📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, কৈশোরকালীন প্রজনন স্বাস্থ্য ও মানসিক সুরক্ষায় সামাজিক ট্যাবু ভাঙতে হবে। তিনি ১১তম জাতীয় যুব সম্মেলনে বলেন, কিশোর-কিশোরীদের জন্য তথ্য ও সেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করতে হবে
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, কৈশোরকালীন প্রজনন স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে সামাজিক ট্যাবু ভাঙতে হবে। তিনি জানান, কিশোর-কিশোরীদের জন্য তথ্য ও সেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করতে হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ১১তম জাতীয় যুব সম্মেলন অন হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার’-এর অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে সামাজিক ট্যাবু ভাঙতে হবে** — স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের দাবি
- 📌 **দেশের প্রতি পাঁচ জনের একজন কিশোর-কিশোরী** — তাদের সুস্থ ও সক্ষম নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রজনন স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে
- 📌 **১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক জাতীয় ক্যাম্পেইন** — বাল্যবিবাহ ও পারিবারিক সহিংসতার ‘হটস্পট’ এলাকায় লক্ষ্যভিত্তিক কর্মসূচি নেওয়া হবে
- 📌 **কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে সতর্কতা** — তরুণরা তথ্য যাচাই না করেই এআই থেকে তথ্য নিচ্ছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ
- 📌 **কিশোর-কিশোরীদের প্রশ্ন করার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে** — বর্তমানে ‘বেয়াদব’ আখ্যা দিয়ে তাদের প্রশ্ন থামিয়ে দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, কৈশোরে শারীরিক পরিবর্তন ও প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কৌতূহল স্বাভাবিক হলেও সামাজিক ট্যাবু ও লোকলজ্জার কারণে কিশোর-কিশোরীরা তথ্যের জন্য কোনো উৎস খুঁজে পায় না। তিনি উল্লেখ করেন, মানসিক ট্রমা ও পারিবারিক সহিংসতা তাদের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করে। এসব বিষয় চেপে রাখলে সমস্যা আরও বাড়ে। তিনি বলেন, প্রশ্ন করলেই সন্তানদের ‘বেয়াদব’ আখ্যা দিয়ে থামিয়ে দেওয়ার প্রবণতা থেকে সমাজকে বেরিয়ে আসতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবার সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে কিশোর-কিশোরীদের মানসিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে। তিনি জানান, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ ও কর্মসূচি পরিবারকেন্দ্রিক হতে হবে। কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে বড় পরিসরে ক্যাম্পেইন শুরু হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে বাল্যবিবাহ ও পারিবারিক সহিংসতার ‘হটস্পট’ এলাকায় লক্ষ্যভিত্তিক বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণও নিশ্চিত করা হবে।’
কিশোর-কিশোরীদের প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, যথাযথ কাউন্সেলিং ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস না থাকায় তরুণেরা বিভিন্ন বিষয়ে জানতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বা চ্যাটজিপিটির সহায়তা নিচ্ছে। তিনি জানান, প্রাথমিক ধারণা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার ইতিবাচক হলেও একাধিক নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।
"প্রশ্ন করলেই সন্তানদের ‘বেয়াদব’ আখ্যা দিয়ে থামিয়ে দেওয়ার প্রবণতা থেকে সমাজকে বেরিয়ে আসতে হবে। তরুণদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা এবং তাদের প্রশ্ন করার স্বাধীনতা দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১তম জাতীয় যুব সম্মেলন, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১ ডিসেম্বর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!