📌 শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার শান্তা দাস বলেছেন, বাল্যবিয়ে কিশোরীদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তিনি দারিদ্র্যসীমার নিচের পরিবারগুলোর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্য কর্মশালা করার দাবি করেছেন
সিলেটের একটি ১৩ বছর বয়সী কিশোরীর স্বাস্থ্য ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার শান্তা দাস। তিনি বলেছেন, বাল্যবিয়ে কিশোরীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে এবং এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাল্যবিয়ে কিশোরীদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এবং গর্ভধারণের সময় স্বাস্থ্য জটিলতা সৃষ্টি করে, এমনকি মায়ের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে বলে মনে করেন শান্তা দাস।
- 📌 ১৮ বছরের আগে বিয়ে করলে কিশোরীরা গর্ভধারণের সময় মায়ের মৃত্যুঝুঁকি ৫০% পর্যন্ত বাড়ে এবং শিশুমৃত্যু ও কম ওজন নিয়ে শিশু জন্মের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
- 📌 চিকিৎসকদের ভূমিকা হিসেবে দাবি করা হয়েছে, গ্রামাঞ্চলে এবং শিক্ষার হার কম এলাকায় স্বাস্থ্য কর্মশালা আয়োজন করা এবং বাল্যবিয়ে রোধের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- 📌 দারিদ্র্যসীমার নিচের পরিবারগুলোর আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে বাল্যবিয়ে রোধ করা কঠিন।
📰 বিস্তারিত
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার শান্তা দাস বলেছেন, বাল্যবিয়ে কিশোরীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তিনি বলেন, যখন কিশোরী গর্ভধারণ করে, তখন তার স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায় এবং এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।
বাল্যবিয়ে রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অস্বচ্ছল পরিবারের শিশুদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। শান্তা দাস বলেন, "আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় অনেক বাবা মেয়েকে অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দেন। এটা বাস্তবতা। পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে বাল্যবিয়ের হার কমে আসতে পারে।"
চিকিৎসকদের ভূমিকা হিসেবে তিনি দাবি করেছেন, চিকিৎসকরা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কর্মশালা করতে পারেন। তবে এসব কর্মশালা শহরের মধ্যে করলে হবে না, পৌরসভা বা গ্রাম পর্যায়ে করতে হবে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় শিক্ষার হার কম এবং দারিদ্র্যের হার বেশি, সেসব এলাকায় এ ধরনের কর্মশালা বেশি প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ১৮ বছরের আগে বিয়ে হলে কী ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে, গর্ভধারণে কী কী জটিলতা তৈরি হতে পারে, সন্তান জন্ম দিতে কী ধরনের সমস্যা হতে পারে, এসব বিষয়ে তথ্যভিত্তিক আলোচনা করা দরকার। যেমন, অল্প বয়সে বিয়ের পর কেউ দ্রুত গর্ভধারণ করলে মায়ের মৃত্যুঝুঁকি কতটা বাড়ে, শিশুমৃত্যুর হার কতটা বেশি, কম ওজন নিয়ে শিশু জন্মের হার কত, এসব তথ্য তুলে ধরলে মানুষকে সচেতন করা সহজ হবে।
"সচেতনতার পাশাপাশি অস্বচ্ছল পরিবারের শিশুদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে বাল্যবিয়ে রোধ করা কঠিন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট (১৩ বছর বয়সী প্রতিবেদকের বাসস্থান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শান্তা দাস (শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ বছর (বাল্যবিয়ে রোধের বয়স), ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (প্রকাশনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!