📌 ফটোসাংবাদিক আরিফুল আমিন প্লাবন করোনা স্বেচ্ছাসেবী থেকে শুরু করে দেশব্যাপী গাছ লাগানোর মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘হেল্প দ্য নেশন’ সংগঠন এবং প্রতি মাসে নিজের মেয়েকে নিয়ে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেন
ফটোগ্রাফির পেশা ছাড়াও পরিবেশ সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন একজন মানুষ। ঢাকার গুলশান-বনানী লেকের শান্ত নিস্তব্ধতা ভোরের আলোতে আরিফুল আমিন প্লাবনকে নতুন জীবন দিচ্ছে। তিনি ক্যামেরার পেশাদার হিসেবে দিনের বেশিরভাগ সময় সংবাদ সংগ্রহে ব্যস্ত থাকলেও, শুক্রবার ভোরে তিনি প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখেন গাছ লাগিয়ে। এই স্বেচ্ছাসেবী পরিবেশপ্রেমী ব্যক্তি করোনা মহামারিতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার পর থেকে পরিবেশ সংরক্ষণে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আরিফুল আমিন প্লাবন একজন ফটোসাংবাদিক যিনি পরিবেশ সংরক্ষণে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি করোনা মহামারিতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার পর থেকে গাছ লাগানোর কাজে নিয়োজিত আছেন।
- 📌 তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘হেল্প দ্য নেশন’ নামের একটি পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং গত এক দশকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তালবীজ ও দেশীয় ফলদগাছ রোপণ করেছেন।
- 📌 ৫৫ কদমতলা সংগঠনের সঙ্গে প্রত্যেক শুক্রবার তিনি গুলশান-বনানী লেক এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
- 📌 তিনি কার্বন নিউট্রাল বেবি প্রকল্পের মাধ্যমে নিজের মেয়েকে নিয়ে প্রতি মাসে অন্তত বিশটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
- 📌 আরিফুল আমিন বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এবং আহত বন্য প্রাণী উদ্ধারের কাজেও নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন।
📰 বিস্তারিত
আরিফুল আমিন প্লাবন একজন ফটোসাংবাদিক যিনি করোনা মহামারিতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার পর থেকে পরিবেশ সংরক্ষণে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি বগুড়ার ধুনট উপজেলায় করোনা মহামারির সময় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছিলেন। রোগী উদ্ধার, অক্সিজেন সরবরাহ, খাদ্য ও ওষুধ বিতরণ এবং জীবাণুনাশক স্প্রে করার মতো কাজে তিনি নিয়োজিত ছিলেন। করোনা শেষ হওয়ার পরেও তিনি স্বেচ্ছাসেবী জীবন অব্যাহত রেখেছেন। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘স্বপ্নসেবা’ সংগঠন, যা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষদের জন্য পোশাক, নগদ সহায়তা এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য গরু-ছাগল প্রদান করে থাকে।
আরিফুল আমিনের পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান অনস্বীকার্য। তিনি ‘হেল্প দ্য নেশন’ নামের একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছেন, যেখানে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তালবীজ ও দেশীয় ফলদগাছ রোপণ করেছেন। তিনি দেশের যেকোনো জায়গায় যান, তার সঙ্গে থাকে গাছের চারা বা বীজ। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রতিটি সফরের স্মৃতি হিসেবে তিনি একটি নতুন গাছ রেখে যেতে চান। তিনি বন্যা ও নদীভাঙন এলাকায় গাছ লাগানোর মাধ্যমে প্রকৃতির টেকসই বিকাশের চেষ্টা করছেন। সম্প্রতি তিনি করঞ্জগাছের ৫০০টি বীজ সংগ্রহ করেছেন এবং চারা উৎপাদনের কাজ চলছে।
আরিফুল আমিনের পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান শুধু গাছ লাগানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এবং আহত বন্য প্রাণী উদ্ধারের কাজেও নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। প্রত্যেক শুক্রবার ভোরে তিনি ৫৫ কদমতলা সংগঠনের সঙ্গে গুলশান-বনানী লেক এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি চান, আমাদের সন্তান এমন এক পৃথিবীতে বড় হয়ে উঠুক, যেখানে বাতাস একটু বেশি নির্মল, গাছ একটু বেশি সবুজ, প্রকৃতি একটু বেশি নিরাপদ।
"আমি চাই, আমাদের সন্তান এমন এক পৃথিবীতে বড় হয়ে উঠুক, যেখানে বাতাস একটু বেশি নির্মল, গাছ একটু বেশি সবুজ, প্রকৃতি একটু বেশি নিরাপদ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (গুলশান-বনানী লেক), বগুড়া (ধুনট উপজেলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফুল আমিন প্লাবন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০টি বীজ, ৫৫ কদমতলা সংগঠন, প্রতি মাসে ২০টি গাছ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!