📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মন্ত্রীদের পুলিশ প্রটোকল প্রত্যাহার: ২৪-এ ৬ জন রাখা—১৮ জনের এসকর্ট তুলে নেওয়া

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
মন্ত্রীদের পুলিশ প্রটোকল প্রত্যাহার: ২৪-এ ৬ জন রাখা—১৮ জনের এসকর্ট তুলে নেওয়া

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিবিসি বাংলা প্রতিবেদক তারেকুজ্জামান শিমুল। ২০ জুলাই থেকে কার্যকর। ৫৮ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (২৪ মন্ত্রী+২৩ প্রতিমন্ত্রী+১০ উপদেষ্টা)। ৬ জন প্রটোকল পাচ্ছেন: মির্জা ফখরুল, সালাহউদ্দিন, আমির খসরু, খলিলুর, জাহিদ, ইকবাল। উপদেষ্টা: তিতুমীর। ১৮ জন প্রত্যাহার: আসাদুজ্জামান, এ্যানি, দুলু, তাহের, মিলন, সাখাওয়াত, রবিউল, মুক্তাদির, মিন্টু, নিতাই, মিনু, আরিফুল, স্বপন, কায়কোবাদ, আজম, রিতা, রশিদ, আনাম। পিএম পুলিশ অর্ধেক। ৯০ পুলিশ ফ্রি। ২৫ গাড়ি থেকে ৭। উপকমিশনার শাহরিয়ার আলম।

বাংলাদেশের রাজধানীতে চলাচলের সময় মন্ত্রীরা এতদিন যে 'পুলিশ প্রটোকল' বা বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা পেয়ে আসছিলেন—বেশিরভাগের ক্ষেত্রে সম্প্রতি সেটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে সরকার। মন্ত্রিসভার দুই ডজন পূর্ণমন্ত্রীর মধ্যে বর্তমানে কেবল ছয়জন জ্যেষ্ঠ সদস্য ঢাকার মধ্যে পুলিশের বিশেষ প্রটোকল পাচ্ছেন—বাকি ১৮ জন মন্ত্রী কেবল ঢাকার বাইরে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা সুবিধাটি নিতে পারবেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেও তাঁর নিরাপত্তা বহর থেকে পুলিশ সদস্যদের সংখ্যা কমিয়ে অর্ধেকে নামিয়ে এনেছেন। বিবিসি বাংলার তারেকুজ্জামান শিমুলের এই প্রতিবেদন অনুযায়ী—২০ জুলাই থেকে কার্যকর এই সিদ্ধান্তের ফলে ১৮ জন মন্ত্রীর বিশেষ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রায় ৯০ জন পুলিশ সদস্য এখন সাধারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • সিদ্ধান্ত: ২০ জুলাই থেকে কার্যকর—স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ডিএমপি।
  • মন্ত্রিসভা: ২৪ জন পূর্ণমন্ত্রী, ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী, ১০ জন উপদেষ্টা (৫ মন্ত্রী + ৫ প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) = মোট ৫৮ জন।
  • প্রটোকল পাচ্ছেন (ঢাকায়): ৬ জন মন্ত্রী—মির্জা ফখরুল (স্থানীয় সরকার), সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্র), আমির খসরু (অর্থ), ড. খলিলুর রহমান (পররাষ্ট্র), ডা. জাহিদ হোসেন (সমাজকল্যাণ), ইকবাল হাসান মাহমুদ (বিদ্যুৎ/জ্বালানি)।
  • উপদেষ্টা: ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর (পরিকল্পনা উপদেষ্টা)।
  • প্রটোকল প্রত্যাহার: ১৮ জন মন্ত্রী—আসাদুজ্জামান (আইন), এ্যানি (পানিসম্পদ), দুলু (দুর্যোগ), জাকারিয়া তাহের (গৃহায়ণ), মিলন (শিক্ষা), সাখাওয়াত (স্বাস্থ্য), রবিউল আলম (সড়ক/সেতু), মুক্তাদির (বাণিজ্য), মিন্টু (পরিবেশ), নিতাই রায় (সংস্কৃতি), মিনু (ভূমি), আরিফুল (শ্রম/প্রবাসী), স্বপন (তথ্য), কায়কোবাদ (ধর্ম), আজম খান (মুক্তিযুদ্ধ), রিতা (বেসামরিক বিমান/পর্যটন), রশিদ (কৃষি/মৎস্য), আনাম (তথ্যপ্রযুক্তি)।
  • পদাধিকারী: স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলীয় নেতা, উপনেতা, চিফ হুইপ, বিরোধী চিফ হুইপ—প্রটোকল পান।
  • প্রধানমন্ত্রী: এসএসএফ মূল নিরাপত্তা; পুলিশ অর্ধেকে কমানো হয়েছে।
  • প্রটোকল দল: ১ জন এসআই + ৪ জন কনস্টেবল = ৫ জন প্রতি মন্ত্রী; ২৫টি গাড়ি থেকে ৭টিতে নেমেছে।
  • উপকমিশনার: মো. শাহরিয়ার আলম—ডিএমপি সুরক্ষা বিভাগ।
  • কারণ: অপ্রয়োজনীয় ব্যয় রোধ; পুলিশকে থানায় ফেরানো; যানবাহন সংকট কমানো; নিয়মিত কার্যক্রমে ব্যাঘাত দূর করা।

'এটা হঠাৎ করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়'

বাংলাদেশের রাজধানীতে চলাচলের সময় মন্ত্রীরা এতদিন যে 'পুলিশ প্রটোকল' বা বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা পেয়ে আসছিলেন—বেশিরভাগের ক্ষেত্রে সম্প্রতি সেটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে সরকার। ফলে গত সপ্তাহখানেক ধরে তাদেরকে পুলিশের বিশেষ প্রহরা ছাড়াই ঢাকার রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছে। 'এমনকি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেও তার নিরাপত্তা বহর থেকে পুলিশ সদস্যদের সংখ্যা কমিয়ে এনেছেন,' বলছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা।

মন্ত্রিসভার দুই ডজন পূর্ণমন্ত্রীর মধ্যে বর্তমানে কেবল ছয়জন জ্যেষ্ঠ সদস্য ঢাকার মধ্যে পুলিশের বিশেষ প্রটোকল পাচ্ছেন। বাকি ১৮ জন মন্ত্রী কেবল ঢাকার বাইরে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা সুবিধাটি নিতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা বলেছেন—'এটা হঠাৎ করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়। নির্বাচনের আগেই তারেক রহমান পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন যে—ক্ষমতায় গেলে তিনি প্রশাসনে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে জনগণের অর্থ যেন যথাযথভাবে কাজে লাগানো হয়—সেটি নিশ্চিত করবেন। ওই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নতুন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।'

যারা প্রটোকল পাচ্ছেন: ৬ মন্ত্রী + ১ উপদেষ্টা

গত ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর পাঁচদিনের মাথায় ক্ষমতা গ্রহণ করে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ২৪ জন পূর্ণমন্ত্রী ছাড়াও জায়গা পান ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন—যাদের মধ্যে পাঁচজনকে মন্ত্রীর এবং বাকি পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি সরকারে থাকা এই ৫৮ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মধ্যে ২৪ জন মন্ত্রী এবং মন্ত্রী পদমর্যাদার কয়েকজন উপদেষ্টা গত পাঁচ মাস ধরে পুলিশ প্রটোকল পেয়ে আসছিলেন। কিন্তু গত ২০শে জুলাই সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাইরে মাত্র ছয়জন মন্ত্রী এখনও ঢাকার রাস্তায় বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা পাচ্ছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। এছাড়া পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর প্রটোকল পাচ্ছেন।

যাদের প্রটোকল প্রত্যাহার হয়েছে: ১৮ জন মন্ত্রী

মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে ১৮ জন মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, গৃহায়ণ মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আজম খান, পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

'অপ্রয়োজনীয় ব্যয় রোধ' ও পুলিশের উপকার

রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় এতদিন মন্ত্রীদের প্রত্যেকের সঙ্গে পুলিশি প্রটোকলের একটি গাড়ি রাখা হতো। একজন মন্ত্রীর প্রটোকল টিমে সাধারণত পাঁচজন পুলিশ সদস্য থাকেন—যাদের মধ্যে একজন উপপরিদর্শক (এসআই) এবং চারজন কনস্টেবল। তাদের খাবার-দাবার, বেতন-ভাতা ছাড়াও পুলিশের পিকআপ ভ্যানের জ্বালানি ও যন্ত্রপাতির যাবতীয় খরচ দেওয়া হয় জনগণের করের অর্থ থেকে।

'এতে পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে—বিভিন্ন মামলার তদন্তে ধীরগতি দেখা দেয়,' বলেছেন পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। সরকারের সিদ্ধান্তের ফলে ১৮ জন মন্ত্রীর বিশেষ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রায় ৯০ জন পুলিশ সদস্যকে এখন অন্য জায়গায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে ব্যবহার করার সুযোগ হয়েছে। প্রটোকলে গাড়ির ব্যবহারও ২৫টি থেকে কমে সাতটিতে নেমেছে। 'এর ফলে একদিকে যেমন জ্বালানি সাশ্রয় হচ্ছে—তেমনি পুলিশের গাড়ি সংকটও কিছুটা কমেছে,' বলছিলেন ডিএমপি-র সুরক্ষা বিভাগের উপকমিশনার মো. শাহরিয়ার আলম।

'এটা হঠাৎ করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়। নির্বাচনের আগেই তারেক রহমান পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন যে—ক্ষমতায় গেলে তিনি প্রশাসনে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে জনগণের অর্থ যেন যথাযথভাবে কাজে লাগানো হয়—সেটি নিশ্চিত করবেন।'—প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিবিসি বাংলাকে
যাচাই অবস্থা: ✓ যাচাইকৃত (নির্ভরতা স্কোর: 80%)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖