📌 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ক্যানসার রোগীদের একক ছাতার নিচে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ও গবেষণা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সমন্বিত ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেছেন, আধুনিক প্রযুক্তি, উচ্চতর শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসার মান উন্নত করা হবে
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ক্যানসার রোগীদের একক ছাতার নিচে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ও গবেষণা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সমন্বিত ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী আজ রোববার ‘বাংলাদেশের ক্যানসার শিক্ষা, গবেষণা ও সেবার অগ্রগতি: বিএমইউর ভিশন ও নেতৃত্ব’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এই পরিকল্পনার কথা জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএমইউতে সমন্বিত ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী।
- 📌 আধুনিক অবকাঠামো, উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- 📌 প্রিসিশন মেডিসিন, মলিকুলার টার্গেটেড চিকিৎসা ও জেনেটিক বিশ্লেষণ সহ আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার বাংলাদেশে সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 📌 রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ব্যয়ের বাস্তবতা বুঝিয়ে পরিবারকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য উপাচার্য সতর্ক করেছেন।
- 📌 জর্দা, গুল ও পানের মতো ধোঁয়াবিহীন তামাকের ব্যবহার মুখগহ্বরের ক্যানসারের বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ডেন্টাল অনুষদের ডিন ডা. সাখাওয়াত হোসেন।
📰 বিস্তারিত
বিএমইউর উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেছেন, ‘ক্যানসার চিকিৎসায় বিশ্বজুড়ে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। প্রিসিশন মেডিসিন, মলিকুলার টার্গেটেড চিকিৎসা ও জেনেটিক বিশ্লেষণের মতো আধুনিক পদ্ধতি বাংলাদেশে কতটা সহজলভ্য করা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে। দেশের সব স্তরের রোগীর কাছে আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে বিএমইউকে এগোতে হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ভিত্তি শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা ও গবেষণা। এমএস ও এমডি শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যতের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ তৈরি করা হচ্ছে। তবে উপাচার্য জানান, একাডেমিক গবেষণা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ কাজের ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। এসব চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় বিএমইউকে ক্যানসার চিকিৎসার উৎকর্ষকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি প্রতীক ইজাজ বলেন, ‘ক্যানসার চিকিৎসার সংকট মোকাবিলায় চিকিৎসকদের দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকা জরুরি। রেডিওথেরাপির ব্যয়বহুল যন্ত্র অব্যবহৃত পড়ে থাকার মতো ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ দেখা যায়।’ তিনি স্বাস্থ্য সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনার প্রস্তাব দেন।
ডেন্টাল অনুষদের ডিন ডা. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘জর্দা, গুল ও পানের মতো ধোঁয়াবিহীন তামাকের ব্যবহার মুখগহ্বরের ক্যানসারের বড় ঝুঁকি। দক্ষ জনবল ও প্রয়োজনীয় উপকরণের ঘাটতি থাকায় এ ক্ষেত্রে প্রতিরোধ ও সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন, বিএমইউর ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
"ক্যানসার চিকিৎসায় বিশ্বজুড়ে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। প্রিসিশন মেডিসিন, মলিকুলার টার্গেটেড চিকিৎসা ও জেনেটিক বিশ্লেষণের মতো আধুনিক পদ্ধতি বাংলাদেশে কতটা সহজলভ্য করা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ), ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, প্রতীক ইজাজ, ডা. সাখাওয়াত হোসেন, ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন, ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (সমন্বিত ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিকল্পনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!