📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ কম থাকার কারণ হিসেবে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাসকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, নারীদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের অভাবের পিছনে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাসের প্রভাব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ব্যাপক হলেও প্রার্থী হিসেবে তাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত লিঙ্গসমতা বিষয়ক কর্মশালায় তিনি এই কথাগুলো তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের অভাবের পিছনে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাসের প্রভাব রয়েছে বলে সিইসি নাসির উদ্দিনের দাবি
- 📌 নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করতে চায় নারীদের ভোটার, প্রার্থী, প্রচারক, পোলিং কর্মকর্তা ও পর্যবেক্ষক হিসেবে কার্যকর অংশগ্রহণ
- 📌 ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে নারী ভোটারের সংখ্যা পুরুষ ভোটারের চেয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন বেশি
- 📌 জাতীয় নির্বাচন আইনে নারী ক্ষমতায়নের বিধান থাকলেও বাস্তবায়নে অংশীদারদের প্রতিশ্রুতি অপরিহার্য বলে মনে করেন সিইসি
- 📌 বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে টেকসই করতে নারী নাগরিকদের ৫০ শতাংশ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে বলে আহ্বান
📰 বিস্তারিত
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের অভাবের পিছনে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাসের প্রভাব রয়েছে। তিনি বলেন, নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ব্যাপক হলেও প্রার্থী হিসেবে তাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। তিনি কর্মশালায় উল্লেখ করেছেন, নির্বাচন কমিশন নারীদের কার্যকর ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, শুধু ভোটার হিসেবে নয়, প্রার্থী, প্রচারক, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তা, পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
সিইসি বলেন, রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে জাতীয় নির্বাচন আইনে বিধান থাকলেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীদারগণ আইন বাস্তবায়নে যথেষ্ট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন। তাই অন্য অংশীদারদের অঙ্গীকারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণকে সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্র থেকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা যাবে না।
নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য সিইসি বলেন, প্রশাসন, শিক্ষা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগসহ জনজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বিশ্বাসযোগ্য ও টেকসই করতে হলে দেশের জনসংখ্যার প্রায় ৫০ শতাংশ নারী নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, কৌশল নির্ধারণের সময় দেশের সংস্কৃতি ও মানুষের বিশ্বাসকে বিবেচনায় রাখতে হবে।
২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনের প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, এখানে নারী ভোটারের সংখ্যা পুরুষ ভোটারের চেয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন বেশি। তিনি উল্লেখ করেছেন, ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমের মাধ্যমে এমন অবস্থায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
"নারীদের কার্যকর ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। শুধু ভোটার হিসেবে নয়, প্রার্থী, প্রচারক, পোলিং কর্মকর্তা, পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আগারগাঁও, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ (নারী অংশগ্রহণ), ১ হাজার ৫০০ জন (নারী ভোটার), ২৯ অক্টোবর (ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!