📌 বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএসআরআই) নতুন আখ জাত 'ব্ল্যাক রুবি' অবমুক্ত করেছে। এই আখের রসালো, নরম, ডায়াবেটিক-বান্ধব এবং প্রচলিত আখের চেয়ে বেশি পুষ্টিকর। কৃষকদের মধ্যে চাষের আগ্রহ বাড়ছে
বাংলাদেশে একটি নতুন আখ জাত 'ব্ল্যাক রুবি' অবমুক্ত করেছে বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএসআরআই)। এই আখের বৈশিষ্ট্য হলো রসালো, নরম, চিবোতে আরামদায়ক এবং ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপযুক্ত। গবেষকরা বলছেন, এই আখের জিআই (জাইমা ইন্ডেক্স) মাত্র ৪০, যা প্রচলিত আখের তুলনায় অনেক কম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্ল্যাক রুবি নামের নতুন আখ জাত অবমুক্ত করেছে বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএসআরআই)।
- 📌 এই আখের জিআই (জাইমা ইন্ডেক্স) মাত্র ৪০, যা ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য নিরাপদ।
- 📌 রসালো, নরম, চিবোতে সহজ এবং প্রচলিত আখের চেয়ে বেশি ক্যালসিয়াম, জিংক ও আয়রন ধারণ করে।
- 📌 ১০-১১ মাসে ১৬-১৮ ফুট লম্বা হয়ে ওঠে এবং রসে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ কম।
- 📌 ফিলিপাইন জাতের কালো আখ হিসেবে পরিচিত, তবে বাংলাদেশে গবেষণার মাধ্যমে নতুন নামকরণ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএসআরআই) আখের মোট ৪৯টি জাত অবমুক্ত করেছে, যার মধ্যে সর্বশেষ হলো 'ব্ল্যাক রুবি'। এই আখের নামকরণের কারণ জানতে গিয়ে বিএসআরআই-এর প্রজনন বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডঃ মোঃ আনিছুর রহমান বলেছেন, "নামটা পপুলার হবে আর এই আখের কালারটা অনেকটা ডিপ পার্পল। সব মিলিয়ে এই নামেই রিলিজ হলো।" তিনি আরও বলেন, "তবে যখন কোনো নতুন জাত রিলিজ বা অবমুক্ত করা হয় তখন সেটির জন্য জনপ্রিয় হতে পারে এমন কোনো নাম তারা নির্বাচন করার চেষ্টা করেন। আমরা আখের এই জাতটি রিলিজের সময় নাম দিয়েছিলাম ব্ল্যাক রুবি।"
ব্ল্যাক রুবি আখের বৈশিষ্ট্য হলো রসালো, নরম এবং চিবোতে খুবই আরামদায়ক। এছাড়া এই আখের রসে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে কম। ডঃ আনিছুর রহমান বলেন, "দাঁত দিয়ে চিবানো খুবই সহজ। এমনকি গিটসহ এটি চিবিয়ে খাওয়া যায়। আবার ক্যালসিয়াম, জিংক ও আয়রনের পরিমাণও প্রচলিত অন্য যে কোনো জাতের আখের চেয়ে বেশি।" তিনি মনে করেন, এই আখের জুস বাজারজাত করা গেলে শিশুরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে।
বাংলাদেশে আখের চাষের ইতিহাস প্রাচীন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে আখের উৎপাদন ছিল প্রায় ২১ লাখ টন। তবে ব্ল্যাক রুবি আখের উচ্চতা সাধারণ আখের তুলনায় দ্বিগুণ — প্রায় ১৬-১৮ ফিট। এই আখের দণ্ডের রং হালকা বেগুনি, সবুজ বা হলদে সবুজ হতে পারে। কৃষকদের মধ্যে এই আখের চাষের আগ্রহ বাড়ছে, কারণ এটি অল্প সময়ের ভিতরেই কাটার উপযোগী হয়।
"দাঁত দিয়ে চিবানো খুবই সহজ। এমনকি গিটসহ এটি চিবিয়ে খাওয়া যায়। আবার ক্যালসিয়াম, জিংক ও আয়রনের পরিমাণও প্রচলিত অন্য যে কোনো জাতের আখের চেয়ে বেশি,"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বিশেষত উত্তরাঞ্চল উপযোগী)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডঃ মোঃ আনিছুর রহমান (বিএসআরআই)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ লাখ টন (গত অর্থবছরের আখ উৎপাদন), ৪৯টি (বিএসআরআই অবমুক্ত আখ জাত), ৪০ (জিআই), ১৬-১৮ ফিট (ব্ল্যাক রুবি আখের উচ্চতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!