📌 বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির সফলতা ও এর পেছনের সরকারি প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা তছলিম উদ্দিন খান। ১৯৭৫ সাল থেকে এসএমসি, সরকারি কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে টিএফআর কমিয়ে ২.৩-এ নিয়ে আসা হয়েছে
বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির সফলতা ও এর পেছনের সরকারি প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা তছলিম উদ্দিন খান। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার পরপরই সরকার বুঝতে পেরেছিল যে জনসংখ্যা বৃদ্ধি দেশের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে। সিঙ্গাপুর ছাড়া বিশ্বে এত জনঘনত্বের দেশ আর নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশ সরকার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণকে দেশের নম্বর ওয়ান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি শুরু করে
- 📌 ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এসএমসি (সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি) রাজা কনডম ও মায়া বড়ি বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচিতে বিপুল ভূমিকা রাখে
- 📌 ১৯৯৩-৯৪ সালে মোট প্রজননের হার (টিএফআর) কমে ৩.৪-এ, ২০২২ সালে আরও কমে ২.৩-এ দাঁড়ায়
- 📌 সরকারি কর্মকর্তা, দাতা সংস্থা ও এনজিওর সহযোগিতায় কর্মসূচি সফল হয়, যেখানে ৭২% দম্পতি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করে
- 📌 বাংলাদেশের পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে আন্তর্জাতিকভাবে সফল হিসেবে প্রশংসা করা হয়
📰 বিস্তারিত
স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশ সরকার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে জোর দিতে শুরু করে। তছলিম উদ্দিন খান বলেন, “আমাদের দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ছিল একটি বড় চাপ। প্রজননক্ষম নারীরা গড়ে ছয়টি সন্তান জন্ম দিচ্ছিলেন। সরকারের উদ্যোগে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং মাঠকর্মীদের মাধ্যমে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণ শুরু হয়।”
১৯৭৫ সালে এসএমসি সরকারের সাথে যুক্ত হয় এবং শুরুতে এটি ছিল একটি প্রকল্প। ১৯৯০ সালে এটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গঠিত হয়। তখন থেকে এসএমসি রাজা কনডম ও মায়া বড়ি বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকারের এই প্রচেষ্টায় দাতা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানও যুক্ত হয়।
তছলিম উদ্দিন খান বলেন, “বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে প্রচার করা হতো। সারা দেশে বড় বড় সাইনবোর্ডে রাজা কনডম ও মায়া বড়ির বিজ্ঞাপন ছিল। মাঠকর্মীরা নিয়মিত বাড়ি বাড়ি যেতেন এবং দম্পতিদের জন্মনিয়ন্ত্রণ বিষয়ে পরামর্শ দিতেন। এতে কর্মসূচির ‘মোমেন্টাম’ তৈরি হয়।”
"আমাদের দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ছিল একটি বড় চাপ। প্রজননক্ষম নারীরা গড়ে ছয়টি সন্তান জন্ম দিচ্ছিলেন। সরকারের উদ্যোগে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং মাঠকর্মীদের মাধ্যমে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণ শুরু হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তছলিম উদ্দিন খান (পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: টিএফআর ৬.৫ থেকে কমে ২.৩ (২০২২), সিপিআর ৭২%
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!