📌 বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সেস সম্মেলনে সাশ্রয়ী ওষুধের নিশ্চয়তা ও উচ্চপ্রযুক্তির সাথে মানবিক দায়বদ্ধতার সমন্বয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ন্যানোমেডিসিনের সম্ভাবনা তুলে ধরেন এবং গবেষণায় নৈতিকতা ও তথ্যের সততার গুরুত্ব জোরালোভাবে বলেন
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ সাশ্রয়ী ওষুধের নিশ্চয়তা ও উচ্চপ্রযুক্তির সাথে মানবিক দায়বদ্ধতার সমন্বয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, জীবনরক্ষাকারী ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সাশ্রয়ী উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। শনিবার (১০ অক্টোবর) নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সেস সম্মেলন (আইসিপিএস-২০২৬) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সাশ্রয়ী ওষুধের আহ্বান**: ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার জন্য সাশ্রয়ী ওষুধ নিশ্চিতের দাবি তুলেন।
- 📌 **প্রযুক্তির সম্ভাবনা**: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ন্যানোমেডিসিন ও লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসা ক্যান্সারসহ জটিল রোগের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
- 📌 **উৎপাদন ব্যয় কমানো**: ওষুধ উদ্ভাবনের পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় কমানোর ওপর জোর দেন তিনি।
- 📌 **মানবকল্যাণের লক্ষ্য**: গবেষণার মূল লক্ষ্য হতে হবে মানবকল্যাণ, বলেন ড. মামুন আহমেদ।
- 📌 **নৈতিকতা ও তথ্যের সততা**: ওষুধ গবেষণায় তথ্যের সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
- 📌 **বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা**: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ও মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মালায়ার যৌথ উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, নতুন ওষুধ উদ্ভাবনের পাশাপাশি সেগুলো যেন ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার নাগালে থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ওষুধ আবিষ্কার, ন্যানোমেডিসিন ও লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসাপদ্ধতি ওষুধবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলছে। এসব প্রযুক্তি ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সুফল যেন কেবল সচ্ছল মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, সে বিষয়ে নজর দেওয়া জরুরি। উচ্চপ্রযুক্তির সঙ্গে মানবিক দায়বদ্ধতার সমন্বয় ঘটিয়ে আর্থিক সামর্থ্য নির্বিশেষে সবার চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে।
গবেষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে হবে, বড় স্বপ্ন দেখতে হবে এবং গবেষণার মূল লক্ষ্য হতে হবে মানবকল্যাণ। একই সঙ্গে ওষুধ গবেষণায় তথ্যের সততা, নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ওষুধের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে মানুষের আস্থা ধরে রাখতে এসব নৈতিক নীতিমালা মেনে চলার বিকল্প নেই।
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ হোসেন শাহরিয়ার, মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মালায়ার ড. মোহাম্মদ ফৌজি আবদুল জলিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব হেলথ অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক দীপক কুমার সাহা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য বেনজীর আহমেদ ও এম এ কাশেম উপস্থিত ছিলেন।
"কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ন্যানোমেডিসিনের সম্ভাবনা ক্যান্সারসহ জটিল রোগের চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটাতে পারে। কিন্তু এসব প্রযুক্তির সুফল যেন সবার নাগালে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে গবেষণায় মানবিক দায়বদ্ধতা অবশ্যই থাকতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ (ইউজিসি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি দেশের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!