📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিজ্ঞানীরা আলঝেইমারকে আর 'নিরাময় অযোগ্য' বলে মনে করেন না: রোগের গতি ধীর করার নতুন সম্ভাবনা

বিজ্ঞানীরা আলঝেইমারকে আর 'নিরাময় অযোগ্য' বলে মনে করেন না: রোগের গতি ধীর করার নতুন সম্ভাবনা

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিজ্ঞানীরা আলঝেইমার রোগকে আর 'নিরাময় অযোগ্য' বলে মনে করেন না। গবেষণায় দেখা গেছে, রোগের গতি ধীর করা এবং সূত্রপাত বিলম্বিত করা সম্ভব। ২০৫০ সালের মধ্যে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১৩ কোটি ৯০ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৪টি ঝুঁকি মোকাবেলা করে ডিমেনশিয়ার ৪৫ শতাংশ প্রতিরোধ বা বিলম্বিত করার সম্ভাবনা দেখিয়েছে

বিজ্ঞানীরা এখন আর আলঝেইমার রোগকে ‘নিরাময় অযোগ্য’ হিসেবে দেখেন না। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, এই মস্তিষ্কের রোগের গতি ধীর করা এবং এর সূত্রপাত বিলম্বিত করা সম্ভব। গত পাঁচ বছরে নতুন ওষুধের আবির্ভাব এবং ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মাধ্যমে আলঝেইমারের চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। বিশ্ব আলঝেইমার প্রতিবেদন ২০২৬-এর ভাষায়, এই রোগের নিরাময়ের সম্ভাবনা ‘আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি বাস্তব’ বলে মনে হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আলঝেইমার রোগকে আর ‘নিরাময় অযোগ্য’ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না; বিজ্ঞানীরা রোগের গতি ধীর করার লক্ষ্যে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
  • 📌 গত পাঁচ বছরে নতুন ওষুধের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ের আলঝেইমারের অবনতি সামান্য ধীর করা সম্ভব হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
  • 📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী, ১৪টি ঝুঁকি মোকাবেলা করে ডিমেনশিয়ার ৪৫ শতাংশ ঘটনা প্রতিরোধ বা বিলম্বিত করা সম্ভব।
  • 📌 ২০৫০ সালের মধ্যে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১৩ কোটি ৯০ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
  • 📌 আলঝেইমার্স ডিজিজ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন ‘ডিমেনশিয়া ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের নতুন যুগ’-এ বলা হয়েছে, গবেষণার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

📰 বিস্তারিত

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতি ঝাপসা হওয়া, পরিচিত মুখ অপরিচিত হয়ে যাওয়া এবং নিজের চেনা জগত থেকে দূরে সরে যাওয়া—এই সবের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে আলঝেইমার রোগ। এতকাল মনে করা হতো, এই রোগের কোনো চিকিৎসা নেই। কিন্তু বিজ্ঞান এখন সেই ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, আলঝেইমারের গতি ধীর করা এবং এর সূত্রপাত বিলম্বিত করা সম্ভব। গত পাঁচ বছরে নতুন ওষুধের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ের রোগের অবনতি সামান্য ধীর করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও, রোগের সূত্রপাত বিলম্বিত করার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

বিশ্ব আলঝেইমার প্রতিবেদন ২০২৬-এর ভাষায়, এই রোগের নিরাময়ের সম্ভাবনা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি বাস্তব। প্রতিবেদনের সহলেখক আলঝেইমার্স ডিজিজ ইন্টারন্যাশনালের পাশাপাশি রয়েছেন স্বাস্থ্যবিষয়ক সাংবাদিক পল গ্যালাঘার। আলঝেইমার্স ডিজিজ ইন্টারন্যাশনাল নিজেদের ‘ডিমেনশিয়ার বৈশ্বিক কণ্ঠস্বর’ হিসেবে পরিচয় দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক থাকা এই সংগঠনটি প্রতি বছর ডিমেনশিয়া গবেষণা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। এবারের প্রতিবেদনের নাম ‘ডিমেনশিয়া ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের নতুন যুগ’।

বিশ্বের মানুষ যত বেশি দিন বাঁচছে, ডিমেনশিয়ার বোঝাও তত বাড়ছে। কিছু হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে ডিমেনশিয়ায় বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ১৩ কোটি ৯০ লাখে পৌঁছাতে পারে। তাই রোগের সূত্রপাত সামান্য সময়ের জন্যও পিছিয়ে দিতে পারলে তার অর্থ হবে অনেক মানুষের জীবন থেকে ডিমেনশিয়ার ভার সরিয়ে দেয়া। রোগের শুরু যদি কিছুটা দেরিতে হয়, তাহলে ভবিষ্যতে লাখ লাখ মানুষ ডিমেনশিয়ার প্রভাব থেকে কিছুটা হলেও মুক্ত থাকতে পারবেন।

"বিজ্ঞান এখন এমন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যখন বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রতিবেদনের লেখকেরা এই সময়কে ১৯৯০-এর দশকের ক্যানসার গবেষণার সঙ্গে তুলনা করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী (বিশ্ব আলঝেইমার প্রতিবেদন ২০২৬)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলঝেইমার্স ডিজিজ ইন্টারন্যাশনালের সহলেখক পল গ্যালাঘার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ কোটি ৯০ লাখ (২০৫০ সালের মধ্যে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা), ১৪টি ঝুঁকি (ডিমেনশিয়া প্রতিরোধের জন্য), ৪৫ শতাংশ (ডিমেনশিয়ার সম্ভাব্য প্রতিরোধ বা বিলম্ব)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖