📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে

চট্টগ্রামের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পানি জমে থাকা এলাকা পরিষ্কার রাখা ডেঙ্গু প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি এলাকায় মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে তিনি ঘোষণা দেন যে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ঘর-আঙিনা ও আশপাশে পানি জমে থাকলে এডিস মশা বংশবিস্তার করে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব বাড়ায়
  • 📌 মেয়র জানান, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, প্লাস্টিকের বোতল, নির্মাণস্থল ইত্যাদি জায়গায় জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে
  • 📌 চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার হলেও, নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়
  • 📌 এই মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে
  • 📌 মেয়র বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব — সিটি কর্পোরেশন ও নাগরিক উভয়েই দায়িত্বশীল হতে হবে

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি এলাকায় পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারি কার্যক্রমই যথেষ্ট নয় — প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসস্থান ও কর্মস্থলের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করেন যে, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের বোতল, নির্মাণাধীন ভবন ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা স্বচ্ছ পানি এডিস মশার প্রজননস্থল হয়ে দাঁড়ায়।

মেয়র জানান, চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ ছিটানো এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোতে মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস ও ওষুধ প্রয়োগের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, জমে থাকা পানি অপসারণ করুন এবং ডেঙ্গু থেকে নিজে বাঁচুন, অন্যকেও বাঁচান। সম্মিলিত সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে হবে।” তিনি মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছেন।

"ঘর-আঙিনা ও আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে নগরবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। চসিকের পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনকর্মীরা মাঠে কাজ করছেন, কিন্তু নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া এই কার্যক্রম পুরোপুরি সফল করা সম্ভব নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শাহাদাত হোসেন (চসিক মেয়র)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖