📌 নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও নিরাপত্তার অভাব নারী প্রার্থীদের জন্য প্রধান বাধা। তিনি নির্বাচনী ব্যয় কমাতে ও রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন বাড়াতে জোর দিয়েছেন
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সম্পদে প্রবেশাধিকার নারী প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে নির্বাচনী ব্যয় কমাতে এবং রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেছেন, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সম্পদে প্রবেশাধিকার নারী প্রার্থীদের জন্য প্রধান বাধা
- 📌 সর্বশেষ সংসদ নির্বাচনে ১৯৯১ সালের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়ের হার কম ছিল
- 📌 জাতীয় সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বর্তমানে ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ
- 📌 নির্বাচনী ব্যয় কমাতে এবং রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন বাড়াতে জোর দিয়েছেন তিনি
- 📌 নির্বাচনী আচরণবিধিতে সহিংসতা ও সাইবার বুলিং প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
- 📌 ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিলের সরকারি প্রজ্ঞাপন চেম্বার আদালতে বহাল রয়েছে
📰 বিস্তারিত
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আজ রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনে একটি সেশনে নারী রাজনীতিতে অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নারী প্রার্থীদের জন্য অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সম্পদে প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ কমে যায়।
সানাউল্লাহ উল্লেখ করেন, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের সংখ্যা ১৯৯১ সালের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল, কিন্তু তাদের জয়ের হার তুলনামূলক কম। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বর্তমানে ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ, যা আঞ্চলিক গড়ের চেয়ে কিছুটা বেশি। তবে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ সন্তোষজনক এবং সামাজিক ও ধর্মীয় বাধাও আগের তুলনায় কমেছে।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ শুধু নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ভোট দেওয়া, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন, রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব এবং নাগরিক সমাজ ও তৃণমূল সংগঠনে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নারীদের ভূমিকা বাড়াতে হবে।
নির্বাচনী ব্যয় কমাতে এবং রাষ্ট্রীয় অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপের পাশাপাশি নারী প্রার্থীদের জন্য নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি বলেন। তিনি জানান, নির্বাচনী আচরণবিধিতে সহিংসতা ও সাইবার বুলিং প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
"অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সম্পদে প্রবেশাধিকার নারী প্রার্থীদের জন্য বড় বাধা হয়ে রয়েছে। নির্বাচনী ব্যয় কমাতে এবং রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (নির্বাচন কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬-১৭ শতাংশ (নারী প্রতিনিধিত্ব), ৪৯টি (রিক্রুটিং এজেন্সি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!