📌 ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আগে সরকারি এমপিদের এলাকায় ৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিরোধী দলের এলাকা ও সিটি করপোরেশন আওতাধীন ১২টি আসন বাদে বরাদ্দের সুপরিকল্পিত বিতরণ করেছে সরকার। নির্বাচন কমিশন ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পর্যন্ত পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘোষণা করেছে
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আগে সরকারি সংসদ সদস্যদের এলাকায় বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনব্যবস্থার অবনতি ও ফ্যাসিবাদী শাসনের ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপের বিরোধিতা জোরদার হয়ে উঠেছে। সরকারি দলের এমপিদের এলাকায় ৫১ কোটি ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা নির্বাচনে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। বরাদ্দের সুপরিকল্পিত বিতরণে বিরোধী দলের এলাকা ও সিটি করপোরেশন আওতাধীন ১২টি আসন বাদ পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আগে সরকারি এমপিদের এলাকায় ৫১ কোটি ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 বরাদ্দের সুপরিকল্পিত বিতরণে সরকারি দলের এমপিদের এলাকায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু বিরোধী দলের এলাকা ও সিটি করপোরেশন আওতাধীন ১২টি আসন বাদ পড়েছে।
- 📌 উত্তরবঙ্গের রংপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী ও কুড়িগ্রামের ১৯ আসনের মধ্যে একটি ছাড়া সব জামায়াত-এনসিপি জিতেছে, সেখানে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 খেলাফতের জেতা আসন সিলেট-৫-এও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা বিরোধী জোট ছেড়ে যাওয়ার পর।
- 📌 বরাদ্দের জন্য বাছাই করা এলাকাগুলোতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং সরকারি দলের এমপি রয়েছে।
- 📌 ১৩ অক্টোবর মঞ্জুর করা বরাদ্দের আদেশে বলা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে।
- 📌 নির্বাচন কমিশন ১২ অক্টোবর ঘোষণা করেছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পর্যন্ত পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার ইতিহাসে ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় স্থানীয় সরকারে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার সংস্কৃতি ছিল। নির্বাচন কমিশন রাবার স্ট্যাম্পের ভূমিকা পালন করত। এখন নতুন সরকারও সেই ঐতিহ্য অনুসরণ করতে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ সরকারি দলের এমপিদের এলাকায় বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রভাব ফেলার চেষ্টা করছে। বরাদ্দের সুপরিকল্পিত বিতরণে সরকারি দলের এমপিদের এলাকাগুলোতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু বিরোধী দলের এলাকা ও সিটি করপোরেশন আওতাধীন ১২টি আসন বাদ পড়েছে।
উত্তরবঙ্গের রংপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী ও কুড়িগ্রামের ১৯ আসনের মধ্যে একটি ছাড়া সব জামায়াত-এনসিপি জিতেছে। সেখানে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খেলাফতের জেতা আসন সিলেট-৫-এও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা বিরোধী জোট ছেড়ে যাওয়ার পর। বিরোধী দলের প্রতি সরকারের এই স্পষ্ট বিমাতাসুলভ আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত।
১৩ অক্টোবর মঞ্জুর করা বরাদ্দের আদেশে বলা হয়েছে, স্থানীয় সংসদ সদস্যদের অভিপ্রায় অনুযায়ী প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। ব্যয় করতে হবে আগামী বছরের ৩০ এপ্রিলের মধ্যে। নির্বাচন কমিশন ১২ অক্টোবর ঘোষণা করেছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২১ জানুয়ারি থেকে ৫ ধাপে শুরু হয়ে ২৭ মে পর্যন্ত চলবে। এই নির্বাচন গণতন্ত্রের বিকাশের পথে বাংলাদেশের অবস্থান যাচাই করবে এবং নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার বিষয়টি যাচাই হবে।
"এই অবস্থায় স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচন এবং পরবর্তী সংসদ নির্বাচনে কী অবস্থা হবে, এই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। ইতোমধ্যে সরকার ঢালাওভাবে প্রশাসক নিয়োগ করে সমালোচিত হয়েছে। সরকারের উচিত বরাদ্দের বিষয়টি দ্রুততার সাথে পুনর্বিবেচনা করা। একই সাথে নির্বাচন কমিশনেরও এ ব্যাপারে তাদের অবস্থান ব্যক্ত করা দরকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা (রংপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, সিলেট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সরকারি এমপি, বিরোধী দলের সদস্য, নির্বাচন কমিশন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ কোটি ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ, ১২টি আসন বাদ পড়েছে, ১৯টি আসন জামায়াত-এনসিপি জিতেছে, ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পর্যন্ত নির্বাচন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!