্ঞান অনুসারে, মানুষের ঘুমের স্বাভাবিক সময়ের পার্থক্যকে ক্রোনোটাইপ বলা হয়। গবেষণা দেখায়, রাতজাগা মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি ৭৯% বেশি হতে পারে, কিন্তু জীবনযাপনের অভ্যাসই মূল কারণ। শরীরের অভ্যন্তরীণ সার্কাডিয়ান রিদম কীভাবে প্রভাবিত হয়?

আপনার ঘুমের স্বাভাবিক সময় কি রাতের দিকে? অথবা সকালেই জেগে উঠতে পছন্দ করেন? বিজ্ঞানীরা এই পার্থক্যকে ‘ক্রোনোটাইপ’ বলে অভিহিত করেছেন। এটি শুধু ব্যক্তিগত পছন্দ নয়, বরং শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি, বয়স, জিনগত বৈশিষ্ট্য ও দৈনন্দিন জীবনযাপনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। রাত ১২টার পরেও জেগে থাকা বা সকালে অ্যালার্ম বাজার সঙ্গে সঙ্গে উঠে পড়া — এই দুই ধরনের মানুষের শরীরের ছন্দ সম্পূর্ণ আলাদা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিজ্ঞানীরা মানুষের ঘুমের স্বাভাবিক সময়ের পার্থক্যকে ‘ক্রোনোটাইপ’ বলে অভিহিত করেছেন, যা শরীরের অভ্যন্তরীণ সার্কাডিয়ান রিদম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা দেখায়, রাতজাগা মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি ৭৯% বেশি — তবে জীবনযাপনের অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসই মূল কারণ
  • 📌 ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের দরকার ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুম, প্রাপ্তবয়স্কদের ৭ ঘণ্টা
  • 📌 শরীরের নিজস্ব সময়ের ছন্দের কারণে ছুটির দিনে ঘুমের সময় পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু তা অলসতার লক্ষণ নয়
  • 📌 রাতজাগা মানুষের মধ্যে ধূমপান, অপর্যাপ্ত ঘুম ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়

📰 বিস্তারিত

আমাদের শরীরে রয়েছে একটি ২৪ ঘণ্টার অভ্যন্তরীণ সময়ব্যবস্থা, যা ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ নামে পরিচিত। এই ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করে কখন ঘুম আসবে, কখন সতেজ লাগবে, এমনকি হরমোন নিঃসরণের সময়ও। দিনের আলো-অন্ধকার, খাবার খাওয়ার সময় ও ঘুমের সময় এই ছন্দকে প্রভাবিত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, রাতজাগা মানুষের তুলনায় ভোরের পাখিরা স্বাভাবিকভাবে সকালে বেশি সতেজ থাকে। তবে এই পার্থক্য শুধু ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় নয় — বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঘুমের সময়ও পরিবর্তিত হতে পারে। যেমন, কিশোর-কিশোরীদের অনেকেরই স্বাভাবিকভাবে রাতে দেরিতে ঘুম আসে এবং সকালে দেরি করে ঘুম ভাঙে।

যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, রাতজাগা মানুষের হৃৎস্বাস্থ্যের কিছু সূচক অন্যদের তুলনায় খারাপ হতে পারে। গবেষণায় যুক্তরাজ্যের তিন লাখের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। তাদের গড় বয়স ছিল প্রায় ৫৭ বছর। গবেষণায় দেখা যায়, রাতজাগা মানুষের হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের সামগ্রিক সূচক খারাপ হওয়ার হার ছিল ৭৯% বেশি। প্রায় ১৪ বছর ধরে অনুসরণের সময় তাদের হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকিও ছিল ১৬% বেশি। তবে গবেষকরা সতর্ক করে দিয়েছেন, রাতজাগার অভ্যাস সরাসরি হৃদরোগের কারণ নয় — জীবনযাপনের অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসই মূল কারণ।

গবেষণায় অংশ নেওয়া মানুষদের ঘুমের ধরন নিজেদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছিল। রাতজাগা মানুষের মধ্যে ধূমপান, অপর্যাপ্ত ঘুম, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। এছাড়াও, শরীরের স্বাভাবিক ছন্দের সঙ্গে দৈনন্দিন কাজের সময়ের অমিলও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যেমন, রাত ২টায় ঘুমাতে যাওয়ার জন্য শরীর প্রস্তুত হলেও সকাল ৬টায় কাজের জন্য উঠতে হয় — ফলে পর্যাপ্ত ঘুমানোর সুযোগ না পাওয়ায় শরীরের ওপর চাপ পড়ে।

"রাতজাগা মানুষের শরীর এমনিতেই অসুস্থ এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। গবেষণাটি মূলত সম্পর্ক দেখিয়েছে; রাতজাগার অভ্যাসই সরাসরি হৃদরোগের কারণ, তা প্রমাণ করেনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গবেষকরা, প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ (৩ লাখ+), কিশোর-কিশোরীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা (সার্কাডিয়ান রিদম), ৫৭ বছর (গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের গড় বয়স), ৭৯% (হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি), ১৬% (হার্ট অ্যাটাক/স্ট্রোকের ঝুঁকি), ৮-১০ ঘণ্টা (কিশোরদের ঘুমের প্রয়োজন), ৭ ঘণ্টা (প্রাপ্তবয়স্কদের ঘুমের প্রয়োজন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖