📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্ট্রিং থিওরির গবেষণায় অশোক সেনের অদম্য জিজ্ঞাসা: কীভাবে মহাকর্ষ ও কোয়ান্টামের বৈরিতার গর্ত পূরণ করবেন?

স্ট্রিং থিওরির গবেষণায় অশোক সেনের অদম্য জিজ্ঞাসা: কীভাবে মহাকর্ষ ও কোয়ান্টামের বৈরিতার গর্ত পূরণ করবেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিজ্ঞানী অশোক সেনের শৈশব থেকে গবেষণার পথচলা নিয়ে আলোচনা। কলকাতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের স্টোনি ব্রুকস বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করে তিনি স্ট্রিং থিওরির গবেষণায় আগ্রহী হন। বর্তমানে এলাহাবাদে গবেষণা করছেন এবং স্ট্রিং ডুয়েলিটি নিয়ে কাজ করছেন

বিজ্ঞানী অশোক সেনের জীবনযাত্রা থেকে গবেষণার পথচলা পর্যন্ত বিস্তৃত আলোচনা করেছেন প্রথম আলো। কলকাতার শৈলেন্দ্র সরকার বিদ্যালয় থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের স্টোনি ব্রুকস বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার পথে অশোক সেনের শিক্ষাজীবন এবং গবেষণার আগ্রহের বিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অশোক সেনের শৈশব কাটেছে কলকাতার উত্তর কলকাতায়, যেখানে তিনি শৈলেন্দ্র সরকার বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন এবং প্রেসিডেন্সি কলেজে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।
  • 📌 পদার্থবিদ্যা শিক্ষক অমল রায় চৌধুরী তার গবেষণার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, বিশেষ করে থার্মোডায়নামিকস বিষয়ে।
  • 📌 স্ট্রিং থিওরির গবেষণায় আগ্রহী হয়ে পড়েন জন শোয়ার্জের রিপোর্ট এবং এডওয়ার্ড উইটেনের সেমিনার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে।
  • 📌 বর্তমানে এলাহাবাদের হরিশ্চন্দ্র রিসার্চ সেন্টারে গবেষণা করছেন, যেখানে স্ট্রিং থিওরির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছেন, বিশেষ করে স্ট্রিং ডুয়েলিটি নিয়ে।
  • 📌 স্ট্রিং থিওরির মূল চ্যালেঞ্জ হলো মহাকর্ষ ও কোয়ান্টাম বলবিদ্যার বৈরিতার সমাধান, যা এখনো পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত হয়নি।

📰 বিস্তারিত

বিজ্ঞানী অশোক সেনের শৈশব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “উত্তর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছি এবং সেখানেই বড় হয়ে উঠেছি। শৈলেন্দ্র সরকার বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার শুরু হয়েছিল। সেখানে লেখাপড়ার মান খুব খারাপ ছিল না, যদিও বিশেষভাবে উন্নতও ছিল না।” এরপর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন এবং সেখানে পদার্থবিদ্যা শিক্ষক অমল রায় চৌধুরীর শিক্ষণে থার্মোডায়নামিকস বিষয়ে আগ্রহী হন।

পিএইচডি করার পর যুক্তরাষ্ট্রের স্টোনি ব্রুকস বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে তিনি স্ট্রিং থিওরির গবেষণায় আগ্রহী হন। তিনি বলেন, “ফার্মিল্যাবে পোস্ট ডক্টরাল কাজ করার সময় জন শোয়ার্জের রিপোর্ট পড়তে পড়তে স্ট্রিং থিওরির প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠি। তারপর এডওয়ার্ড উইটেনের সেমিনারে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে আরও আগ্রহী হন।”

অশোক সেনের বর্তমান গবেষণার বিষয় হলো স্ট্রিং থিওরির বিভিন্ন ক্ষেত্র, বিশেষ করে স্ট্রিং ডুয়েলিটি। তিনি বলেন, “এই তত্ত্বের মূল চ্যালেঞ্জ হলো মহাকর্ষ ও কোয়ান্টাম বলবিদ্যার বৈরিতার সমাধান। এখনো পরীক্ষামূলক প্রমাণ পাওয়া যায়নি, কারণ আমাদের হাতে সেই স্কেলের মাইক্রোস্কোপ নেই। বর্তমানে সবচেয়ে শক্তিশালী মাইক্রোস্কোপ ১০^-১৭ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের বস্তু দেখতে পারে, কিন্তু স্ট্রিংগুলোর কাঠামো দেখতে ১০^-৩৩ সেন্টিমিটার স্কেলের মাইক্রোস্কোপ দরকার।”

"স্ট্রিং থিওরিতে একটা মৌলিক কণা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসে, যা মহাকর্ষের মতো আচরণ করে। এই কণাটি কোয়ান্টায়িত, অর্থাৎ কোয়ান্টাম মহাকর্ষের তত্ত্ব পাওয়া গেল স্ট্রিং থিওরি থেকে। এটা পেনিসিলিন আবিষ্কারের মতো অপ্রত্যাশিত আবিষ্কার।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, উত্তর কলকাতা, এলাহাবাদ, যুক্তরাষ্ট্রের স্টোনি ব্রুকস বিশ্ববিদ্যালয়, ফার্মিল্যাব
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অশোক সেন, অমল রায় চৌধুরী, জন শোয়ার্জ, এডওয়ার্ড উইটেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০^-১৭ সেন্টিমিটার, ১০^-৩৩ সেন্টিমিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖