📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আলোচিত ইসলামী বক্তা তাশরীফের বাবা: 'কষ্টে বড় করলাম, এখন আর চেনে না'

আলোচিত ইসলামী বক্তা তাশরীফের বাবা: 'কষ্টে বড় করলাম, এখন আর চেনে না'

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আলোচিত ইসলামী বক্তা হাফেজ ক্বারি জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের বাবা মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা ও অর্থের জন্য ছেলের কাছে বারবার প্রত্যাখ্যাত হন। তিনি দাবি করেন, কষ্ট করে ছেলেকে আলেম বানিয়ে বড় করলেও এখন তার কোনো খোঁজখবর নেই

আলোচিত ইসলামী বক্তা হাফেজ ক্বারি জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের বাবা মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ অসুস্থতার কারণে নিজের করুণ অবস্থা তুলে ধরেছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে প্রকাশিত একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি কান্নায় ভেঙে বলেছেন, কষ্ট করে ছেলেকে আলেম বানিয়ে বড় করলেও এখন তার কোনো খোঁজখবর নেই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ দাবি করেন, অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার জন্য ছেলের কাছে বারবার প্রত্যাখ্যাত হন।
  • 📌 তাশরীফ শৈশবে মূত্রনালীর জটিলতা থেকে সুস্থ করার জন্য বাবা মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পেতে সাহায্য চেয়েছিলেন।
  • 📌 ১০ হাজার টাকা মাসিক হাতখরচের শর্তে বাবাকে মসজিদের ইমামতির চাকরি ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলেও পরে কোনো টাকা দেননি তাশরীফ।
  • 📌 কোরবানির ঈদে বাবা সামান্য মাংস চেয়েছিলেন, কিন্তু তাশরীফ বন্ধুদের মাংস ও অর্থ দেওয়ার অজুহাতে দেননি।
  • 📌 তাশরীফের পিএস ওবায়দুল্লাহর কাছে যোগাযোগ করলেও বাবাকে ফোন ধরা বন্ধ করে দেয়া হয়।

📰 বিস্তারিত

মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ জানান, ছেলের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করে তিনি বলেন, সাধারণ এক মসজিদের ইমামতির সামান্য আয়ে সংসার চালানো কঠিন ছিল। তাশরীফ ছোটবেলায় গুরুতর মূত্রনালীর জটিলতায় আক্রান্ত হলে তিনি মানুষের কাছে হাত পেতে, দ্বারে দ্বারে সাহায্য চেয়ে অর্থ জোগাড় করেছিলেন। ঢাকা, ময়মনসিংহ ও মির্জাপুর হাসপাতালে বছরের পর বছর ঘুরে বহু কষ্টে ছেলের চিকিৎসা সম্পন্ন করে সুস্থ করে তুলেছিলেন।

কষ্ট করে ছেলেকে হাফেজ ও মাওলানা বানিয়েছেন বলে উল্লেখ করে হেদায়েতুল্লাহ ক্ষোভ প্রকাশ করেন, ‘আমি যখন অসুস্থ ছিলাম, তখন তাকে কিছু টাকা দিতে বলেছিলাম। সে সাহায্য না করে উল্টো বলে, সে নাকি জমি কিনবে। অথচ তাকে কত কষ্ট করে পড়াশোনা করালাম, বড় করলাম!’

বাধ্য হয়ে গণমাধ্যমের সহায়তায় সাধারণ মানুষের কাছে হাত পেতে চিকিৎসার অর্থ সংগ্রহ করছেন তিনি। তবে এখনো তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ নন এবং নিয়মিত চিকিৎসার মধ্যেই দিন পার করছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘যখন তোমার কেউ ছিল না, তখন ছিলাম আমি। এখন তোমার সব হয়েছে, আর পর হলাম আমি। সে আজকে আমার খোঁজখবর নেয় না, দেখে না, টাকা-পয়সাও দেয় না। বড় কষ্টের ভেতর দিন কাটাচ্ছি।’

"আমি নিজে অসুস্থ, অথচ ছেলের কাছে টাকা চাইলে দেয় না। কোনো খোঁজখবর রাখে না। সে কত জায়গায় কত টাকা ব্যয় করে।"

তাশরীফের আশ্বাসে নিজের ইমামতির চাকরি ছাড়ার তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। কিছুদিন আগে তাশরীফ তাঁর কাছে এসে চেয়ারম্যান পদে দাঁড়ানোর কথা বলে দোয়া চান এবং মাফ চেয়ে নেন। এরপর প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে হাতখরচ দেওয়ার শর্তে বাবাকে মসজিদের ইমামতির চাকরি ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। ছেলের কথায় বিশ্বাস রেখে তিনি চাকরি ছাড়লেও পরবর্তীতে তাশরীফ তাঁকে একটি টাকাও দেননি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, ময়মনসিংহ, মির্জাপুর, গাজীপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ, হাফেজ ক্বারি জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ, ওবায়দুল্লাহ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার টাকা (মাসিক হাতখরচ), ২৬ অক্টোবর (সাক্ষাৎকারের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖