📌 বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা জুলাই আন্দোলনকে শিবির ও ছাত্রশক্তি কোরামের হাতে বন্দি করার দায়ে দায়ী ব্যক্তিদের ওপর আল্লাহর গজব চেয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, মোনাফেকের দলের এই কার্যকলাপ দেশের রাজনীতিকে জামায়াতের হাতে পৌঁছে দিচ্ছে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা জুলাই আন্দোলনকে শিবির ও ছাত্রশক্তি কোরামের হাতে বন্দি করার দায়ে দায়ী ব্যক্তিদের ওপর আল্লাহর গজব চেয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই আন্দোলনকে শিবির ও গুপ্তশিবিরের লোকেরা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দীর্ঘ পোস্টে এই দাবি তুলে ধরেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলাই আন্দোলনকে শিবির ও ছাত্রশক্তি কোরামের হাতে বন্দি করার দায়ে উমামা ফাতেমা দাবি করেছেন, এই আন্দোলনকে শিবির ও গুপ্তশিবিরের লোকেরা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে।
- 📌 সালাউদ্দীন আম্মার ও অন্যান্যদেরকে তিনি আন্দোলনের সাথে সম্পর্কহীন বলে অভিযোগ করেছেন, যারা শিবির ও কোরামের সমর্থনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
- 📌 ৫ আগস্টের পর থেকে 'যেদু-মধু-কদু' শিবির ও কোরামের লোকেরা আন্দোলনের সকল দিক নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে বলে দাবি করেছেন উমামা।
- 📌 সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের নাম ব্যবহার করে তরুণদের রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করার অভিযোগ করেছেন তিনি।
- 📌 মিয়ানমারের রোহিঙ্গা গণহত্যার উদাহরণ দিয়ে উমামা ফাতেমা বলেছেন, ফেসবুক অত্যন্ত কার্যকর টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল গণহত্যার জন্য।
- 📌 বাংলাদেশের রাজনীতি জামায়াতের হাতে পড়ছে বলে দাবি করেছেন তিনি, আর জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
📰 বিস্তারিত
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা দাবি করেছেন, জুলাই আন্দোলনের সাথে সম্পর্কহীন ব্যক্তিরা শিবির ও ছাত্রশক্তি কোরামের হাতে আন্দোলনকে বন্দি করেছে। তিনি লিখেছেন, সালাউদ্দীন আম্মার ও অন্যান্যদের মতো ব্যক্তিরা আন্দোলনের সাথে ন্যূনতম সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন। উমামা বলেছেন, ৫ আগস্টের পর থেকে শিবির ও কোরামের লোকেরা 'যেদু-মধু-কদু' হয়ে আন্দোলনের সকল দিক নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় জুলাই আন্দোলনের নাম ব্যবহার করে ম্যানুফ্যাকচার্ড কন্টেন্ট তৈরি করে তরুণদের রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করার চেষ্টা চলছে। উমামা ফাতেমা মিয়ানমারের রোহিঙ্গা গণহত্যার উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, ফেসবুক অত্যন্ত কার্যকর টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল গণহত্যার জন্য। তিনি দাবি করেছেন, আমাদের মধ্যবিত্ত শ্রেণী থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে তরুণদের রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করা হচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এই নেত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতি এখন জামায়াতের হাতে পড়ছে। তিনি দাবি করেছেন, জামায়াত তাদের গণহত্যার কালিমা ঢাকতে দেশকে যেকোনো পর্যায়ে নিয়ে যেতে রাজি আছে। তিনি আরও বলেছেন, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
"যেদু-মধু-কদু এসে সর্বেসর্বা হয়ে গেছে। যেই শু**রের বাচ্চারা জুলাইয়ের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনকে ভাই-ব্রাদার কোরাম আর শিবিরের হাতে বন্দি করেছে, তোদের উপর আল্লাহর গজব পড়ুক। মোনাফেকের দল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উমামা ফাতেমা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর (আন্দোলন), ৫ আগস্ট (পরিবর্তন), ৫০ বছর (বাংলাদেশের রাজনৈতিক জার্নি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!