📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শ্রোডিঙ্গার কর্তৃক নোবেল মনোনীত হলেও পুরস্কার পাননি এই বাঙালি নারী পদার্থবিদ

শ্রোডিঙ্গার কর্তৃক নোবেল মনোনীত হলেও পুরস্কার পাননি এই বাঙালি নারী পদার্থবিদ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোবেল পুরস্কারের মনোনয়ন পেয়েছিলেন শ্রোডিঙ্গার কর্তৃক, কিন্তু পুরস্কার পাননি বাঙালি নারী পদার্থবিদ বিভা চৌধুরী। পাই-মেসন কণার আবিষ্কার ও মহাজাগতিক রশ্মি গবেষণায় তাঁর অবদান ছিল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত

বাঙালি বিজ্ঞানী বিভা চৌধুরীকে নোবেল পুরস্কারের মনোনয়ন দিয়েছিলেন বিখ্যাত পদার্থবিদ এরউইন শ্রোডিঙ্গার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরস্কারটি পান ব্রিটিশ বিজ্ঞানী সি এফ পাওয়েল। ১৯৫০ সালের নোবেল পুরস্কারের জন্য শ্রোডিঙ্গার ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী বিভা চৌধুরী ও তাঁর সহ-গবেষক দেবেন্দ্রমোহন বসুকে মনোনীত করেছিলেন। পাই-মেসন কণার আবিষ্কার ও মহাজাগতিক রশ্মি গবেষণায় তাঁদের অবদান স্বীকৃতির পাত্র হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৫০ সালের নোবেল মনোনয়ন পেয়েছিলেন বিভা চৌধুরী, কিন্তু পুরস্কার পাননি। শ্রোডিঙ্গার তাঁকে মনোনীত করেছিলেন পাই-মেসন কণার আবিষ্কার ও মহাজাগতিক রশ্মি গবেষণার জন্য।
  • 📌 মহাজাগতিক রশ্মি গবেষণায় বিভা চৌধুরী ও দেবেন্দ্রমোহন বসু হিমালয়, দার্জিলিং ও সান্দাকফুতে গবেষণা চালিয়েছিলেন।
  • 📌 ১৯৪৮ সালে ‘ম্যানচেস্টার হেরাল্ড’-এ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “নারীরা পদার্থবিদ্যায় ভয় পায়—এই সমস্যা দূর করতে হবে”।
  • 📌 ১৯১৩ সালে কলকাতায় জন্ম নেওয়া বিভা চৌধুরী ছিলেন বাঙালি পরিবারের একমাত্র নারী পদার্থবিদ। তাঁর বাবা ছিলেন চিকিৎসক বঙ্কু বিহারি চৌধুরী।
  • 📌 টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে (টিআইএফআর) যোগদান করেন ১৯৪৯ সালে। তিনি ছিলেন টিআইএফআরের প্রথম নারী ফ্যাকাল্টি সদস্য।

📰 বিস্তারিত

বাঙালি বিজ্ঞানী বিভা চৌধুরীকে নোবেল পুরস্কারের মনোনয়ন দিয়েছিলেন বিখ্যাত পদার্থবিদ এরউইন শ্রোডিঙ্গার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরস্কারটি পান ব্রিটিশ বিজ্ঞানী সি এফ পাওয়েল। ১৯৫০ সালের নোবেল পুরস্কারের জন্য শ্রোডিঙ্গার ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী বিভা চৌধুরী ও তাঁর সহ-গবেষক দেবেন্দ্রমোহন বসুকে মনোনীত করেছিলেন। পাই-মেসন কণার আবিষ্কার ও মহাজাগতিক রশ্মি গবেষণায় তাঁদের অবদান স্বীকৃতির পাত্র হয়নি।

বিভা চৌধুরী ১৯১৩ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর বাবা ছিলেন চিকিৎসক বঙ্কু বিহারি চৌধুরী। শৈশবে বিজ্ঞানের প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয়। মাত্র ৯ বছর বয়সে তাঁর বাবা জগদীশচন্দ্র বসুর গবেষণার কথা বলেছিলেন, যা তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। বেথুন স্কুলে পড়াশোনা শেষে তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজে পদার্থবিদ্যায় অধ্যয়ন করেন। ১৯৩৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর ব্যাচে তিনি ছিলেন একমাত্র নারী শিক্ষার্থী।

গবেষণায় নারীদের জন্য সীমিত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বিভা চৌধুরী নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। তিনি পদার্থবিদ দেবেন্দ্রমোহন বসুর অধীনে গবেষণার চেষ্টা করেন। বসুর ধারণা ছিল, পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণাগারে নারীদের তেমন কোনো কাজ নেই। কিন্তু বিভা নিজের জায়গা তৈরি করতে থাকেন। মহাজাগতিক রশ্মি নিয়ে গবেষণা ছিল পদার্থবিদ্যার একটি উদীয়মান ক্ষেত্র। তিনি ও বসু হিমালয়ের বিভিন্ন উঁচু এলাকা, দার্জিলিং ও সান্দাকফুতে গবেষণা চালান। ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত তাঁরা ‘নেচার’ সাময়িকীতে মেসোট্রন শাওয়ার এবং মেসোট্রনের ভর নির্ণয়ের পদ্ধতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন।

১৯৪৫ সালে বিভা ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সেখানে তিনি পদার্থবিদ প্যাট্রিক এম ব্ল্যাকেটের অধীনে কাজ করেন। ব্ল্যাকেট ১৯৪৮ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পান। ম্যানচেস্টারে বিভা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে মহাজাগতিক রশ্মির সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ায় তৈরি বৃহৎ এয়ার শাওয়ার নিয়ে ডক্টরাল গবেষণা করেন। তবে বৈজ্ঞানিক পরিচিতি বাড়লেও তাঁর পেশাজীবন সহজ ছিল না। যুদ্ধ ও সীমিত গবেষণা অবকাঠামো তাঁকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছিল।

"নারীরা পদার্থবিদ্যাকে ভয় পান—এটাই সমস্যা। আজ আমাদের নারী পদার্থবিদের সংখ্যা এত কম, এটা দুঃখজনক।"

১৯৪৮ সালে ‘ম্যানচেস্টার হেরাল্ড’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিভা চৌধুরী এই কথা বলেছিলেন। তাঁর কথাটি বাঙালি সমাজের নারী শিক্ষার বিরলতা ও তাঁর নিজের সংগ্রামময় জীবনের প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৯৪৯ সালে ভারতে ফিরে তিনি টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে (টিআইএফআর) যোগ দেন। হোমি জে ভাবা তাঁকে নির্বাচিত করেন। টিআইএফআরের প্রথম নারী ফ্যাকাল্টি সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫৩ সালে টিআইএফআর ছেড়ে তিনি প্যারিসের সেন্টার ন্যাশনাল দ্য লা রিশের্শ সায়েন্টিফিকের গবেষণাগারে কাজ শুরু করেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, ম্যানচেস্টার, ভারতে, হিমালয়, দার্জিলিং, সান্দাকফু, প্যারিস
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিভা চৌধুরী, দেবেন্দ্রমোহন বসু, এরউইন শ্রোডিঙ্গার, সি এফ পাওয়েল, প্যাট্রিক এম ব্ল্যাকেট, হোমি জে ভাবা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯১৩ (জন্মবছর), ১৯৩৬ (স্নাতকোত্তর ডিগ্রি), ১৯৪৫ (ম্যানচেস্টারে যাওয়া), ১৯৪৮ (ম্যানচেস্টার হেরাল্ড সাক্ষাৎকার), ১৯৪৯ (টিআইএফআরে যোগদান), ১৯৫০ (নোবেল মনোনয়ন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖