📌 দেশে কলেরার টিকা কর্মসূচির প্রথম ধাপে ৮২.৬ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হলেও ৮ লাখ ৫২ হাজার মানুষ টিকা পাননি। নারায়ণগঞ্জে সর্বনিম্ন টিকাদান হয়, যেখানে ৩ লাখ ৬০ হাজার মানুষের টিকা থেকে বঞ্চিত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, কর্মজীবী ও জনবসতির বিচ্ছিন্নতার কারণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হয়নি
দেশে কলেরার মুখে খাওয়ার টিকা কর্মসূচির প্রথম ধাপে ৮২.৬ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হলেও ৮ লাখ ৫২ হাজার মানুষের টিকা থেকে বঞ্চিত থেকে যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ৪৮ লাখ ৯৯ হাজার ৪৪০ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য ছিল, কিন্তু টিকা পেয়েছেন মাত্র ৪০ লাখ ৪৭ হাজার ১৮ জন। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলায় সর্বনিম্ন টিকাদান হয়, যেখানে ৩ লাখ ৬০ হাজার মানুষের টিকা থেকে বঞ্চিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলেরার টিকা কর্মসূচির প্রথম ধাপে ৮২.৬ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হলেও ৮ লাখ ৫২ হাজার মানুষের টিকা পাননি
- 📌 নারায়ণগঞ্জে সর্বনিম্ন টিকাদান হয়, যেখানে ১০ লাখ ৩২ হাজার ৯৬৩ জনের মধ্যে মাত্র ৬ লাখ ৭২ হাজার ২৮৭ জন টিকা পেয়েছেন
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সর্বোচ্চ ৯৮.৪ শতাংশ, কিশোরগঞ্জে ৯৪.৮ শতাংশ এবং মুন্সীগঞ্জে ৮০.৮ শতাংশ টিকাদান হয়েছে
- 📌 কর্মসূচি পরিচালনার সময়সূচি ও জনবসতির বিচ্ছিন্নতার কারণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হয়নি
- 📌 গাভি, দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধি দল টিকাদানের অর্জিত হার নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন
📰 বিস্তারিত
গত ২২ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া কলেরার টিকা কর্মসূচির প্রথম ধাপে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলেছে। এই সময়ে ঢাকার সাতটি থানা এবং চার জেলার সাতটি উপজেলাকে কর্মসূচির আওতায় আনা হয়। ঢাকার সাতটি থানা হলো লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী, কামরাঙ্গীরচর, শেরেবাংলা নগর, খিলক্ষেত ও তেজগাঁও। ঢাকার বাইরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর ও নবীনগর, কিশোরগঞ্জের তাড়াইল, করিমগঞ্জ ও হোসেনপুর, মুন্সীগঞ্জ সদর এবং নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ডোজের টিকা পেয়েছেন ৪০ লাখ ৪৭ হাজার ১৮ জন। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সর্বোচ্চ ৯৮.৪ শতাংশ, কিশোরগঞ্জে ৯৪.৮ শতাংশ এবং মুন্সীগঞ্জে ৮০.৮ শতাংশ টিকাদান হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকাদানের হার ৮২.৬ শতাংশ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৭৭.৪ শতাংশ।
কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের প্রত্যাশা ছিল ৯৫ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা। তবে সেই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, এবার এক বছর বা তার বেশি বয়সী সব মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল। সাধারণ টিকাদান কর্মসূচিতে মূলত শিশুদের লক্ষ্য করা হলেও এবার সব বয়সী মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন তুলনামূলক কঠিন হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জে তুলনামূলক কম টিকাদানের কারণ জানতে জেলার সিভিল সার্জন এস এম সাখাওয়াত হোসেনের সাথে যোগাযোগের পরামর্শ দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। সাখাওয়াত হোসেন জানান, তিনি সম্প্রতি দায়িত্ব নেওয়ায় এ বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না। তবে কর্মজীবী মানুষের জন্য টিকাদানের সময়সূচি ও জনবসতির বিচ্ছিন্নতার কারণে টিকাদান ব্যর্থতা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
"এবার এক বছর বা তার বেশি বয়সী সব মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল। সাধারণ টিকাদান কর্মসূচিতে মূলত শিশুদের লক্ষ্য করা হলেও এবার সব বয়সী মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন তুলনামূলক কঠিন হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন এস এম সাখাওয়াত হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২.৬ শতাংশ (লক্ষ্যমাত্রা), ৮ লাখ ৫২ হাজার (টিকা পাননি), ৩ লাখ ৬০ হাজার (নারায়ণগঞ্জে টিকা পাননি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!