📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিথ্যা বলার পেছনে শিশুর মস্তিষ্কের গোপন বিজ্ঞান: কেন তারা ছোট বয়সেই গল্প বানায়?

মিথ্যা বলার পেছনে শিশুর মস্তিষ্কের গোপন বিজ্ঞান: কেন তারা ছোট বয়সেই গল্প বানায়?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শিশুরা মিথ্যা বলতে পারে বলে অনেকেই ভুল ধারণা রাখেন, কিন্তু বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে এই ক্ষমতা তাদের কগনিটিভ বিকাশের অংশ। কানাডার গবেষণায় দেখা গেছে, দুই বছর বয়স থেকে শিশুরা মিথ্যা বলতে শুরু করে এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই ক্ষমতা আরও উন্নত হয়

বিশ্বাস করা যায় না যে শিশুরা মিথ্যা বলতে পারে। কিন্তু বিজ্ঞান ও গবেষণা প্রমাণ করেছে, শিশুরা মিথ্যা বলার ক্ষমতা তাদের স্বাভাবিক মানসিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাধারণত দুই বছর বয়স থেকেই শিশুরা মিথ্যা বলতে শুরু করে এবং চার বছর বয়সের পর বেশিরভাগ শিশুই এই দক্ষতা অর্জন করে। কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী কাং লি ও তাঁর সহকর্মীরা পরিচালিত একটি গবেষণায় এই বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩০ শতাংশ দুই বছর বয়সী শিশু, ৫০ শতাংশ তিন বছর বয়সী শিশু এবং ৮০ শতাংশ চার বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু মিথ্যা বলতে পারে বলে গবেষণা প্রমাণ করেছে।
  • 📌 শিশুর মিথ্যা বলার ক্ষমতা তাদের কগনিটিভ ডেভেলপমেন্ট বা মানসিক বিকাশের একটি উচ্চস্তরের দক্ষতা, যা মস্তিষ্কের প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স অংশের বিকাশের সাথে জড়িত।
  • 📌 মিথ্যা বলতে গিয়ে শিশুর মস্তিষ্ককে একসাথে স্মৃতি ধরে রাখা, ঘটনার নতুন গল্প বানানো, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যের মন বোঝা — এই সব কাজ করতে হয়, যা একটি জটিল প্রক্রিয়া।
  • 📌 ৩ থেকে ৬ বছর বয়সের মধ্যে শিশুরা এক্সিকিউটিভ ফাংশন বা নির্বাহী ক্ষমতা বিকশিত করে, যা তাদের মিথ্যা বলার ক্ষমতাকে আরও উন্নত করে।
  • 📌 মনোবিজ্ঞানী এরিক এরিকসন বলেছেন, এই বয়সে শিশুরা উদ্যোগ ও অপরাধবোধ নিয়ে দ্বন্দ্ব অনুভব করে, যা তাদের মিথ্যা বলার প্রবণতাকে প্রভাবিত করে।

📰 বিস্তারিত

কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় শিশুদের মিথ্যা বলার ক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়েছিল। গবেষকরা একটি ঘরে শিশুদের নিয়ে গিয়ে বলেছিলেন, ‘তোমার পেছনে একটি খেলনা রাখা আছে, তুমি কিন্তু সেদিকে তাকাবে না’। এরপর শিশুকে একা রেখে গোপন ক্যামেরায় দেখা হয়েছিল যে, সে খেলনাটি দেখেছে কিনা। পরে যখন তাদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ‘তুমি কি খেলনাটা দেখেছ?’ তখন দেখা গেছে, ৩০ শতাংশ দুই বছর বয়সী শিশু, ৫০ শতাংশ তিন বছর বয়সী এবং ৮০ শতাংশ চার বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু মিথ্যা বলেছে।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ছোট শিশুরা মিথ্যা বললেও তাদের খুব সহজেই ধরা পড়ে যায়। যেমন, ‘না, আমি দেখিনি’ বলেই তারা পরমুহূর্তে খেলনার নাম বা বর্ণনা দিয়ে ফেলে। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে তারা নিজেদের মতো গল্প বানাতে শেখে। শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের সাথে এই ক্ষমতা জড়িত, যা তাদের কগনিটিভ ডেভেলপমেন্ট বা মানসিক বিকাশের অংশ।

শিশুর মস্তিষ্কের প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স অংশ, যা মস্তিষ্কের প্রধান ম্যানেজার হিসেবে কাজ করে, এই ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করে। এই অংশের বিকাশের সাথে সাথে শিশুরা এক্সিকিউটিভ ফাংশন বা নির্বাহী ক্ষমতা বিকশিত করে, যা তাদের মিথ্যা বলার ক্ষমতাকে আরও উন্নত করে। মনোবিজ্ঞানী এরিক এরিকসনের মতে, ৩ থেকে ৬ বছর বয়সের শিশুরা উদ্যোগ ও অপরাধবোধ নিয়ে দ্বন্দ্ব অনুভব করে, যা তাদের মিথ্যা বলার প্রবণতাকে প্রভাবিত করে।

"মিথ্যা বলতে গিয়ে শিশুর মস্তিষ্ককে একসাথে অনেকগুলো কাজ করতে হয় — সত্যটা মনে রাখা, ঘটনাটি নতুনভাবে বানানো, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যের মন বোঝা। এই সব কাজ একসাথে করার ক্ষমতা হলো তাদের কগনিটিভ বিকাশের একটি উচ্চস্তরের প্রমাণ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনোবিজ্ঞানী কাং লি, শিশুরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০%, ৫০%, ৮০%, ২ বছর, ৩ থেকে ৬ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖