📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দাবা খেলা শিশুদের মনোযোগের ক্ষমতা বাড়ায়: বিজ্ঞানীরা কী বলছেন?

দাবা খেলা শিশুদের মনোযোগের ক্ষমতা বাড়ায়: বিজ্ঞানীরা কী বলছেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দাবা খেলা শিশুদের গভীর মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই খেলায় প্রতিটি চালের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বিকশিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের শিশুদের মধ্যে দাবা খেলার জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে এবং বয়স কমে যাচ্ছে গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার জন্য।

দাবা খেলা শিশুদের মনোযোগের ক্ষমতা বাড়াতে পারে এবং তাদের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকশিত করতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীরা দাবাকে ‘সক্রিয় শিক্ষা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যেখানে প্রতিটি ভুল ও সঠিক সিদ্ধান্তের ফল সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের একটি ক্লাবে গত জুলাইতে ১২ বছর বয়সী এক কিশোর ২৫ বছর বয়সী একজন দাবারুকে চাপের মুখে পরাজিত করার মতো গভীর মনোযোগ প্রদর্শন করেছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১২ বছর বয়সী কিশোর ৩ ঘণ্টা ধরে মনোযোগ সহকারে দাবা খেলেন** এবং চাপের মুখে বয়স্ক খেলোয়াড়ের ভুল চাল কাজে লাগিয়ে ম্যাচ ড্র করেন।
  • 📌 **দাবা খেলার মাধ্যমে শিশুরা ৫ থেকে ১০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে একাগ্রতা বজায় রাখতে শিখে** এবং প্রতিটি চালের আগে ভাবতে সক্ষম হন।
  • 📌 **১৪ বছর বয়সে সুপার গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছেন** একজন কিশোর, যা দাবা খেলার জনপ্রিয়তা বাড়ানোর একটি প্রতীক।
  • 📌 **যুক্তরাষ্ট্রের ৯ বছর বয়সী শিশুও নিয়মিত দাবা খেলে** এবং পঞ্চম সেরা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেয়েছেন।
  • 📌 **দাবা খেলা মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরি করে**, যা আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহ বাড়ায়।
  • 📌 **স্নায়ুবিজ্ঞানী জুডি উইলিস দাবাকে ‘সক্রিয় শিক্ষা’ বলে মনে করেন**, যেখানে ভিডিও গেম বা খেলাধুলার মতো শিশুরা নিজের ভুল শুধরে উন্নতি করতে পারে।

📰 বিস্তারিত

প্রযুক্তির যুগে মানুষের মনোযোগ কমে যাওয়ার কথা প্রায়শই শোনা যায়। কিন্তু দাবা খেলা এমন একটি খেলা, যা শিশুদের গভীর মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ক্লাবে গত জুলাই মাসে একটি দাবা ম্যাচে ১২ বছর বয়সী একটি কিশোর ২৫ বছর বয়সী একজন দাবারুকে চাপের মুখে পরাজিত করার মতো মনোযোগ প্রদর্শন করেছিলেন। তিন ঘণ্টা ধরে চলা ম্যাচে কিশোরের সময় প্রায় শেষ হয়ে আসছিল, কিন্তু তার মনোযোগে কোনো কমতি ছিল না। চাপের মুখে বয়স্ক খেলোয়াড় ভুল চাল দিয়ে বসলে কিশোরটি তা কাজে লাগিয়ে ম্যাচ ড্র করেন।

দাবা খেলার জনপ্রিয়তা বাড়ছে এবং বয়স কমে যাচ্ছে গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার জন্য। সম্প্রতি মাত্র ১৪ বছর বয়সে একজন কিশোর সুপার গ্র্যান্ডমাস্টারের মর্যাদা পেয়েছেন। এছাড়া, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার জন্য লড়ছেন ২০ বছর বয়সী দুজন গ্র্যান্ডমাস্টার। যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম সেরা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেয়েছেন ৯ বছর বয়সী একজন শিশু, যিনি নিয়মিত লস অ্যাঞ্জেলেসে দাবা খেলেন।

দাবা খেলার সঙ্গে মনোযোগ ধরে রাখার সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করেছেন স্নায়ুবিজ্ঞানী ও শিক্ষক জুডি উইলিস। তিনি দাবাকে ‘সক্রিয় শিক্ষা’ বলে মনে করেন। তিনি বলেন, ভিডিও গেম, বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা খেলাধুলার মতো দাবাতেও ভুল করলে সঙ্গে সঙ্গে তার ফল দেখা যায়। ফলে শিশুরা নিজের ভুল শুধরে ধাপে ধাপে উন্নতি করতে পারে। দাবায় প্রতিটি চালের আগে শিশুরা একটু থামতে ও ভাবতে শেখে। এটি তাদের সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বিকশিত করতে সাহায্য করে।

দাবা খেলা মস্তিষ্কে ডোপামিন নামের একটি রাসায়নিক তৈরি করে, যা আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহ বাড়ায়। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, দাবা খেলা শুরু করা সহজ এবং দিনে দিনে নিজের উন্নতি দেখা যায়। দাবা খেলার আনন্দই শিশুদের দাবার প্রতি আগ্রহী করে তোলে। তবে জোর করে বা টাকাপয়সার লোভে ফেলে ভালো দাবাড়ু বানানো যায় না। এর জন্য মনের ভেতর থেকে ভালোবাসা ও আগ্রহ থাকতে হয়।

"দাবা সব শিক্ষাগত সমস্যার কোনো জাদুকরি সমাধান নয়। তবে এটি শিশুদের তরুণ মস্তিষ্কের বিশেষ একটি চাহিদা পূরণ করে। দাবায় প্রতিটি চালেই খেলোয়াড়কে নতুন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, যা শিশুদের চিন্তা করতে সাহায্য করে।"
"মনোযোগ দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে আগ্রহ বা অনুপ্রেরণা। দাবা খেলা মস্তিষ্ককে কাজ করার নতুন প্রেরণা দেয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ক্যালিফোর্নিয়া (যুক্তরাষ্ট্র), লস অ্যাঞ্জেলেস (যুক্তরাষ্ট্র)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ১২ বছর বয়সী কিশোর, ২৫ বছর বয়সী দাবারু, মাইক ক্লেইন, জুডি উইলিস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর, ২৫ বছর, ৩ ঘণ্টা, ১৪ বছর, ২০ বছর, ৯ বছর, ১৫ বছর, ৫-১০ মিনিট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖