📌 ৯০ বছর বয়সে ১৯তম জাতীয় শিরোপা জিতেছেন জাপানের বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়ন তশিসুকে কানাজাওয়া। তিনি নিজের ফিটনেস বজায় রাখার গোপন কৌশল এবং কীভাবে শারীরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছেন মৃত্যুর দিন পর্যন্ত তা শেয়ার করেছেন
৯০ বছর বয়সে ১৯তম জাতীয় শিরোপা জিতেছেন জাপানের বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়ন তশিসুকে কানাজাওয়া। তিনি নিজের শরীরের সক্ষমতা বজায় রাখার গল্প শেয়ার করেছেন, যেখানে কঠোর পরিশ্রম, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং ন্যাচারাল পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৯০ বছর বয়সে ১৯তম শিরোপা জিতেছেন** জাপানের বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়ন তশিসুকে কানাজাওয়া, যিনি ৮৫ বছরের বেশি বয়সী বিভাগে জাপান মাস্টার্স বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপে সাতজন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে বিজয়ী হন।
- 📌 **সাঁতার থেকে বডিবিল্ডিং**: কানাজাওয়া জাপানের শিমানে প্রিফেকচারে জন্মগ্রহণ করেন এবং স্কুলজীবনে সাঁতারু হিসেবে প্রতিভা দেখান। কিন্তু পেশির সমস্যা কারণে অলিম্পিকে অংশ নিতে পারেননি। এরপর তিনি বডিবিল্ডিংয়ে মনোনিবেশ করেন।
- 📌 **কঠোর অনুশীলন ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য**: তিনি প্রতিদিন ছয় ঘণ্টা জিমে কাটাতেন এবং মাংস ও মদ থেকে বিরত থাকেন। বয়স বাড়ার সাথে খাবার ও ব্যায়ামের ধরন পরিবর্তন করেন।
- 📌 **ন্যাচারাল পদ্ধতি**: তিনি দাবি করেন, তাঁর সাফল্যের পেছনে কর্মক্ষমতা বাড়ানোর ওষুধ নয়, বরং কঠোর পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই মূল কারণ।
- 📌 **জীবনের উদ্দেশ্য**: ৩০ বছর বয়সে অবসর নেওয়ার পর ৫০ বছর বয়সে আবার প্রতিযোগিতায় ফিরে আসেন স্ত্রীর উৎসাহ দেওয়ার জন্য।
📰 বিস্তারিত
জাপানের বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়ন তশিসুকে কানাজাওয়া ৯০ বছর বয়সে ১৯তম জাতীয় শিরোপা জিতেছেন। তিনি জাপান মাস্টার্স বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপের ৮৫ বছরের বেশি বয়সী বিভাগে সাতজন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে বিজয়ী হন। এই বিজয় ছিল তাঁর ১৯তম জাতীয় শিরোপা। কানাজাওয়া বলেছেন, তিনি মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বডিবিল্ডার হিসেবে থাকতে চান।
কানাজাওয়া জাপানের শিমানে প্রিফেকচারে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুলজীবনে তিনি সাঁতারু হিসেবে প্রতিভা দেখান। তিনি ১ হাজার ৫০০ মিটার ফ্রিস্টাইলে ভালো করতেন। কিন্তু পেশির একটি সমস্যার কারণে অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার স্বপ্ন ভেস্তে যায়। এরপর তিনি পেশাদার বডিবিল্ডার হওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেন।
কানাজাওয়ার শরীরের সক্ষমতা বজায় রাখার গল্পে তিনি বলেছেন, তিনি প্রতিদিন ছয় ঘণ্টা জিমে কাটাতেন। খাবার হিসেবে মায়ের রান্না করা সাধারণ জাপানি খাবার খেতেন। তিনি কখনো ধূমপান করেননি, মদও পান করেননি। তিনি মাংস ও মাছ খাওয়াও ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁর খাবারের তালিকায় মূলত থাকে বাদামি চালের সঙ্গে সামান্য ফুরিকাকে, নাত্তো এবং মিসো স্যুপ। স্যুপে তিনি দুটি কাঁচা ডিমও মিশিয়ে নেন।
বয়স বাড়ার সাথে তিনি ব্যায়ামের ধরন পরিবর্তন করেছেন। এখন আর স্কোয়াট বা বেঞ্চ প্রেস করেন না। ফ্রি ওয়েটের পরিবর্তে মেশিন ব্যবহার করেন। তিনি বলেছেন, ‘এই বয়সে আমার শরীরের জন্য যা ভালো, আমি সেটাই করি’।
তিনি দাবি করেন, তাঁর সাফল্যের পেছনে কর্মক্ষমতা বাড়ানোর ওষুধ নয়, বরং কঠোর পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই মূল কারণ। তিনি বলেছেন, ‘আমি শতভাগ ন্যাচারাল’।
"আমি শতভাগ ন্যাচারাল। অর্থাৎ আমার সাফল্যের পেছনে কর্মক্ষমতা বাড়ানোর ওষুধ নয়, রয়েছে কঠোর পরিশ্রম—এ কথাটিই বোঝাতে চেয়েছেন তিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাপানের হিরোশিমা, জাপান মাস্টার্স বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তশিসুকে কানাজাওয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ বছর বয়স, ১৯তম শিরোপা, ৮৫ বছরের বেশি বয়সী বিভাগ, ১ হাজার ৫০০ মিটার ফ্রিস্টাইল, ২৪ বছর বয়সে 'মিস্টার জাপান' শিরোপা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!