📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে শিশুদের টিকাদান ব্যবস্থায় বিপদসূচক অবনতি: পূর্ণ সুরক্ষিত শিশুর হার ৮২.৩% থেকে নেমে ৮১.৬%

বাংলাদেশে শিশুদের টিকাদান ব্যবস্থায় বিপদসূচক অবনতি: পূর্ণ সুরক্ষিত শিশুর হার ৮২.৩% থেকে নেমে ৮১.৬%

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একটি যৌথ মূল্যায়ন দল বাংলাদেশের টিকাদান ব্যবস্থায় সতর্কতা জানিয়েছে। পূর্ণ সুরক্ষিত শিশুর হার কমে ৮১.৬% এ নেমেছে। টিকার কোল্ড চেইন, জনবল সংকট ও জাতীয় টিকানীতির অভাবকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনিসেফ ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলির একটি যৌথ বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশের টিকাদান ব্যবস্থায় সতর্কতা জানিয়েছে। তারা বলেছেন, দেশে পূর্ণ সুরক্ষিত শিশুর হার দ্রুত কমছে এবং হামের মতো সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। মূল্যায়ন দলের নেতৃত্বে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)-এর প্রাক্তন বিশেষজ্ঞ ক্যাটরিনা ক্রেটসিঙ্গার।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পূর্ণ সুরক্ষিত শিশুর হার ২০১৬ সালের ৮২.৩% থেকে নেমে এসেছে ৮১.৬% এ। ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী এই হার ৮৩.৯% থেকে কমেছে।
  • 📌 ৭০ জন বিশেষজ্ঞ (ডব্লিউএইচও, ইউনিসেফ, গ্যাভি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্যবিদ) বাংলাদেশের টিকাদান ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে বলেছেন, কোনো জাতীয় টিকানীতির অনুমোদন নেই। ২০১৩ সালে তৈরি খসড়া নীতিও অনুমোদিত হয়নি।
  • 📌 টিকার কোল্ড চেইন ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। কোনো কোনো স্থানে টিটেনাস-ডিফথেরিয়া (টিডি) টিকা জমাট বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থায় অসংগতি রয়েছে।
  • 📌 ইপিআই (ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন)তে জনবলসংকটের কারণে ৩০-৪০% পদ শূন্য। স্বাস্থ্য সহকারী, পরিদর্শক, ডেটা কর্মী, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টসহ বিভিন্ন পদে কর্মকর্তা অভাব রয়েছে।
  • 📌 দুর্বল স্থানীয় পরিকল্পনা কারণে প্রতিবছর ১৫-২০% শিশু টিকাদান থেকে বাদ পড়ে। প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ইপিআইয়ের প্রস্তুতি কাঙ্ক্ষিত মাত্রার চেয়ে কম।

📰 বিস্তারিত

বিশেষজ্ঞ দলের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের টিকাদান ব্যবস্থায় বৈশ্বিক স্বীকৃতি ও পুরস্কার থাকলেও, বর্তমান অবস্থা বিপদসূচক। তারা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকে বর্তমান বিএনপি সরকারের আমলে টিকা কর্মসূচির কার্যক্রম পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কোনো সরকারের সময়ই টিকাদান ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।

মূল্যায়ন দলের সদস্যরা বলেছেন, টিকার কোল্ড চেইন ব্যবস্থায় অসংগতি রয়েছে। কোনো কোনো স্থানে টিকা জমাট বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে, কোথাও টিকার ব্যবহারযোগ্যতা দ্বিতীয় স্তরে নেমে এসেছে। তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থায় অসংগতি থাকায় টিকার কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে।

ইপিআইয়ের জনবলসংকটের কারণে ৩০-৪০% পদ শূন্য রয়েছে। স্বাস্থ্য সহকারী, পরিদর্শক, ডেটা কর্মী, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, স্টোরকিপার, কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ান, পোর্টারসহ বিভিন্ন পদে কর্মকর্তা অভাব রয়েছে। এই জনবল সংকটের কারণে টিকাদানের স্থানীয় পরিকল্পনা, বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করা ও টিকা সংরক্ষণ তদারকি ব্যাহত হচ্ছে।

মূল্যায়ন দলের নেতা ক্যাটরিনা ক্রেটসিঙ্গার বলেছেন, দেশে কোনো জাতীয় টিকানীতির অনুমোদন নেই। ২০১৩ সালে তৈরি খসড়া নীতিও অনুমোদিত হয়নি। তিনি বলেছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হামের মতো সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

"বাফার স্টক"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সোনারগাঁও হোটেল, ঢাকা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্যাটরিনা ক্রেটসিঙ্গার (মূল্যায়ন দলের নেতা), ৭০ জন বিশেষজ্ঞ (ডব্লিউএইচও, ইউনিসেফ, গ্যাভি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা:
    • পূর্ণ সুরক্ষিত শিশুর হার: ৮১.৬% (২০২৬)
    • ২০১৬ সালের হার: ৮২.৩%
    • বাদ পড়া শিশু: ১৫-২০% প্রতিবছর
    • ইপিআইয়ে শূন্য পদ: ৩০-৪০%
    • মূল্যায়ন দলের সদস্য: ৭০ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖