📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কোকো থেকে শুরু করে বানর-ইঁদুর: প্রাণীদের রসবোধের অদ্ভুত গল্প

কোকো থেকে শুরু করে বানর-ইঁদুর: প্রাণীদের রসবোধের অদ্ভুত গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গবেষণা প্রমাণ করে, গরিলা কোকো থেকে শুরু করে বানর, ইঁদুর, ডলফিন পর্যন্ত প্রাণীদেরও রসবোধ ও হাসির ক্ষমতা রয়েছে। মানুষের মতোই তারা জোকস বোঝে, অন্যকে জ্বালাতন করে এবং খেলার মাধ্যমে আনন্দ উপভোগ করে

গরিলা কোকোর জোকস থেকে শুরু করে বানরদের চুল টানাটানি, ইঁদুরের কিচিরমিচির শব্দ — প্রাণীদের রসবোধের অদ্ভুত উদাহরণগুলো বিজ্ঞানকে চিন্তা করিয়ে দিচ্ছে। কীভাবে মানুষের মতোই অন্য প্রাণীরাও হাসে, মজা করে এবং অন্যকে জ্বালাতন করে তা নিয়ে নতুন গবেষণায় আলোকপাত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **কোকো গরিলা** ২০১৮ সালে মৃত্যুবরণ করলেও তার জোকস ও রসবোধের গল্প এখনও বিজ্ঞানীদের মনে প্রশ্ন জাগিয়ে রাখে — সাইন ল্যাঙ্গুয়েজে কথা বলত, ট্রেনারের জুতো ফিতে বেঁধে ‘আমাকে ধরো’ বলে ইশারা করত এবং নিজের নামে ‘ডেভিল’ শব্দ জুড়ে দিত।
  • 📌 **বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন** প্রাণীরা শুধু মজা করে না, তারা অন্যদের নিয়ে মজাও করতে পারে — কুকুরের টেবিল নিচে লুকিয়ে পড়া, বানরদের চুল টানাটানি, ইঁদুরের কিচিরমিচির শব্দ সবই রসবোধের পরিচয়।
  • 📌 **গ্রেট এপস গবেষণা** (২০২৫) দেখিয়েছে, ওরাংওটাং, শিম্পাঞ্জি ও বোনোবো ৮ মাস বয়সের মানবশিশুর মতোই খেলার ছলে অন্যকে জ্বালাতন করে — খোঁচা দেয়, মারে, লুকিয়ে থাকে এবং চুল টানার মাধ্যমে অন্যকে রাগিয়ে দেয়।
  • 📌 **ইঁদুর ও ডলফিনের ‘হাসি’** — ইঁদুর সুড়সুড়ি পেলে কিচিরমিচির শব্দ করে, বটলনোজ ডলফিন খেলার সময় এমন শব্দ করে যে মনে হয় তারা হাসছে।
  • 📌 **প্রফেসর মার্ক বেকফের দাবি** — প্রাণীরা শারীরিক কসরতনির্ভর কমেডি উপভোগ করে এবং অন্যদের নিয়ে মজা করতে পারে। তাঁর নিজের কুকুর জেথ্রো পুরো বাড়ি দৌড়ে বেড়াত এবং মানুষের হাসি দেখে আরও পাগলামি শুরু করত।

📰 বিস্তারিত

‘পাথর ও কাজ!’ — এই জোকসটা কে বলেছে জানলে আপনি অবাক হবেন। এটি কোনো মানুষের কাজ নয়, বরং কোকো নামে এক বিখ্যাত ওয়েস্টার্ন লোল্যান্ড গরিলার বলা জোকস। ৪৬ বছর বয়সে ২০১৮ সালে মৃত্যুবরণ করা এই গরিলাটি সাইন ল্যাঙ্গুয়েজে কথা বলতে পারত এবং মানুষের মতোই রসবোধের পরিচয় দিত। কোকো তার ট্রেনারের জুতোর ফিতে একটার সঙ্গে আরেকটা বেঁধে ইশারায় বলত, ‘এবার আমাকে ধরো!’ আবার নিজের নামের মাঝখানে ‘ডেভিল’ শব্দ জুড়ে দিত। এই ঘটনাগুলো বিজ্ঞানীদের মনে প্রশ্ন জাগিয়ে দিয়েছে: মানুষ ছাড়া অন্য প্রাণীদের কি আসলেই রসবোধ আছে?

বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন, প্রাণীরা শুধু মজা করে না, তারা অন্যদের নিয়ে মজাও করতে পারে। ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডোর ইমেরিটাস প্রফেসর মার্ক বেকফ তাঁর বই *দ্য ইমোশনাল লাইভস অব অ্যানিমেলস*-এ লিখেছেন, ‘প্রাণীরা শারীরিক কসরতনির্ভর কমেডি বেশ উপভোগ করে। তারা জোকস বোঝে এবং অন্যদের নিয়ে মজা করতে পারে।’ তাঁর নিজের কুকুর জেথ্রোর গল্পটি এ বিষয়ে আরো স্পষ্ট করে তোলে। জেথ্রো তার প্রিয় স্টাফড খেলনা খরগোশ মুখে নিয়ে পুরো বাড়ি দৌড়ে বেড়াত। হঠাৎ থেমে ঘুরে দেখত কেউ তার কাণ্ডকারখানা দেখছে কি না! যদি দেখত কেউ তাকাচ্ছে, তখন সে আরও বেশি পাগলামি শুরু করত। মানুষের হাসি দেখে সে দারুণ খুশি হতো।

গ্রেট এপসের কমেডি গবেষণা (২০২৫) ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। গবেষণায় দেখা যায়, ওরাংওটাং, শিম্পাঞ্জি ও বোনোবো ৮ মাস বয়সের মানবশিশুর মতোই খেলার ছলে অন্যকে জ্বালাতন করে। তারা একে অপরকে খোঁচা দেয়, মারে, লুকিয়ে থাকে এবং চুল ধরে টানে। ওরাংওটাংরা তো রীতিমতো একে অপরের চুল ধরে টানাটানি করে! এই আচরণগুলো কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং পুরোপুরি ইচ্ছাকৃত এবং অন্যকে রাগিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা। পোর্টসমাউথ ইউনিভার্সিটির গবেষক মেরিনা ডাভিলারসের ২০০৯ সালের গবেষণায় দেখা যায়, শিম্পাঞ্জি ও বোনোবোদের সুড়সুড়ি দিলে তারা শব্দ করে হাসে। ওরাংওটাংয়ের হাসির শব্দও আগে রেকর্ড করা হয়েছে।

শুধু বড় প্রাণী নয়, ক্ষুদ্র প্রাণীদেরও রসবোধের পরিচয় রয়েছে। ইঁদুর সুড়সুড়ি পেলে কিচিরমিচির শব্দ করে এবং লুকোচুরি খেলাও শিখে ফেলেছে। অন্যদিকে বটলনোজ ডলফিনরা একে অপরের সঙ্গে খেলার সময় এমন শব্দ করে যে মনে হয় তারা হাসছে। এগুলো কি আসলেই রসবোধ? বিজ্ঞানীরা এখনও এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন।

"প্রাণীরা শুধু মজা করতেই জানে না, তারা অন্যদের নিয়ে মজাও করতে পারে। তারা জোকস বোঝে এবং তারা শারীরিক কসরতনির্ভর কমেডি বেশ উপভোগ করে।"

— **প্রফেসর মার্ক বেকফ, ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী (গবেষণা, প্রাণী অভ্যাস)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কোকো (গরিলা), প্রফেসর মার্ক বেকফ, ইসাবেল লউমার, মেরিনা ডাভিলারস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৬ বছর (কোকো গরিলার বয়স), ৮ মাস (বানরের দুষ্টুমি শুরু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖