📌 সিলেটের সরকারি মদনমোহন কলেজের গণিত প্রভাষক মনিরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের জেলা শাখার সভাপতি নিযুক্ত করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রশ্ন উঠেছে এই পদে শিক্ষকের যুক্তি নিয়ে
সিলেটের সরকারি মদনমোহন কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক মনিরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সিলেট জেলা শাখার সভাপতি নিযুক্ত করা হয়েছে। এই পদে সরকারি কর্মচারী হিসেবে শিক্ষকের যুক্তি নিয়ে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মনিরুল ইসলামকে সিলেট জেলা বিএনপি মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি নিযুক্ত করা হয়েছে, তিনি সিলেটের সরকারি মদনমোহন কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক
- 📌 ১ অক্টোবর অনুমোদিত কমিটিতে মনিরুল ইসলাম সভাপতি ও শিহাব উদ্দিন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন
- 📌 ১০৫ সদস্যের (আংশিক) কমিটিকে তিন মাসের মধ্যে জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের সমন্বয়ে চূড়ান্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 গণিত প্রভাষক মনিরুল ইসলাম বলেছেন, তিনি ক্যাডারভুক্ত শিক্ষক না হওয়ায় রাজনীতিতে যুক্ত থাকতে বাধা নেই
- 📌 সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা ১৯৭৯ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী রাজনৈতিক পদে যুক্ত থাকতে পারবেন না
📰 বিস্তারিত
সিলেট জেলা বিএনপি মুক্তিযোদ্ধা দলের কমিটিতে সভাপতি মনিরুল ইসলামের নিযুক্তির বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি মদনমোহন কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক মনিরুল ইসলামকে ১ অক্টোবর অনুমোদিত কমিটিতে সভাপতি নিযুক্ত করা হয়েছে। এই কমিটিতে শিহাব উদ্দিন আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত এই কমিটিকে অনুমোদন দিয়েছেন।
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নেব।’ তিনি জানতে চাইলে বলেছেন, সরকারি কর্মচারী হিসেবে শিক্ষকের রাজনৈতিক পদে যুক্ত হওয়া বিষয়টি নিয়ে তিনি জানেন না।
গণিত প্রভাষক মনিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘আমরা নন-ক্যাডার, ক্যাডারভুক্ত শিক্ষক নই। ফলে আমাদের রাজনীতিতে যুক্ত হতে বাধা নেই। আমি ১৯৮৮ সাল থেকে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতি করেছি। আমি এমসি কলেজ ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। মহানগর বিএনপির কমিটিতেও দুবার ছিলাম। বর্তমানে সিলেট মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে আছি।’
মদনমোহন কলেজের শিক্ষকদের মতে, সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা শিক্ষক সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন। তাঁরা বলেছেন, শিক্ষকের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা উচিত নয়।
"আমরা নন-ক্যাডার, ক্যাডারভুক্ত শিক্ষক নই। ফলে আমাদের রাজনীতিতে যুক্ত হতে বাধা নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট জেলা, সিলেট সিটি করপোরেশন, সরকারি মদনমোহন কলেজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনিরুল ইসলাম, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, শিহাব উদ্দিন আহমেদ, আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৫ সদস্যের (আংশিক) কমিটি, ১৯৮৮ সাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!