📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের টিকাদান সংকট: ডব্লিউএইচও সতর্কবার্তা

হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের টিকাদান সংকট: ডব্লিউএইচও সতর্কবার্তা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে টিকাদানের ঘাটতি ও তথ্যব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে ২ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। ১ হাজার ১৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার ৯৪% শিশু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানের হার ৯৫% নিচে নেমে গেলে রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ে

বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাবের মুখে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা সংকটের মুখে পড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্কবার্তা জারি করেছে যে, টিকাদানের ঘাটতি ও তথ্যব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এই রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। গত ৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে প্রায় ২ লাখ ২ হাজার ব্যক্তির শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে, যার মধ্যে পরীক্ষাগারে ২২ হাজার জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ বছর বিশ্বের অন্য কোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে হামের রোগীর সংখ্যা সর্বাধিক।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ২ লাখ ২ হাজার ব্যক্তির শরীরে, যার মধ্যে ২২ হাজার জনের পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হয়েছে
  • 📌 ১ হাজার ১৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার ৯৪ শতাংশ পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু
  • 📌 ডব্লিউএইচও বলছে, টিকাদানের হার ৯৫ শতাংশের নিচে নেমে গেলে রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ে
  • 📌 ২০২৫ সালে টিকাদান কর্মসূচিতে ছন্দপতন ঘটে, যা হামের প্রাদুর্ভাবকে তীব্র করেছে
  • 📌 সিলেটের সাতটি গ্রামে টিকা দেওয়ার সময়মতো স্বাস্থ্যকর্মী আসেননি, ফলে শিশুদের টিকা দেওয়া সম্ভব হয়নি

📰 বিস্তারিত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানের হার কমে গেলে কতটা প্রাণঘাতী ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি সেটা দেখিয়ে দিয়েছে। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ছন্দপতন ঘটে। এর ফলে চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে দেশে হামের রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত প্রতি ১ হাজার হামের রোগীর মধ্যে দুজন থেকে তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে দরিদ্র দেশগুলোতে অপুষ্টি ও অন্যান্য কারণের কারণে এই রোগ আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা দেখাচ্ছে, টিকাদানের হার ৯৫ শতাংশের নিচে নেমে গেলে কোনো রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনা কতটা কঠিন হয়ে পড়ে।

বিজ্ঞানী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে জানা গেছে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কিছু সমস্যার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তথ্যের ঘাটতি, যেখানে লাখো শিশুর তথ্য ছিল না, প্রস্তুতির ঘাটতি এবং পর্যাপ্তসংখ্যক অভিভাবকের কাছে পৌঁছাতে না পারা। নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব গ্লোবাল পাবলিক হেলথের অধ্যাপক এবং ডব্লিউএইচওর টিকাবিষয়ক উপদেষ্টা মার্ক জিট বলেছেন, ‘টিকাদানের মাধ্যমে প্রাদুর্ভাব ঠেকানো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার চেয়ে সহজ, কম ব্যয়বহুল এবং নিরাপদ।’

সিলেটের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে ২৬ বছর বয়সী আমিন মিয়া তার দুই বছর বয়সী ছেলে আরমান হোসেনকে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর জানিয়েছেন, ‘আমি ছেলেকে দাফন করার পরই কেবল স্বাস্থ্যকর্মীরা এসেছিলেন।’ আরমানের বাবা তার তিন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি বিক্রি করে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন। ভর্তির ২৪ ঘণ্টা পরই তার মৃত্যু হয়। তার চার বছর বয়সী বোনকেও টিকা দেওয়া হয়নি, তবে সে বেঁচে গেছে।

"টিকাদানের মাধ্যমে প্রাদুর্ভাব ঠেকানো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার চেয়ে সহজ, কম ব্যয়বহুল এবং নিরাপদ।"

— মার্ক জিট, নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব গ্লোবাল পাবলিক হেলথের অধ্যাপক ও ডব্লিউএইচওর টিকাবিষয়ক উপদেষ্টা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিলেট (উত্তর-পূর্বাঞ্চল), বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্ক জিট (বিজ্ঞানী), আমিন মিয়া (আরমানের বাবা), হুমায়ুন রশিদ (লাবিবার বাবা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ ২ হাজার (হামের উপসর্গ), ২২ হাজার (হাম নিশ্চিত), ১ হাজার ১৪৭ (মৃত্যু), ৯৪% (পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖