📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের পাইপলাইন পানিতে ক্যানসার-জনিত রাসায়নিক: ওয়াসা পরীক্ষা না করায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে

চট্টগ্রামের পাইপলাইন পানিতে ক্যানসার-জনিত রাসায়নিক: ওয়াসা পরীক্ষা না করায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম ওয়াসার সরবরাহকৃত পানিতে ক্ষতিকর রাসায়নিক ট্রাইহ্যালোমিথেন (টিএইচএম) পাওয়া গেছে। গবেষণা অনুযায়ী প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে ৪২৬ জনের অতিরিক্ত ক্যানসার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ওয়াসা নিয়মিত পরীক্ষা না করায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে

চট্টগ্রামের পাইপলাইন পানিতে ক্যানসার-জনিত ক্ষতিকর রাসায়নিক ট্রাইহ্যালোমিথেন (টিএইচএম) উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও ওয়াসা নিয়মিত পরীক্ষা না করায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। গবেষকদের নতুন মাঠভিত্তিক অধ্যয়নে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম ওয়াসার সরবরাহকৃত পানিতে চার ধরনের টিএইচএমের উপস্থিতি রয়েছে। গরমের সময় এই রাসায়নিকের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্ণফুলী পানি সরবরাহ এলাকার ১০টি অংশ থেকে সংগ্রহ করা ১২০টি পানি নমুনায় টিএইচএমের উপস্থিতি পাওয়া গেছে
  • 📌 প্রতি লিটারে ৩১.৫ থেকে ৫২.৯ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত টিএইচএমের মাত্রা পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ক্লোরোফর্ম সবচেয়ে বেশি (৬০ শতাংশ)
  • 📌 গবেষণা অনুযায়ী প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে ৪২৬ জনের অতিরিক্ত ক্যানসার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে
  • 📌 পানি শোধনে ক্লোরিন ব্যবহার বন্ধ করা যাবে না, তবে জৈব পদার্থ কমিয়ে টিএইচএমের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
  • 📌 ওয়াসা গবেষণার প্রশ্নে জবাব দিতে ব্যর্থ হয়েছে

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে গবেষকদের একটি দল চট্টগ্রাম ওয়াসার সরবরাহকৃত পানির নমুনা পরীক্ষা করেছেন। তারা কর্ণফুলী পানি সরবরাহ এলাকার ১০টি অংশ থেকে মোট ১২০টি পানি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছেন। গবেষণায় চার ধরনের টিএইচএম পাওয়া গেছে — ক্লোরোফর্ম, ব্রোমোডাইক্লোরোমিথেন, ডাইব্রোমোক্লোরোমিথেন ও ব্রোমোফর্ম। এর মধ্যে ক্লোরোফর্মের মাত্রা সবচেয়ে বেশি ছিল, মোট টিএইচএমের প্রায় ৬০ শতাংশ। গরমের সময় নমুনায় প্রতি লিটারে ৭০ মাইক্রোগ্রামের বেশি টিএইচএমের মাত্রা পাওয়া গেছে, যেখানে শীতকালে মাত্রা তুলনামূলক কম ছিল।

গবেষকদের মতে, পানিতে টিএইচএমের উপস্থিতি পানি জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহৃত ক্লোরিনের সাথে নদীর পানিতে থাকা প্রাকৃতিক জৈব পদার্থের বিক্রিয়ায় তৈরি হয়। এই রাসায়নিকের দীর্ঘদিন গ্রহণ করলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে প্রতি বছর আনুমানিক ৪২৬ জনের অতিরিক্ত ক্যানসার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে গবেষকরা সতর্ক করেছেন, এই সংখ্যা ক্যানসার হওয়ার নিশ্চিত সংখ্যা নয়, বরং ঝুঁকির অনুমান।

গবেষকদের দাবি, চট্টগ্রামে সরাসরি পাইপলাইনের পানি পরীক্ষা করে টিএইচএমের উপস্থিতি ও এর সঙ্গে সম্পর্কিত ক্যানসারের ঝুঁকি নিয়ে এটিই প্রথম মাঠভিত্তিক গবেষণা। গবেষণাটি চলতি বছরের জুনে নেদারল্যান্ডসের জার্নাল অব এনভায়রনমেন্টাল কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারী চুয়েটের অধ্যাপক মোছা. ফারজানা রহমান বলেছেন, পানি শোধনে ক্লোরিন ব্যবহার বন্ধ করা যাবে না, তবে শোধনের সময় পানিতে জৈব পদার্থ কমিয়ে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লোরিন ব্যবহার করতে হবে। তিনি আরও বলেছেন, নিয়মিত টিএইচএম পরীক্ষা করা এবং বাংলাদেশে টিএইচএমের মানদণ্ড স্থাপন করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

"ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করতে ক্লোরিন প্রয়োজন। তাই টিএইচএম পাওয়া গেছে বলে পানি শোধনে ক্লোরিন ব্যবহার বন্ধ করা যাবে না; বরং শোধনের সময় পানিতে জৈব পদার্থ কমানো, প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লোরিন ব্যবহার এবং নিয়মিত টিএইচএম পরীক্ষা করা দরকার।"

গবেষকরা আরও উল্লেখ করেছেন, মানুষ শুধু পানি পানের মাধ্যমে টিএইচএমের সংস্পর্শে আসে না। গোসল, রান্না বা পানি ব্যবহারের সময় এটি বাতাসে ছড়িয়ে শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে যেতে পারে। ত্বকের মাধ্যমেও এটি শরীরে প্রবেশ করতে পারে। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, পানি পানের মাধ্যমে ক্যানসারের সম্ভাব্য ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্ণফুলী পানি সরবরাহ এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মোছা. ফারজানা রহমান, গবেষক ফারজানা খান, মো. দেলোয়ার হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০টি পানি নমুনা, ১০টি এলাকা, প্রতি ১০ লাখে ৪২৬ জন ঝুঁকি, ৬০ শতাংশ ক্লোরোফর্ম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖