📌 নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক সোহেলকে বিধবা নারী মারধরের অভিযোগে আবারও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এবার তিনি দ্বিতীয়বারের মতো বহিষ্কারাদেশ পেয়েছেন, প্রথমবার ছিল বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মারধর অভিযোগে। কেন্দ্রীয় যুবদলের নির্বাহী কমিটি সিদ্ধান্ত নেয়
নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক সোহেলকে বিধবা নারী মারধরের অভিযোগে আবারও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এবার তিনি দ্বিতীয়বারের মতো দল থেকে বহিষ্কৃত হন, প্রথমবার ছিল বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মারধর অভিযোগে। কেন্দ্রীয় যুবদলের নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোজাম্মেল হক সোহেলকে বিধবা নারী মারধরের অভিযোগে আবারও বহিষ্কার করা হয়েছে; এবার তিনি দ্বিতীয়বারের মতো বহিষ্কৃত হন
- 📌 কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে
- 📌 মোজাম্মেল হক সোহেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে সোমবার রাতে নেত্রকোনা-২ আসনের এমপি আনোয়ারুল হক বারহাট্টা সদর পরিদর্শনের সময়
- 📌 অভিযোগের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় যুবদল
- 📌 মোজাম্মেল হক সোহেলের বাবা ক্যানসারে আক্রান্ত এবং নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন, তিনি নিজের অভিযোগকে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র বলে মনে করেন
📰 বিস্তারিত
মোজাম্মেল হক সোহেলের বিরুদ্ধে এবার বিধবা নারী মারধরের অভিযোগে বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত নেত্রকোনা-২ আসনের এমপি ও জেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল হক বারহাট্টা সদরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় অভিযোগ উঠে। সোমবার রাতে অর্চনা রানী দাস নামের এক বিধবা নারী মোজাম্মেল হক সোহেলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেন। এই অভিযোগের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে সোহেলের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় যুবদল।
মোজাম্মেল হক সোহেলের বিরুদ্ধে এবার দ্বিতীয়বারের মতো বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো তিনি ৪ জুলাই বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মারধর অভিযোগে বহিষ্কৃত হন। পরে ৩০ জুলাই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। সোহেল বলেন, তিনি প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার। তিনি বলেন, ‘আমি বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে। জমি লিখে নেওয়ার জন্য তাঁদের মারধর করার প্রয়োজন নেই; তাঁদের সবকিছুই আমার। আমার বাবা ক্যানসারে আক্রান্ত এবং নিয়মিত কেমোথেরাপি নিচ্ছেন।’
অভিযোগের বিষয়ে সোহেল আরও বলেন, ‘সাত বছর আগে অর্চনা রানীর ভাবিকে এক লাখ টাকা ধার দিয়েছিলাম। সেই টাকা ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়েছে। পরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁকে প্ররোচিত করে এমপির কাছে নিয়ে গিয়ে মারধরের মিথ্যা অভিযোগ উপস্থাপন করেছে। পুরো অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।’
"আমি প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার। আগেরবারও প্রতিপক্ষ আমাকে ফাঁসিয়েছিল। আমি বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে। জমি লিখে নেওয়ার জন্য তাঁদের মারধর করার প্রয়োজন নেই; তাঁদের সবকিছুই তো আমার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিক্রমশ্রী গ্রাম, নেত্রকোনা জেলা, বারহাট্টা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোজাম্মেল হক সোহেল, অর্চনা রানী দাস, আনোয়ারুল হক, মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (বহিষ্কারাদেশের বার), ৪ জুলাই, ৩০ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!